রানা ইসলাম বদরগঞ্জ রংপুর
রংপুরে বদরগঞ্জ উপজেলা কালুপাড়ার ইউনিয়ন বৈরামপুর কমিউনিটি ক্লিনিকে এক স্বাস্থ্য সহকারী বিরুদ্ধে ১দিন থেকে ৪০ দিন বয়সী নবজাতক শিশুদের শরীরে ( বিসিজি টিকা) দেওয়ার সময় টাকা নেওয়ার অভিযোগ। ঐ স্বাস্থ্য সহকারী নাম মিলন চন্দ্র রায়। ভুক্তভোগীগনেরা সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে বলেন তিনি আগে ১২০ টাকা হাতে নিচ্ছে তারপর টিকা শরীরে পুশ করছে।টাকা না দিলে পরে টিকা দেওয়া হবে। এ ঘটনায় শিশুদের অভিভাবকগন বৈরামপুর কমিউনিটি ক্লিনিকে সামনে অভিযুক্ত স্বাস্থ্য সহকারী মিলন চন্দ্র রায়ের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ করেন।পরে তাকে ২ ঘন্টা অবরুদ্ধ করে রাখে।
বুধবার ১৯ নভেম্বর সরজমিনে বৈরামপুর কমিউনিটি ক্লিনিকে গিয়ে দেখা যায় নবজাতক শিশুদের অভিভাবকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,কোন দেশে বসবাস করি সন্তানকে সরকারি ভাবে টিকা দিবো তাও টাকা লাগে।এজন্য সৈরাচারী হটিয়ে নতুন কে দেশ স্বাধীন হয়েছে। দূনীতিমুক্ত দেশ গঠনে কোন ভূমিকা নেই কি আমাদের। কিন্তু এখন দেখছি দূনীতি আরো বিস্তর বেড়েছে।
বৈরামপুর ডাক্তারপাড়া গ্রামে লাইলী বেগম বলেন, আমার বাচ্চাকে এখানে টিকা দিতে এসেছি কিন্তুু এখানে আগে ১২০ টাকা নিচ্ছি তারপর টিকা পুশ করছে।
স্হানীয় বাসিন্দা শাহআলম বলেন,দীর্ঘ দিন থেকে স্বাস্থ্য সহকারী মিলন চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে টিকা দেওয়ার সময় টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠছে।আজ ঘটনাটি বৈরামপুর কমিউনিটি ক্লিনিকে গিয়ে সত্যি দেখলাম। প্রতিটি শিশুর অভিভাবক কাছ থেকে ১২০ টাকা নিচ্ছে টিকা বাবদ।আমি বিষয়টি স্বাস্থ্য সহকারী বললে তিনি বলেন,টিকা নেওয়ার টাকা সঠিক নয়।আমি নিবন্ধন জন্য ১২০ টাকা নিচ্ছি।
লিমন নামে আরেক যুবক বলেন, শিশুদের নিবন্ধন করার অফিস ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়। স্বাস্থ্য কেন্দ্র কেন। নিশ্চয় এই স্বাস্থ্য সহকারী ঘুষ নিচ্ছেন। এটা অন্যায়। বিষয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।
অভিযোগ বিষয়ে জানতে চাইলে মিলন চন্দ্র রায় বলেন, যে শিশুগুলো বয়স ১ থেক ৪০ দিন বয়স তাদের নিবন্ধন করার জন্য ১২০ টাকা নিচ্ছি। টিকার জন্য নয়।
বদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আশেকুল আরেফিন বলেন,টিকা নিতে টাকা নেওয়ার কোন সুযোগ নেই। এটা সম্পূর্ণ অবৈধ। ওই স্বাস্থ্য সহকারী বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।