কাউখালী প্রতিনিধি:
পিরোজপুরে কাউখালীতে সোমবার (১০ নভেম্বর) দুপুরে লক্ষাধিক ভক্তবৃন্দদের মহাপ্রসাদ বিতরণের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে শ্রীগুরু সংঘ বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় আশ্রমের ৫দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী আবির্ভাব ও রাস উৎসব।
শ্রীগুরু সংঘের প্রতিষ্ঠাতা শ্রীশ্রীমদ দুর্গাপ্রসন্ন পরমহংসদেবের ১৩৪তম আবির্ভাব তিথী রাস পূর্ণিমায় গত ৬ নভেম্বর থেকে এ উৎসব শুরু হয়ে ছিল।
পাঁচ দিনের এ উৎসবে ভক্তসহ জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে দেশ ও বিদেশের প্রায় ১০ লক্ষাধিক ভক্ত ও পূণ্যার্থীর সমাগম হয়েছে।
সমাপনী দিনের উৎসবে কুঞ্জভঙ্গ, নগরকীর্তন ও পরিক্রমা এবং গুরুপূজা শেষে মহাপ্রসাদ বিতরণের মধ্য দিয়ে উৎসবের সমাপ্তি ঘটে। এই উৎসবকে ঘিরে বিশাল এলাকা জুড়ে চলছে রাসমেলা।
কাউখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এস,এম আহসান কবির ও উপজেলা বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক এইচএম দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, হিন্দু ধর্মের অনুষ্ঠান হলেও এটা এই অঞ্চলের ঐতিহ্য বহন করে, শত বছর ধরে এই ঐতিহ্যবাহী রাস উৎসব অনুষ্ঠানটি নির্বিঘ্নে অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য প্রশাসনের পাশাপাশি আমাদের দলের আড়াইশো স্বেচ্ছাসেবক নিরলসভাবে দিন রাত পরিশ্রম করে গেছে।
এই আবির্ভাব উৎসবের কর্মী প্রধান রতন কর বলেন, পাঁচদিনের এই উৎসবে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও শ্রীগুরু এর ভক্তবৃন্দ ছাড়াও মুসলিম ভাইয়েরা এই অনুষ্ঠানটি সফল করার জন্য আমাদের কর্মীর পাশাপাশি তারাও আমাদের পাশে থেকে সহযোগিতা করে গেছেন।
শ্রী গুরু সংঘের সহ পরিকল্পনা ও গবেষণা সম্পাদক সজল দে বলেন, আমার দেখা এযাবৎ যত উৎসব হয়েছে তার ভিতরে এবারের উৎসব নির্বিঘ্ন সুশৃংখল ভাবে হয়েছে, লক্ষ লক্ষ লোকের আগমন হয়েছে কিন্তু যে একটি অপ্রীতকর ঘটনা ঘটেনি।
পিরোজপুরে কাউখালীতে সোমবার (১০ নভেম্বর) দুপুরে লক্ষাধিক ভক্তবৃন্দদের মহাপ্রসাদ বিতরণের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে শ্রীগুরু সংঘ বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় আশ্রমের ৫দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী আবির্ভাব ও রাস উৎসব।
শ্রীগুরু সংঘের প্রতিষ্ঠাতা শ্রীশ্রীমদ দুর্গাপ্রসন্ন পরমহংসদেবের ১৩৪তম আবির্ভাব তিথী রাস পূর্ণিমায় গত ৬ নভেম্বর থেকে এ উৎসব শুরু হয়ে ছিল।
পাঁচ দিনের এ উৎসবে ভক্তসহ জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে দেশ ও বিদেশের প্রায় ১০ লক্ষাধিক ভক্ত ও পূণ্যার্থীর সমাগম হয়েছে।
সমাপনী দিনের উৎসবে কুঞ্জভঙ্গ, নগরকীর্তন ও পরিক্রমা এবং গুরুপূজা শেষে মহাপ্রসাদ বিতরণের মধ্য দিয়ে উৎসবের সমাপ্তি ঘটে। এই উৎসবকে ঘিরে বিশাল এলাকা জুড়ে চলছে রাসমেলা।
কাউখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এস,এম আহসান কবির ও উপজেলা বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক এইচএম দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, হিন্দু ধর্মের অনুষ্ঠান হলেও এটা এই অঞ্চলের ঐতিহ্য বহন করে, শত বছর ধরে এই ঐতিহ্যবাহী রাস উৎসব অনুষ্ঠানটি নির্বিঘ্নে অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য প্রশাসনের পাশাপাশি আমাদের দলের আড়াইশো স্বেচ্ছাসেবক নিরলসভাবে দিন রাত পরিশ্রম করে গেছে।
এই আবির্ভাব উৎসবের কর্মী প্রধান রতন কর বলেন, পাঁচদিনের এই উৎসবে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও শ্রীগুরু এর ভক্তবৃন্দ ছাড়াও মুসলিম ভাইয়েরা এই অনুষ্ঠানটি সফল করার জন্য আমাদের কর্মীর পাশাপাশি তারাও আমাদের পাশে থেকে সহযোগিতা করে গেছেন।
শ্রী গুরু সংঘের সহ পরিকল্পনা ও গবেষণা সম্পাদক সজল দে বলেন, আমার দেখা এযাবৎ যত উৎসব হয়েছে তার ভিতরে এবারের উৎসব নির্বিঘ্ন সুশৃংখল ভাবে হয়েছে, লক্ষ লক্ষ লোকের আগমন হয়েছে কিন্তু যে একটি অপ্রীতকর ঘটনা ঘটেনি।