মাহফুজ রাজা,স্টাফ রিপোরটার:
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জ-১ (কিশোরগঞ্জ সদর–হোসেনপুর) আসনে জমে উঠেছে রাজনৈতিক সরবতা। বিএনপি এখনও এই আসনে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়নের ঘোষণা না দিলেও, স্থানীয় রাজনীতিতে চলছে জোর আলোচনা।
এ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি থেকে অর্ধ ডজন মনোনয়ন প্রত্যাসী থাকলেও ৫ জনই কিশোরগঞ্জ সদরে, হোসেনপুরে একক প্রার্থী হিসেবে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।সাবেক সভাপতি ও বর্তমান হোসেনপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম মবিন।
বৃহস্পতিবার বিকালে হোসেনপুর উপজেলায় বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে শোডাউন ও লিফলেট বিতরণ করেছে মবিন।দলে দলে বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত মিছিল কুঁড়িঘাট মোড়ে জড়ো হয়ে শোডাউনটি পৌর এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে হাসপাতাল মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। এতে অংশ নিয়েছিলো উপজেলা,পৌর, ইউনিয়ন বিএনপিসহ তার বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের অসংখ্য নেতাকর্মী ও সমর্থকবৃন্দ।
এর আগে দুপুরে কিশোরগঞ্জ শহরের একটি হোটেলের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ১৯৮৬ সন থেকেই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত উল্লেখ করে তিনি বলেন, আপদে বিপদে, সুখে দুঃখে সবসময়ই দলের পাশে থেকেছি। বিগত ১৬ বছর রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন দাবি করে এই নেতা বলেন, আন্দোলন করতে গিয়ে গ্রেফতার হয়ে পুলিশের নির্যাতনে দুটি কিডনি নষ্ট হয়ে গেছে। এরপরও দলের আদর্শ থেকে চুল পরিমাণ বিচ্যুত হননি বলে উল্লেখ করেন তিনি।এ ছাড়াও
মনোনয়ন না পেলেও ধানের শীষ প্রতীক যাকে দেওয়া হবে, তার পক্ষেই কাজ করার ঘোষণাও দিয়েছেন সংবাদ সম্মেলনে।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জ-১ (কিশোরগঞ্জ সদর–হোসেনপুর) আসনে জমে উঠেছে রাজনৈতিক সরবতা। বিএনপি এখনও এই আসনে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়নের ঘোষণা না দিলেও, স্থানীয় রাজনীতিতে চলছে জোর আলোচনা।
এ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি থেকে অর্ধ ডজন মনোনয়ন প্রত্যাসী থাকলেও ৫ জনই কিশোরগঞ্জ সদরে, হোসেনপুরে একক প্রার্থী হিসেবে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।সাবেক সভাপতি ও বর্তমান হোসেনপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম মবিন।
বৃহস্পতিবার বিকালে হোসেনপুর উপজেলায় বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে শোডাউন ও লিফলেট বিতরণ করেছে মবিন।দলে দলে বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত মিছিল কুঁড়িঘাট মোড়ে জড়ো হয়ে শোডাউনটি পৌর এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে হাসপাতাল মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। এতে অংশ নিয়েছিলো উপজেলা,পৌর, ইউনিয়ন বিএনপিসহ তার বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের অসংখ্য নেতাকর্মী ও সমর্থকবৃন্দ।
এর আগে দুপুরে কিশোরগঞ্জ শহরের একটি হোটেলের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ১৯৮৬ সন থেকেই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত উল্লেখ করে তিনি বলেন, আপদে বিপদে, সুখে দুঃখে সবসময়ই দলের পাশে থেকেছি। বিগত ১৬ বছর রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন দাবি করে এই নেতা বলেন, আন্দোলন করতে গিয়ে গ্রেফতার হয়ে পুলিশের নির্যাতনে দুটি কিডনি নষ্ট হয়ে গেছে। এরপরও দলের আদর্শ থেকে চুল পরিমাণ বিচ্যুত হননি বলে উল্লেখ করেন তিনি।এ ছাড়াও
মনোনয়ন না পেলেও ধানের শীষ প্রতীক যাকে দেওয়া হবে, তার পক্ষেই কাজ করার ঘোষণাও দিয়েছেন সংবাদ সম্মেলনে।