রাজশাহীর পদ্মায় বিলুপ্তপ্রায় মিঠাপানির কুমিরের বিস্ময়কর উপস্থিতি: প্রকৃতিপ্রেমী দম্পতির ক্যামেরায় ধরা পড়ল বিরল দৃশ্য

আপলোড সময় : ২১-১০-২০২৫ ১২:৫৮:২৭ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২১-১০-২০২৫ ১২:৫৮:২৭ অপরাহ্ন
মাসুদ রানা রাব্বানী,রাজশাহী:

প্রকৃতি সংরক্ষণ সংস্থা (আইইউসি) ২০১৫ সালে বাংলাদেশে বিলুপ্ত ঘোষিত মিঠাপানির কুমিরের একটি জীবন্ত esemplare রাজশাহীর পদ্মা নদীর চরে দেখা গেছে। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজশাহীর ষাটবিঘা চরে পাখিপ্রেমী দম্পতি ইমরুল কায়েস ও উম্মে খাদিজা ইভার ক্যামেরায় ধরা পড়ে এই বিরল দৃশ্য। ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল এবং প্রকৃতি গবেষকদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার করেছে।
প্রথম দর্শন ও বন বিভাগের তৎপরতা ষাটবিঘা চরের স্থানীয় যুবক রাজু আহাম্মেদ গরু চরাতে গিয়ে প্রথম কুমিরটি দেখতে পান। রাজু জানান, "পানি থেকে তিন-চার হাত দূরে কুমিরটা চরে উঠে এসেছিল। আমি তখন গান শুনছিলাম। গান বন্ধ করে ছবি তুলতে গেলেই কুমিরটা পানিতে নেমে যায়।" তিনি দ্রুত বন বিভাগের কর্মী সোহেল রানাকে খবর দেন।
পাখির খোঁজে গিয়ে কুমিরের সন্ধান বন বিভাগ থেকে খবর পেয়ে নগরের কাজীহাটা এলাকার আলোকচিত্রী দম্পতি ইমরুল কায়েস ও উম্মে খাদিজা ইভা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। মূলত তাঁরা পদ্মার চরে লাল মুনিয়াসহ বিভিন্ন পাখির ছবি তোলার উদ্দেশ্যেই বেরিয়েছিলেন। খাদিজা বলেন, "রোদের মধ্যে হাঁটতে হাঁটতে খুব ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম। ঘাটের দোকানে বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলাম, তখনই বন বিভাগের ফোনটা এলো। মুহূর্তেই ঘুম কেটে গেল।"
ড্রোনের চোখে ধরা পড়ল বিলুপ্তপ্রায় জীব রাজশাহীর ভারতের সীমান্তঘেঁষা চর এলাকায় পৌঁছে প্রথমে কুমিরের কোনো চিহ্ন না দেখে তাঁরা হতাশ হয়ে পড়েন। কিন্তু ইমরুল কায়েস ড্রোন উড়িয়ে খোঁজ শুরু করলে হঠাৎই ড্রোনের স্ক্রিনে পানিতে একটি বিশাল কুমিরের চলাফেরা দেখতে পান।
উম্মে খাদিজা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, "কায়েস হঠা
ৎকার করে উঠল—‘পাগলি, কুমির!’ আমি দৌড়ে গিয়ে দেখি সত্যিই জীবন্ত কুমির। জীবনে প্রথমবার প্রকৃতিতে সামনাসামনি কুমির দেখলাম।" তাঁরা দ্রুত কুমিরটির ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন, যা পরবর্তীতে বন বিভাগে পাঠানো হয়।



Md. Masud Rana Rabbani
Mobail No - 01711954647
Kazla Rajshahi.

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স দশম তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]