বদরগঞ্জ রংপুর প্রতিনিধি:
রংপুরের বদরগঞ্জে এক ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে চারদিন আটক রেখে ৪ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের জাঙ্গালপাড়া গ্রামে।
এ ঘটনায়, বাদী হয়ে কুতুবপুর ইউপি চেয়ারম্যান শামসুল আলম, ইউপি সদস্য ফারুক হোসেন সহ চার জনের নাম উল্লেখ করে বদরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী রাশেকুজ্জামান বাবলু।
এ ঘটনায়, বাদী হয়ে কুতুবপুর ইউপি চেয়ারম্যান শামসুল আলম, ইউপি সদস্য ফারুক হোসেন সহ চার জনের নাম উল্লেখ করে বদরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী রাশেকুজ্জামান বাবলু।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাত ৯ টায় কুতুবপুর নাগের হাট বাজার থেকে মোটরসাইকেলে জোরপূর্বক উঠিয়ে নিয়ে গিয়ে জাঙ্গালপাড়া গ্রামের সাজেদুল ইসলামের বাড়িতে আটক করে রাখেন রাশেদুজ্জামান বাবলুকে। পরে মুঠোফোন ভুক্তভোগী রাশেদুজ্জামান বাবলুর পরিবারের কাছে ফোন দিয়ে ৪ লাখ টাকা দাবি করা হয়। পরিবারের লোকজন (১৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় ধার দেনা করে আসামি সাজেদুল ইসলামের বাড়িতে গিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান শামসুল আলম ও ইউপি সদস্য ফারুক হোসেন কে সাক্ষী রেখে দুই লাখ টাকা দেন।
ওই সময় ইউপি চেয়ারম্যান শামসুল আলম আরো ২ লাখ টাকা নিয়ে আসতে বলেন, রাশেকুজ্জামানের পরিবারকে।না হলে রাশেকুজ্জামানকে ছাড়া হবে না বলে পরিবারের লোকজনকে জানান।
ওই সময় ইউপি চেয়ারম্যান শামসুল আলম আরো ২ লাখ টাকা নিয়ে আসতে বলেন, রাশেকুজ্জামানের পরিবারকে।না হলে রাশেকুজ্জামানকে ছাড়া হবে না বলে পরিবারের লোকজনকে জানান।
ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, নাগের হাট বাজার থেকে রাশেকুজ্জামানকে তুলে নিয়ে গিয়ে বাড়িতে আটক রেখে ৪ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছে ২ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। আরো দুই লাখ টাকা দাবি করে তারা।
বদরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ কে এম আতিকুর রহমান বলেন, কুতুবপুর ইউনিয়নে অপহরণ ও মুক্তিপনের দাবি করায় ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্য সহ চার জনের নামে থানায় মামলা হয়েছে।
একজনকে গ্রেফতার করে রংপুর জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে। এদিকে ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
একজনকে গ্রেফতার করে রংপুর জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে। এদিকে ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।