নিজস্ব প্রতিবেদক
র্যাব-১১, সিপিসি-১ এর অভিযানে গাঁজা ও ইয়াবা সহ ০৩ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।
র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১ গত ০৫ আগষ্ট ২০২৪ তারিখ হতে অদ্যবধি দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় বিভিন্ন অভিযানে চাঞ্চল্যকর অপরাধী ২০৩ জন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী- ০১ জন, আরসা সদস্য-১৫ জন, জঙ্গি-০২ জন, হত্যা মামলায় ১৮১ জন গ্রেফতার, ধর্ষণ মামলায় ৮৪ জন গ্রেফতার।
অস্ত্র সংক্রান্ত মামলায় ২৬ জন গ্রেফতারসহ ১০৫ টি অস্ত্র, ১৩৪৮ রাউন্ড গোলাবারুদ উদ্ধার এবং ৪০২ জন এর অধিক মাদক কারবারি গ্রেফতারসহ বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করে র্যাব-১১। পাশাপাশি ৭৩ জন অপহরণকারী গ্রেফতারসহ ৭৮ জন ভিকটিম উদ্ধার এবং ছিনতাইকারী ও ডাকাত ৮২ জন, জেল পলাতক ৩৯ জন, প্রতারণার আসামী-১৭ জন সহ অন্যান্য অপরাধী প্রায় ৪৭০ জনকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে র্যাব-১১ জনগণের সুনাম অজর্ন করতে সক্ষম হয়েছে।
মাদকদ্রব্য নির্মূলে ও মাদকের ভয়াল থাবা থেকে যুব সম্প্রদায়কে রক্ষা করতে র্যাব-১১ বদ্ধপরিকর এবং এ লক্ষ্যে র্যাব-১১ নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক নির্মূলের লক্ষ্যে র্যাব-১১ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে এবং বিভিন্ন সময়ে র্যাব-১১ বিপুল পরিমান মাদক উদ্ধারসহ মাদক ব্যবসার সাথে জড়িতদেরকে গ্রেফতার পূর্বক আইনের আওতায় নিয়ে আসছে।
এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-১, নারায়ণগঞ্জ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল গত ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখ মুন্সিগঞ্জ জেলার মুন্সিগঞ্জ সদর থানাধীন রিকাবি বাজার সংলগ্ন টেংগর গ্রামস্থ জৈনকা ফিরোজা বেগম ্ধসঢ়;এর বসত বাড়ির সামনে গলির ভিতর আধাপাকা রাস্তার উপর অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা ও ইয়াবাসহ ০৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে গ্রেফতার করেন।
গ্রেফতারকৃত আসামী- ১। মোঃ আল আমিন (৩৫),পিতা- মৃত আঃ মজিদ, মাতা- মোছাঃ কোহিনুর খাতুন, স্থায়ী সাং-জালালপুর, থানা-মুলাদা, জেলা-বরিশাল, এ/পি সাং-টেংগর, থানা-মুন্সিগঞ্জ, জেলা- মুন্সিগঞ্জ এর নিকট হইতে ৪০০ গ্রাম গাঁজা, আসামী ২। শ্রী তুষার দাস বান্টী (২৬), পিতা- শ্রী বাবুল দাস, মাতা- মিতালী রানী দাস, সাং- টেংগর বাঁশতলা, থানা- মুন্সিগঞ্জ, জেলা- মুন্সিগঞ্জ এর নিকট হইতে ৩৫০ গ্রাম গাঁজা এবং আসামী ৩। মোঃ শাকিল (২৬),পিতা- মোছাঃ আসাদুজ্জামান, মাতা- মোছাঃ সালমা বেগম, সাং-মিরাপাড়া, থানা- মুন্সিগঞ্জ, জেলা-মুন্সিগঞ্জ এর নিকট হইতে ৫৮ পিছ অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেন।
প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, তারা একটি সংঘবদ্ধ মাদক চোরাচালান চক্রের সক্রিয় সদস্য। গ্রেফতারকৃত সদস্যরা পারস্পারিক যোগসাজসে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে দীর্ঘদিন যাবৎ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য অভিনব কৌশলে মুন্সিগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জ এর আশেপাশের জেলায় বহন ও সরবরাহ করে।
গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যাবসায়ীদের জিজ্ঞাসাবাদে মাদক চোরাচালানের সাথে সম্পৃক্তদের বিষয়ে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গিয়েছে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ সংক্রান্তে জড়িত অন্যান্য মাদক ব্যবসায়ীদেরকে আইনের আওতায় আনার জন্য এবং মাদকের কড়াল গ্রাস থেকে যুব সমাজ তথা দেশকে বাঁচাতে মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে র্যাব-১১, সিপিসি-১ এর গোয়েন্দা নজরদারী ও আভিযানিক কার্যক্রম অব্যহত থাকবে।
গ্রেফতারকৃত আসামী’দ্বয়ের বিরুদ্ধে মুন্সিগঞ্জ জেলার সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।