বাংলাদেশ ০১:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪, ৮ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :

সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,, সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,,০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০, ০১৭১২-৪৪৬৩০৬,০১৭১১-০০৬২১৪ সম্পাদক

     
ব্রেকিং নিউজ ::
মুন্সীগঞ্জ সদর ইউএনওর চরডুমুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন সন্ধ্যার মধ্যে উপাচার্য, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাসভবন ছাড়ার আল্টিমেটাম কুবি শিক্ষার্থীদের রাবিতে জড়ো হওয়া আন্দোলনকারীদের পুলিশ-বিজিবির ধাওয়া মেহেন্দিগঞ্জে অজ্ঞাতনামা নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার। মুন্সীগঞ্জে গায়েবানা জানাযা থেকে ঈমাম ও বিএনপি নেতাকে ধরে নিয়ে গেলো পুলিশ কোটা আন্দোলনের পক্ষে সংহতি জানিয়ে ফেনী ইউনিভার্সিটির বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের বিবৃতি চলমান পরিস্থিতিতে রাবি ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি আপাতত স্থগিত: উপাচার্য বিদেশের পাঠানো টাকা চাইতে গিয়ে বিপাকে প্রবাসী স্বামী রাজশাহীতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র আশুরা পালিত চট্রগ্রামের কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত ওয়াসিমের জানাজায় মানুষের ঢল পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া পৌরসভার রাস্তায় সমবায় সমিতি ভবনের ট্যাংকির ময়লা: জনদুর্ভোগ মুন্সীগঞ্জে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের উপর হামলা, আহত ৫ হরিপুরে, প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড এর পক্ষ থেকে কর্মী মিটিং ও গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত। গৌরীপুরে উদীচী কার্য়ালয়ে হামলা ও ভাংচুর স্ত্রীর যৌতুক মামলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক কারাগারে

উচ্চমাত্রার বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক ও মাদকদ্রব্য সহ ০২ জন নাশকতাকারীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৩।

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:৩১:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ নভেম্বর ২০২৩
  • ১৬৫৪ বার পড়া হয়েছে

উচ্চমাত্রার বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক ও মাদকদ্রব্য সহ ০২ জন নাশকতাকারীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৩।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

রাজধানীর ফকিরাপুল কালভার্ট রোড এলাকার একটি বাড়ি থেকে উচ্চমাত্রার বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক ও মাদকদ্রব্য সহ ০২ জন নাশকতাকারী’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৩।

 

 

 

 

এলিট ফোর্স হিসেবে র‌্যাব আত্মপ্রকাশের সূচনালগ্ন থেকেই আইনের শাসন সমুন্নত রেখে দেশের সকল নাগরিকের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে অপরাধ চিহ্নিতকরণ, প্রতিরোধ, শান্তি ও জনশৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করে আসছে। র‌্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে জঙ্গি, মাদক, হত্যা, ধর্ষণ, নাশকতাকারী ও প্রতারণাসহ বিভিন্ন অপরাধীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে দেশব্যাপী সুনাম অর্জন করে আসছে।

 

 

 

 

 

গত ২৮ অক্টোবর বিরোধী দলের মহা সমাবেশের পর হরতাল এবং অবরোধ কর্মসূচীকে কেন্দ্র করে নাশকতাকারীরা রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে গাড়িতে অগ্নি সংযোগ, ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে মানুষের মনে ভীতি সঞ্চারের চেষ্টা করে আসছে। আইন শৃঙ্খলার সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জনগণের জানমাল রক্ষায় র‌্যাব নাশকতাকারীদের গ্রেফতারে বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করে আসছে। সৃষ্ট নাশকতা দমনে গাড়িতে অগ্নিসংযোগকারী এবং ককটেল প্রস্তুতকারী গ্রেফতারে র‌্যাব-৩ ইতিপূর্বে উল্লেখযোগ্য অভিযান পরিচালনা করে আসছে।

 

 

 

 

এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাবের একটি চৌকস আভিযানিক দল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত রাতে রাজধানীর ফকিরাপুল কালভার্ট রোড এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে নাশকতাকারী ১। মোঃ বাবুল মিয়া (৪০), পিতা মৃত মফিজ মিয়া, সাং-কাজী পাড়া, থানা-গোয়ালন্দ বাজার, জেলা-রাজবাড়ী এবং ২। মোঃ মাসুদ শেখ (৪৫), পিতা-মোঃ কামাল শেখ, সাং-আড়ংঘাটা কাজিপাড়া, থানা-দৌলতপুর, জেলা-খুলনাদ্বয়কে উচ্চমাত্রার ৬ কেজি ১০০ গ্রাম বিস্ফোরক পাউডার, ১৫৭ বোতল ফেন্সিডিল, ০১টি ডিজিটাল পরিমাপক যন্ত্র, ১০টি মোবাইল ফোন এবং নগদ ২২০০০ টাকাসহ গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

 

 

 

 

ধৃত বাবুল মিয়া মুগদা থানাধীন ৭২ নং ওয়ার্ডের যুবদল নেতা। সে মুগদা থানার যুবদলের পদ প্রত্যাশী। দলের উচ্চ পর্যায় থেকে তাকে নাশকতামূলক কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণ করলে উচ্চপদ দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়।

 

 

 

 

 

এরই পরিপ্রেক্ষিতে, সে মুগদা থানার যুবদল নেতা জসীম উদ্দিন বাবু এবং মোঃ আল মামুন পান্না এর সহযোগিতায় উচ্চ বিস্ফোরণ ক্ষমতা সম্পন্ন বোমা তৈরীর বিপুল পরিমান বিস্ফোরক পাউডার সংগ্রহ করে নিজের কাছে মজুদ রাখে। সে বিভিন্ন সময় দলীয় হাই কমান্ডের নির্দেশে বিভিন্ন নেতা কর্মীর কাছে এই বিস্ফোরক দ্রব্য সরবরাহ করে আসছে।

 

 

 

 

উক্ত বিস্ফোরক দ্রব্য দিয়ে ককটেল সহ উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বোমা তৈরী করে বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে অবরোধ ও হরতালে জনমনে আতঙ্ক, জানমালের ক্ষতি সাধন ও প্রাণনাশের কারণ সৃষ্টি করে আসছে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষনার পরে বড় ধরনের নাশকতা সৃষ্টির জন্যই এই উচ্চ ক্ষমতার বিস্ফোরক সংগ্রহ করা হয়েছে বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকার করে। ইতিপূর্বে ২০১৮ সালে সংঘটিত নির্বাচন বানচাল করার উদ্দেশ্যে নাশকতা মূলক কর্মকান্ড করার সময় তাকে হাতে নাতে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

 

 

 

 

ধৃত মাসুদ শেখ ১৯৯৮ সালে খুলনা জিলা স্কুল থেকে এসএসসি পাস করে ২০০২ সালে ঢাকা আল-আমিন বিস্কুট কোম্পানীতে সেলস্ম্যান হিসাবে ৬ বছর চাকুরি করে। চাকুরীর পাশাপাশি অধিক লাভের আশায় সে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িয়ে পড়ে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাসুদ নিজেকে বিএনপির সমর্থক বলে পরিচয় দেয়। ধৃত বাবুল রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী এবং একই দলের সম্পৃক্ততার কারনে মাসুদ তার মাদক ব্যবসা বিস্তারের জন্য বিগত এক বছর ধরে তার সাথে সখ্যতা গড়ে তোলে।

 

 

 

 

 

গ্রেফতারকৃত বাবুল মিয়া মুগদা এলাকায় নাশকতামূলক কর্মকান্ড করার পর পালিয়ে গিয়ে ফকিরাপুলের কালভার্ট রোডে মাসুদের বাসায় আত্মগোপন করে। ধৃত মাসুদ, বাবুল মিয়াকে অর্থ দিয়ে সহায়তা করে এবং বিস্ফোরক দ্রব্য নিজ বাসায় অতি গোপনীয়ভাবে রাখতে সহায়তা করে। মাসুদ দীর্ঘদিন যাবৎ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে মাদক সরবরাহ করে আসছে। ইতিপূর্বে সে মাদকসহ তার নিজ এলাকা খুলনাতে গ্রেফতার হয়। তার পরিবার বিগত ১৫ বছর ধরে বাসাবো এলাকায় বসবাস করে কিন্তু মাসুদ ফকিরাপুলের কালভার্ট রোডে বাসা ভাড়া নিয়ে মাদক দ্রব্য এবং বিস্ফোরকদ্রব্য মজুদ করে। অবরোধকে কেন্দ্র করে তার বাসায় ককটেলসহ বিভিন্ন বিস্ফোরক দ্রব্য তৈরী করা হতো এবং তার বাসায় বিরোধী দলের বিভিন্ন নেতা কর্মীর যাতায়াত ছিল।

মোঃ শামীম হোসেন
সহকারী পুলিশ সুপার
স্টাফ অফিসার (মিডিয়া)
পক্ষে পরিচালক

 

 

 

 

 

 

আপলোডকারীর তথ্য

Banglar Alo News

hello
জনপ্রিয় সংবাদ

মুন্সীগঞ্জ সদর ইউএনওর চরডুমুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন

উচ্চমাত্রার বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক ও মাদকদ্রব্য সহ ০২ জন নাশকতাকারীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৩।

আপডেট সময় ০১:৩১:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ নভেম্বর ২০২৩

 

 

 

 

 

 

 

 

 

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

রাজধানীর ফকিরাপুল কালভার্ট রোড এলাকার একটি বাড়ি থেকে উচ্চমাত্রার বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক ও মাদকদ্রব্য সহ ০২ জন নাশকতাকারী’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৩।

 

 

 

 

এলিট ফোর্স হিসেবে র‌্যাব আত্মপ্রকাশের সূচনালগ্ন থেকেই আইনের শাসন সমুন্নত রেখে দেশের সকল নাগরিকের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে অপরাধ চিহ্নিতকরণ, প্রতিরোধ, শান্তি ও জনশৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করে আসছে। র‌্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে জঙ্গি, মাদক, হত্যা, ধর্ষণ, নাশকতাকারী ও প্রতারণাসহ বিভিন্ন অপরাধীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে দেশব্যাপী সুনাম অর্জন করে আসছে।

 

 

 

 

 

গত ২৮ অক্টোবর বিরোধী দলের মহা সমাবেশের পর হরতাল এবং অবরোধ কর্মসূচীকে কেন্দ্র করে নাশকতাকারীরা রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে গাড়িতে অগ্নি সংযোগ, ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে মানুষের মনে ভীতি সঞ্চারের চেষ্টা করে আসছে। আইন শৃঙ্খলার সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জনগণের জানমাল রক্ষায় র‌্যাব নাশকতাকারীদের গ্রেফতারে বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করে আসছে। সৃষ্ট নাশকতা দমনে গাড়িতে অগ্নিসংযোগকারী এবং ককটেল প্রস্তুতকারী গ্রেফতারে র‌্যাব-৩ ইতিপূর্বে উল্লেখযোগ্য অভিযান পরিচালনা করে আসছে।

 

 

 

 

এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাবের একটি চৌকস আভিযানিক দল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত রাতে রাজধানীর ফকিরাপুল কালভার্ট রোড এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে নাশকতাকারী ১। মোঃ বাবুল মিয়া (৪০), পিতা মৃত মফিজ মিয়া, সাং-কাজী পাড়া, থানা-গোয়ালন্দ বাজার, জেলা-রাজবাড়ী এবং ২। মোঃ মাসুদ শেখ (৪৫), পিতা-মোঃ কামাল শেখ, সাং-আড়ংঘাটা কাজিপাড়া, থানা-দৌলতপুর, জেলা-খুলনাদ্বয়কে উচ্চমাত্রার ৬ কেজি ১০০ গ্রাম বিস্ফোরক পাউডার, ১৫৭ বোতল ফেন্সিডিল, ০১টি ডিজিটাল পরিমাপক যন্ত্র, ১০টি মোবাইল ফোন এবং নগদ ২২০০০ টাকাসহ গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

 

 

 

 

ধৃত বাবুল মিয়া মুগদা থানাধীন ৭২ নং ওয়ার্ডের যুবদল নেতা। সে মুগদা থানার যুবদলের পদ প্রত্যাশী। দলের উচ্চ পর্যায় থেকে তাকে নাশকতামূলক কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণ করলে উচ্চপদ দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়।

 

 

 

 

 

এরই পরিপ্রেক্ষিতে, সে মুগদা থানার যুবদল নেতা জসীম উদ্দিন বাবু এবং মোঃ আল মামুন পান্না এর সহযোগিতায় উচ্চ বিস্ফোরণ ক্ষমতা সম্পন্ন বোমা তৈরীর বিপুল পরিমান বিস্ফোরক পাউডার সংগ্রহ করে নিজের কাছে মজুদ রাখে। সে বিভিন্ন সময় দলীয় হাই কমান্ডের নির্দেশে বিভিন্ন নেতা কর্মীর কাছে এই বিস্ফোরক দ্রব্য সরবরাহ করে আসছে।

 

 

 

 

উক্ত বিস্ফোরক দ্রব্য দিয়ে ককটেল সহ উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বোমা তৈরী করে বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে অবরোধ ও হরতালে জনমনে আতঙ্ক, জানমালের ক্ষতি সাধন ও প্রাণনাশের কারণ সৃষ্টি করে আসছে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষনার পরে বড় ধরনের নাশকতা সৃষ্টির জন্যই এই উচ্চ ক্ষমতার বিস্ফোরক সংগ্রহ করা হয়েছে বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকার করে। ইতিপূর্বে ২০১৮ সালে সংঘটিত নির্বাচন বানচাল করার উদ্দেশ্যে নাশকতা মূলক কর্মকান্ড করার সময় তাকে হাতে নাতে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

 

 

 

 

ধৃত মাসুদ শেখ ১৯৯৮ সালে খুলনা জিলা স্কুল থেকে এসএসসি পাস করে ২০০২ সালে ঢাকা আল-আমিন বিস্কুট কোম্পানীতে সেলস্ম্যান হিসাবে ৬ বছর চাকুরি করে। চাকুরীর পাশাপাশি অধিক লাভের আশায় সে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িয়ে পড়ে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাসুদ নিজেকে বিএনপির সমর্থক বলে পরিচয় দেয়। ধৃত বাবুল রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী এবং একই দলের সম্পৃক্ততার কারনে মাসুদ তার মাদক ব্যবসা বিস্তারের জন্য বিগত এক বছর ধরে তার সাথে সখ্যতা গড়ে তোলে।

 

 

 

 

 

গ্রেফতারকৃত বাবুল মিয়া মুগদা এলাকায় নাশকতামূলক কর্মকান্ড করার পর পালিয়ে গিয়ে ফকিরাপুলের কালভার্ট রোডে মাসুদের বাসায় আত্মগোপন করে। ধৃত মাসুদ, বাবুল মিয়াকে অর্থ দিয়ে সহায়তা করে এবং বিস্ফোরক দ্রব্য নিজ বাসায় অতি গোপনীয়ভাবে রাখতে সহায়তা করে। মাসুদ দীর্ঘদিন যাবৎ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে মাদক সরবরাহ করে আসছে। ইতিপূর্বে সে মাদকসহ তার নিজ এলাকা খুলনাতে গ্রেফতার হয়। তার পরিবার বিগত ১৫ বছর ধরে বাসাবো এলাকায় বসবাস করে কিন্তু মাসুদ ফকিরাপুলের কালভার্ট রোডে বাসা ভাড়া নিয়ে মাদক দ্রব্য এবং বিস্ফোরকদ্রব্য মজুদ করে। অবরোধকে কেন্দ্র করে তার বাসায় ককটেলসহ বিভিন্ন বিস্ফোরক দ্রব্য তৈরী করা হতো এবং তার বাসায় বিরোধী দলের বিভিন্ন নেতা কর্মীর যাতায়াত ছিল।

মোঃ শামীম হোসেন
সহকারী পুলিশ সুপার
স্টাফ অফিসার (মিডিয়া)
পক্ষে পরিচালক