বাংলাদেশ ০১:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুলাই ২০২৪, ৫ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :

সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,, সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,,০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০, ০১৭১২-৪৪৬৩০৬,০১৭১১-০০৬২১৪ সম্পাদক

     
ব্রেকিং নিউজ ::
মুন্সীগঞ্জ সদর ইউএনওর চরডুমুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন সন্ধ্যার মধ্যে উপাচার্য, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাসভবন ছাড়ার আল্টিমেটাম কুবি শিক্ষার্থীদের রাবিতে জড়ো হওয়া আন্দোলনকারীদের পুলিশ-বিজিবির ধাওয়া মেহেন্দিগঞ্জে অজ্ঞাতনামা নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার। মুন্সীগঞ্জে গায়েবানা জানাযা থেকে ঈমাম ও বিএনপি নেতাকে ধরে নিয়ে গেলো পুলিশ কোটা আন্দোলনের পক্ষে সংহতি জানিয়ে ফেনী ইউনিভার্সিটির বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের বিবৃতি চলমান পরিস্থিতিতে রাবি ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি আপাতত স্থগিত: উপাচার্য বিদেশের পাঠানো টাকা চাইতে গিয়ে বিপাকে প্রবাসী স্বামী রাজশাহীতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র আশুরা পালিত চট্রগ্রামের কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত ওয়াসিমের জানাজায় মানুষের ঢল পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া পৌরসভার রাস্তায় সমবায় সমিতি ভবনের ট্যাংকির ময়লা: জনদুর্ভোগ মুন্সীগঞ্জে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের উপর হামলা, আহত ৫ হরিপুরে, প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড এর পক্ষ থেকে কর্মী মিটিং ও গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত। গৌরীপুরে উদীচী কার্য়ালয়ে হামলা ও ভাংচুর স্ত্রীর যৌতুক মামলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক কারাগারে

ছদ্দবেশী বিএনপি, জামায়াত এর সমর্থিত চেয়ারম্যান। পরোয়া করেনা রাষ্ট্রীয় আইন

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:১৭:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৩
  • ১৬৮৩ বার পড়া হয়েছে

ছদ্দবেশী বিএনপি, জামায়াত এর সমর্থীত চেয়ারম্যান। পরোয়া করেনা রাষ্ট্রীয় আইন

 

 

 

 

 

 

 

 

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

ইউনিয়নের গার্ডিয়ান হিসাবে দায়িত্ব ভার নেওয়ার সাথে সাথে কোন ধরনের সরকারি নিয়ম নীতি উপেক্ষা না করে চীন সফরে যান। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী নির্বাচিত চেয়ারম্যান বা জনপ্রতিনিধি বিদেশে যাওয়ার আগে প্রশাসনিক অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক যেমন বিভাগীয় কমিশনারের কাছে অনুমতি এরপর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর অনুমতি কপি পেশ করার বাধ্য বাধকতা রয়েছে। পাশাপাশি পরিষদের সকল সদস্যদেরও অনুমতি নেওয়ার কথা উল্লেখ আছে।

 

 

 

 

 

 

এই অনুমতি পত্রে স্বাক্ষরিত কপি হাতে পেলে তাহলেই তিনি পরিষদ থেকে ছুটি নিতে পারে। অথচ মনগড়া ও রাষ্ট্রের আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে একক সিদ্ধান্ত নেওয়ার দুঃসাহস দেখিয়ে একটা বিতর্কের জন্ম দেয়।

 

 

 

 

তিনি বলেন, আমি নতুন চেয়ারম্যান হয়েছি তাই নিয়মকানুন বা আইন সম্মন্ধে আমার জানা নাই। অথচ তার সাথে, ডানে বামে এবং তার পিএস হিসাবে রয়েছে দুই জন প্রাত্তন চেয়ারম্যান একজনে চেয়ারে ছিল পনের বছর, অন্য জনে ছিল নয় বছর। তাহলে এটা প্রমানিত হয়না যে তার পিএস দুজন এত দিন ইউনিয়নকে এভাবে নিয়মতান্তীক হীন ভাবে পরিচালিত করছে।

 

 

 

 

তিনি পূর্বে চাকরিরত গার্মেন্টসের মালিকের চোখে আঙ্গুল দিয়ে সুনামধন্য গার্মেন্টসটাকে আজ দেউলিয়ার পথে ঠেলে দিয়ে নিজে আজ ইউনিয়ন লিডার হয়েছেন। তিনি পরিষদকে সেই নিজের গার্মেন্টস পরিচালিত আইনের মত মনে করে পরিচালনা করতে চায়। তবে তিনি হয়ত জানেন না এই পরিষদ চলে সরকারী আইন কানুন নিয়ে।

 

 

 

তিনি তড়িঘড়ি করে বিদেশ যাওয়ার সময় আপন বড় ভাই গুয়ারেখা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের মেম্বার মোঃ লাভলু গাজীকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়। যদিও সরকারের আইন কানুনের তোয়াক্কা না করে চলতি সময়ে গুয়ারেখা ইউনিয়নের মধ্যে এক একটা বির্তক সৃষ্টি করছে।

 

 

 

 

 

 

তিনি নির্বাচনের আগে ওমরা হজ্ব করে হাজী হয়ে মানুষের কাছে ভোট চেয়ে ভোট নেয়। কিন্তু তিনি নির্বাচিত হবার পরেই দেশ বিদেশে ঘোরে এবং তার সেই হাজী নামকে তথা সকল মুসলিমকে এমন কি ধর্মীও রীতিনীতি কেও ভুলে যান বিদেশী রংঙ্গীন পানীর সুগন্ধে। তিনি তার সুন্নতী পোশাক ছেড়ে দিয়ে হাফ প্যান্ট পড়া শুরু করেন। এটা সকল মুসলিম জাতির জন্য লজ্জাজনক। তিনি সকল মুসলিমকে অপমানিত করছে বলে ইউনিয়নের লোকজন ছাড়াও বিভিন্ন মহল নিন্দার সাথে জানিয়েছে।

 

 

 

 

উক্ত ইউনিয়নের বেশির ভাগ লোকজন গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, গুয়ারেখা ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ তার উপরে দারুণ ক্ষুব্ধ। তাই চেয়ারম্যান গাজী মোঃ মিজানুর রহমান মিজানের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেশ করেন। গাজী মিজান ক্ষমতার অপব্যবহার করারও দুঃসাহস দেখাচ্ছেন। জামায়াত বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকার পাশা পাশি একটা অরাজকতা করার গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ দেওয়া হয়। অবশ্য স্থানীয় সরকার সকল অভিযোগ আমলে নেওয়ার পর শোকজ নোটিস করেন। গত সোমবার সরাসরি নোটিশের জবাব চাওয়া হয়েছে বলে বিশ্বস্ত সূত্র জানায়।

 

 

 

 

 

 

এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হয় জামাত বিএনপির সাথে সম্পৃক্ত চেয়ারম্যান গাজী মোঃ মিজানুর রহমান মিজানের কাছে। ক্ষমতার অপব্যবহার হয়েছে কিনা।

 

 

 

 

গণমাধ্যম কর্মীদের জ্ঞাতার্থে বলেন, আমি নুতন অবস্থায় অনেক কিছু জানতাম না। মিডিয়ার আর এক প্রশ্ন, “আপনি এক মুহূর্তের জন্য পরিষদের মসনদে বসেন না”। এ প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে যায় সুকৌশলে। তৃতীয় প্রশ্ন, ” জনগণের ভোটের জন্য ওয়াদা করে ছিলেন উন্নয়ন করবেন চেয়ারম্যান হলে কিন্তু উন্নয়ন করার কোন মিশন নেই কেন”। এপ্রশ্ন শোনার সাথে সাথে ফোন কেটে দেয়।

 

 

 

 

 

 

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী গুয়ারেখা ইউনিয়নের সাধারণ ভোটাররা গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, উপ নির্বাচনে জয়ী হওয়ার জন্য মিজান গাজী মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে ভোট নিয়ে প্রতারণা করেন। এলাকায় থাকবেন, উন্নয়ন করবেন। ভোটারদের কেহ কেহ বলে তার ভাই কে মেম্বার বানানোর জন্য লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করেও দ্বিতীয় বারে আরো বেশীগুন টাকা খরচ করে ভাইয়ের মনবাসনা পূর্ন করেন। ঠিক এই চেয়ারম্যান এর চেয়ার ও নাকি তার ভাইয়ের জন্য বরাদ্দ। তাই নাকি তিনি পরিষদে বসেন না।কিন্তু সাধারণ মানুষ যে আশায় ভোট দিয়েছিল তাহার কোন সার্থকতা খুজে পেল না।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আপলোডকারীর তথ্য

Banglar Alo News

hello
জনপ্রিয় সংবাদ

মুন্সীগঞ্জ সদর ইউএনওর চরডুমুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন

ছদ্দবেশী বিএনপি, জামায়াত এর সমর্থিত চেয়ারম্যান। পরোয়া করেনা রাষ্ট্রীয় আইন

আপডেট সময় ০৮:১৭:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৩

 

 

 

 

 

 

 

 

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

ইউনিয়নের গার্ডিয়ান হিসাবে দায়িত্ব ভার নেওয়ার সাথে সাথে কোন ধরনের সরকারি নিয়ম নীতি উপেক্ষা না করে চীন সফরে যান। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী নির্বাচিত চেয়ারম্যান বা জনপ্রতিনিধি বিদেশে যাওয়ার আগে প্রশাসনিক অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক যেমন বিভাগীয় কমিশনারের কাছে অনুমতি এরপর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর অনুমতি কপি পেশ করার বাধ্য বাধকতা রয়েছে। পাশাপাশি পরিষদের সকল সদস্যদেরও অনুমতি নেওয়ার কথা উল্লেখ আছে।

 

 

 

 

 

 

এই অনুমতি পত্রে স্বাক্ষরিত কপি হাতে পেলে তাহলেই তিনি পরিষদ থেকে ছুটি নিতে পারে। অথচ মনগড়া ও রাষ্ট্রের আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে একক সিদ্ধান্ত নেওয়ার দুঃসাহস দেখিয়ে একটা বিতর্কের জন্ম দেয়।

 

 

 

 

তিনি বলেন, আমি নতুন চেয়ারম্যান হয়েছি তাই নিয়মকানুন বা আইন সম্মন্ধে আমার জানা নাই। অথচ তার সাথে, ডানে বামে এবং তার পিএস হিসাবে রয়েছে দুই জন প্রাত্তন চেয়ারম্যান একজনে চেয়ারে ছিল পনের বছর, অন্য জনে ছিল নয় বছর। তাহলে এটা প্রমানিত হয়না যে তার পিএস দুজন এত দিন ইউনিয়নকে এভাবে নিয়মতান্তীক হীন ভাবে পরিচালিত করছে।

 

 

 

 

তিনি পূর্বে চাকরিরত গার্মেন্টসের মালিকের চোখে আঙ্গুল দিয়ে সুনামধন্য গার্মেন্টসটাকে আজ দেউলিয়ার পথে ঠেলে দিয়ে নিজে আজ ইউনিয়ন লিডার হয়েছেন। তিনি পরিষদকে সেই নিজের গার্মেন্টস পরিচালিত আইনের মত মনে করে পরিচালনা করতে চায়। তবে তিনি হয়ত জানেন না এই পরিষদ চলে সরকারী আইন কানুন নিয়ে।

 

 

 

তিনি তড়িঘড়ি করে বিদেশ যাওয়ার সময় আপন বড় ভাই গুয়ারেখা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের মেম্বার মোঃ লাভলু গাজীকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়। যদিও সরকারের আইন কানুনের তোয়াক্কা না করে চলতি সময়ে গুয়ারেখা ইউনিয়নের মধ্যে এক একটা বির্তক সৃষ্টি করছে।

 

 

 

 

 

 

তিনি নির্বাচনের আগে ওমরা হজ্ব করে হাজী হয়ে মানুষের কাছে ভোট চেয়ে ভোট নেয়। কিন্তু তিনি নির্বাচিত হবার পরেই দেশ বিদেশে ঘোরে এবং তার সেই হাজী নামকে তথা সকল মুসলিমকে এমন কি ধর্মীও রীতিনীতি কেও ভুলে যান বিদেশী রংঙ্গীন পানীর সুগন্ধে। তিনি তার সুন্নতী পোশাক ছেড়ে দিয়ে হাফ প্যান্ট পড়া শুরু করেন। এটা সকল মুসলিম জাতির জন্য লজ্জাজনক। তিনি সকল মুসলিমকে অপমানিত করছে বলে ইউনিয়নের লোকজন ছাড়াও বিভিন্ন মহল নিন্দার সাথে জানিয়েছে।

 

 

 

 

উক্ত ইউনিয়নের বেশির ভাগ লোকজন গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, গুয়ারেখা ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ তার উপরে দারুণ ক্ষুব্ধ। তাই চেয়ারম্যান গাজী মোঃ মিজানুর রহমান মিজানের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেশ করেন। গাজী মিজান ক্ষমতার অপব্যবহার করারও দুঃসাহস দেখাচ্ছেন। জামায়াত বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকার পাশা পাশি একটা অরাজকতা করার গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ দেওয়া হয়। অবশ্য স্থানীয় সরকার সকল অভিযোগ আমলে নেওয়ার পর শোকজ নোটিস করেন। গত সোমবার সরাসরি নোটিশের জবাব চাওয়া হয়েছে বলে বিশ্বস্ত সূত্র জানায়।

 

 

 

 

 

 

এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হয় জামাত বিএনপির সাথে সম্পৃক্ত চেয়ারম্যান গাজী মোঃ মিজানুর রহমান মিজানের কাছে। ক্ষমতার অপব্যবহার হয়েছে কিনা।

 

 

 

 

গণমাধ্যম কর্মীদের জ্ঞাতার্থে বলেন, আমি নুতন অবস্থায় অনেক কিছু জানতাম না। মিডিয়ার আর এক প্রশ্ন, “আপনি এক মুহূর্তের জন্য পরিষদের মসনদে বসেন না”। এ প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে যায় সুকৌশলে। তৃতীয় প্রশ্ন, ” জনগণের ভোটের জন্য ওয়াদা করে ছিলেন উন্নয়ন করবেন চেয়ারম্যান হলে কিন্তু উন্নয়ন করার কোন মিশন নেই কেন”। এপ্রশ্ন শোনার সাথে সাথে ফোন কেটে দেয়।

 

 

 

 

 

 

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী গুয়ারেখা ইউনিয়নের সাধারণ ভোটাররা গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, উপ নির্বাচনে জয়ী হওয়ার জন্য মিজান গাজী মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে ভোট নিয়ে প্রতারণা করেন। এলাকায় থাকবেন, উন্নয়ন করবেন। ভোটারদের কেহ কেহ বলে তার ভাই কে মেম্বার বানানোর জন্য লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করেও দ্বিতীয় বারে আরো বেশীগুন টাকা খরচ করে ভাইয়ের মনবাসনা পূর্ন করেন। ঠিক এই চেয়ারম্যান এর চেয়ার ও নাকি তার ভাইয়ের জন্য বরাদ্দ। তাই নাকি তিনি পরিষদে বসেন না।কিন্তু সাধারণ মানুষ যে আশায় ভোট দিয়েছিল তাহার কোন সার্থকতা খুজে পেল না।