বাংলাদেশ ০৬:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪, ৪ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :

সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,, সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,,০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০, ০১৭১২-৪৪৬৩০৬,০১৭১১-০০৬২১৪ সম্পাদক

     
ব্রেকিং নিউজ ::
মুন্সীগঞ্জ সদর ইউএনওর চরডুমুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন সন্ধ্যার মধ্যে উপাচার্য, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাসভবন ছাড়ার আল্টিমেটাম কুবি শিক্ষার্থীদের রাবিতে জড়ো হওয়া আন্দোলনকারীদের পুলিশ-বিজিবির ধাওয়া মেহেন্দিগঞ্জে অজ্ঞাতনামা নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার। মুন্সীগঞ্জে গায়েবানা জানাযা থেকে ঈমাম ও বিএনপি নেতাকে ধরে নিয়ে গেলো পুলিশ কোটা আন্দোলনের পক্ষে সংহতি জানিয়ে ফেনী ইউনিভার্সিটির বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের বিবৃতি চলমান পরিস্থিতিতে রাবি ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি আপাতত স্থগিত: উপাচার্য বিদেশের পাঠানো টাকা চাইতে গিয়ে বিপাকে প্রবাসী স্বামী রাজশাহীতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র আশুরা পালিত চট্রগ্রামের কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত ওয়াসিমের জানাজায় মানুষের ঢল পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া পৌরসভার রাস্তায় সমবায় সমিতি ভবনের ট্যাংকির ময়লা: জনদুর্ভোগ মুন্সীগঞ্জে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের উপর হামলা, আহত ৫ হরিপুরে, প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড এর পক্ষ থেকে কর্মী মিটিং ও গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত। গৌরীপুরে উদীচী কার্য়ালয়ে হামলা ও ভাংচুর স্ত্রীর যৌতুক মামলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক কারাগারে

চিরকুট লিখে এক সন্তানের জননীর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:২৮:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৩
  • ১৬৪৯ বার পড়া হয়েছে
কুমিল্লা প্রতিনিধি।। 
নাঙ্গলকোট উপজেলায় তানিয়া আক্তার তানজিনা (২০) নামের এক সন্তানের জননি চিরকুট লিখে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তিনি দক্ষিণ শাকতলী গ্রামের আব্দুল কাদেরের মেয়ে ও পৌর সদরের নাওগোদা গ্রামের সোহাগের স্ত্রী।
বুধবার (১৫ নভেম্বর) বাবার বাড়ি উপজেলার আদ্রা দক্ষিণ ইউনিয়নের দক্ষিণ শাকতলী গ্রামের এ ঘটনা ঘটে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, দুই বছর আগে পৌর সদরের নাওগোদা গ্রামের সোহাগের সাথে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় তানিয়ার। বিয়ের পর থেকে স্বামী সোহাগ আর এক বছরের মেয়ে শিশুকে নিয়ে তারা চট্রগ্রামে থাকতেন। গত শুক্রবার চট্রগ্রাম থেকে শ্বশুরবাড়ি নাওগোদা আসেন স্বামী ও মেয়ে শিশুকে নিয়ে। গত সোমবার স্বামীকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বেড়াতে যান তানিয়া। বুধবার সকালে স্বামী সোহাগ ট্রেনযোগে চট্রগ্রাম চলে যান। পরে সকাল ১১টার দিকে তানিয়া একটি চিরকুট লিখে আত্মহত্যা করেন।
চিরকুটে লেখা ছিল, আমি মরে গেলে আমার মরার পেছনে কেউ দায়ী নহে। আমি নিজ ইচ্ছায় জীবন দিয়েছি। আমাকে মাটি দেবে চট্রগ্রামে। আমাকে বাড়িতে মাটি দিবে না। আমি মরার পরে কেউ কান্না করবে না। আমাকে মাটি দিবে চারজন। তারা হলো শহরের মানুষ। আমাকে মাটি দিবে হৃদয়, আকরাম, রাজু ভাই ও রকি ভাই। আর কেউ মাটি দিবে না। আমি বলে গেলাম। আর আমাকে পালকি করে নিয়ে যাবে। আমার কবরে প্রথম মাটি দিবে আমার বাবা। তার টাকা দিয়ে আমার কাফনের কাপড় কিনবে। আমি মরে গেলাম। আমাকে কেউ ফিরে পাবে না। ইতি তানজিনা’
নিহতের মা আছমা বেগম বলেন, সপ্তাহ খানেক আগে মেয়ে ও তার স্বামী সোহাগ চট্রগ্রাম থেকে বাড়িতে আসে। এর মধ্যে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কোনো ঝগড়া-ঝামেলা ছিল না। বুধবার সকালে ভালোভাবে তার স্বামী সোহাগ চট্রগ্রামে চলে যায়। ১১টার দিকে সে চিরকুট লিখে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।
নাঙ্গলকোট থানা পরিদর্শক (তদন্ত) সাইফুল ইসলাম শিকদার বলেন, খবর পেয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে লাশ পাঠানো হবে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।
আপলোডকারীর তথ্য

Banglar Alo News

hello
জনপ্রিয় সংবাদ

মুন্সীগঞ্জ সদর ইউএনওর চরডুমুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন

চিরকুট লিখে এক সন্তানের জননীর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা

আপডেট সময় ০২:২৮:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৩
কুমিল্লা প্রতিনিধি।। 
নাঙ্গলকোট উপজেলায় তানিয়া আক্তার তানজিনা (২০) নামের এক সন্তানের জননি চিরকুট লিখে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তিনি দক্ষিণ শাকতলী গ্রামের আব্দুল কাদেরের মেয়ে ও পৌর সদরের নাওগোদা গ্রামের সোহাগের স্ত্রী।
বুধবার (১৫ নভেম্বর) বাবার বাড়ি উপজেলার আদ্রা দক্ষিণ ইউনিয়নের দক্ষিণ শাকতলী গ্রামের এ ঘটনা ঘটে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, দুই বছর আগে পৌর সদরের নাওগোদা গ্রামের সোহাগের সাথে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় তানিয়ার। বিয়ের পর থেকে স্বামী সোহাগ আর এক বছরের মেয়ে শিশুকে নিয়ে তারা চট্রগ্রামে থাকতেন। গত শুক্রবার চট্রগ্রাম থেকে শ্বশুরবাড়ি নাওগোদা আসেন স্বামী ও মেয়ে শিশুকে নিয়ে। গত সোমবার স্বামীকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বেড়াতে যান তানিয়া। বুধবার সকালে স্বামী সোহাগ ট্রেনযোগে চট্রগ্রাম চলে যান। পরে সকাল ১১টার দিকে তানিয়া একটি চিরকুট লিখে আত্মহত্যা করেন।
চিরকুটে লেখা ছিল, আমি মরে গেলে আমার মরার পেছনে কেউ দায়ী নহে। আমি নিজ ইচ্ছায় জীবন দিয়েছি। আমাকে মাটি দেবে চট্রগ্রামে। আমাকে বাড়িতে মাটি দিবে না। আমি মরার পরে কেউ কান্না করবে না। আমাকে মাটি দিবে চারজন। তারা হলো শহরের মানুষ। আমাকে মাটি দিবে হৃদয়, আকরাম, রাজু ভাই ও রকি ভাই। আর কেউ মাটি দিবে না। আমি বলে গেলাম। আর আমাকে পালকি করে নিয়ে যাবে। আমার কবরে প্রথম মাটি দিবে আমার বাবা। তার টাকা দিয়ে আমার কাফনের কাপড় কিনবে। আমি মরে গেলাম। আমাকে কেউ ফিরে পাবে না। ইতি তানজিনা’
নিহতের মা আছমা বেগম বলেন, সপ্তাহ খানেক আগে মেয়ে ও তার স্বামী সোহাগ চট্রগ্রাম থেকে বাড়িতে আসে। এর মধ্যে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কোনো ঝগড়া-ঝামেলা ছিল না। বুধবার সকালে ভালোভাবে তার স্বামী সোহাগ চট্রগ্রামে চলে যায়। ১১টার দিকে সে চিরকুট লিখে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।
নাঙ্গলকোট থানা পরিদর্শক (তদন্ত) সাইফুল ইসলাম শিকদার বলেন, খবর পেয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে লাশ পাঠানো হবে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।