বাংলাদেশ ০৭:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :

সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,, সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,,০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০, ০১৭১২-৪৪৬৩০৬,০১৭১১-০০৬২১৪ সম্পাদক

     
ব্রেকিং নিউজ ::
মুন্সীগঞ্জ সদর ইউএনওর চরডুমুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন সন্ধ্যার মধ্যে উপাচার্য, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাসভবন ছাড়ার আল্টিমেটাম কুবি শিক্ষার্থীদের রাবিতে জড়ো হওয়া আন্দোলনকারীদের পুলিশ-বিজিবির ধাওয়া মেহেন্দিগঞ্জে অজ্ঞাতনামা নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার। মুন্সীগঞ্জে গায়েবানা জানাযা থেকে ঈমাম ও বিএনপি নেতাকে ধরে নিয়ে গেলো পুলিশ কোটা আন্দোলনের পক্ষে সংহতি জানিয়ে ফেনী ইউনিভার্সিটির বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের বিবৃতি চলমান পরিস্থিতিতে রাবি ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি আপাতত স্থগিত: উপাচার্য বিদেশের পাঠানো টাকা চাইতে গিয়ে বিপাকে প্রবাসী স্বামী রাজশাহীতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র আশুরা পালিত চট্রগ্রামের কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত ওয়াসিমের জানাজায় মানুষের ঢল পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া পৌরসভার রাস্তায় সমবায় সমিতি ভবনের ট্যাংকির ময়লা: জনদুর্ভোগ মুন্সীগঞ্জে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের উপর হামলা, আহত ৫ হরিপুরে, প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড এর পক্ষ থেকে কর্মী মিটিং ও গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত। গৌরীপুরে উদীচী কার্য়ালয়ে হামলা ও ভাংচুর স্ত্রীর যৌতুক মামলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক কারাগারে

সকালে বিকেলে রুটি ও ছোলা মুড়ি বেচেন রাতে চালান অটো

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৭:০১:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২২
  • ১৬৭২ বার পড়া হয়েছে

সকালে বিকেলে রুটি ও ছোলা মুড়ি বেচেন রাতে চালান অটো

সাইফুর নিশাদ নরসিংদী প্রতিনিধি 
বাজারে সকালে আটার রুটি বানিয়ে বেচেন, বিকেলে বেচেন ছোলা মুড়ি। আর রাতে রাস্তায় রাস্তায় অটোতে যাত্রী টানেন। এই হচ্ছে একজন কর্মজীবি পরিশ্রমী মোখলেসের প্রোফাইল।
মনোহরদী উপজেলার নারান্দী গ্রামের একটি দরিদ্র পরিবারের সন্তান মোখলেস (৪৪)। আগে রিক্সায় যাত্রী টানতেন। খেয়ে না খেয়ে দিন কাটতো তার। এখন মোটামুটি স্বচ্ছল দিন কাটছে তার। বিনিময়ে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে দিবারাত্রি খাটতে হয় তাকে। তিনি জানান, কাক ডাকা ভোরে মনোহরদীর হাররদীয়া বাজারে বসে আটার রুটি বানিয়ে বেচেন। চলে ৯/১০ টা পর্যন্ত। বিকেল সাড়ে তিনটে নাগাদ মনোহরদী বাজারে বসেন ছোলামুড়ির পসরা নিয়ে।
চলে রাত ৯টা পর্যন্ত।তারপর বাড়ী গিয়ে খেয়ে দেয়ে বেরিয়ে পড়েন আবার অটো রিক্সা নিয়ে। অটোতে হাট ফেরত দোকানীদের বাড়ী পৌঁছে দেন রাতের যাত্রী হিসেবে। যাত্রীদের প্রায় সবাই হাট ফেরত দোকানী। চলে মধ্যরাত অবধি। এভাবে মুখে রক্ত তুলে খেটে চলেছেন তিনি বহু মাস ও বছর ধরে। দৈনিক আয় তার ১ হাজার টাকার মতো বলে জানালেন মোখলেস।আয় হিসেবে মাসিক হিসেবে বেশ ভালো একটি অংক। তার স্থলে মোটা অংকও বলা যেতে পারে। তবে গলার কাঁটার মতো ঋন আছে তার। ২ছেলেকে বিদেশে পাঠিয়েছিলেন ঋন করে। সংসারে ৩ ছেলে তার।এক ছেলে করোনাকালীন দুর্যোগে ইরাক ফেরত।
এ বাবদ ১১ লাখ টাকা গেছে তাকে পাঠাতে ও ফেরত আনতে। আরেক ছেলে সৌদীতে চাকুরীর বাইরে অতিরিক্ত কাজ করতে গিয়ে ঝামেলার মুখোমুখি। লাখ টাকা গুনে দিয়ে তবেই সে সমস্যার সমাধান হলো তার। এ সব নিয়ে ঋনের বোঝা মাথায় তার। ফলে ৩ এনজিওর ঋনের বোঝা মাথায় তার। এ বাবদ সাড়ে ৭ হাজার টাকার মতো কিস্তি দিতে হয় সপ্তাহান্তে। তিনি জানান,ঋনের কিস্তি শেষ হলে আর ভাবতে হবে না মোখলেসকে। তার দিবানিশির শ্রম ঘাম বৃথা যাবে না তখন আর। রীতিমতো আরাম আয়েসের স্বচ্ছল ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ন জীবন ফিরবে তার সংসারে। এখন দিনরাতের খাটাখাটুনি বিফলে যাচ্ছে কেবল ঋনের বিরুদ্ধে লড়াই করে করে। ঋন পরবর্তী সেই সুদিনের আশায় এখন দিন গুনে চলেছেন এখন মোখলেস।
জনপ্রিয় সংবাদ

মুন্সীগঞ্জ সদর ইউএনওর চরডুমুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন

সকালে বিকেলে রুটি ও ছোলা মুড়ি বেচেন রাতে চালান অটো

আপডেট সময় ০৭:০১:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২২
সাইফুর নিশাদ নরসিংদী প্রতিনিধি 
বাজারে সকালে আটার রুটি বানিয়ে বেচেন, বিকেলে বেচেন ছোলা মুড়ি। আর রাতে রাস্তায় রাস্তায় অটোতে যাত্রী টানেন। এই হচ্ছে একজন কর্মজীবি পরিশ্রমী মোখলেসের প্রোফাইল।
মনোহরদী উপজেলার নারান্দী গ্রামের একটি দরিদ্র পরিবারের সন্তান মোখলেস (৪৪)। আগে রিক্সায় যাত্রী টানতেন। খেয়ে না খেয়ে দিন কাটতো তার। এখন মোটামুটি স্বচ্ছল দিন কাটছে তার। বিনিময়ে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে দিবারাত্রি খাটতে হয় তাকে। তিনি জানান, কাক ডাকা ভোরে মনোহরদীর হাররদীয়া বাজারে বসে আটার রুটি বানিয়ে বেচেন। চলে ৯/১০ টা পর্যন্ত। বিকেল সাড়ে তিনটে নাগাদ মনোহরদী বাজারে বসেন ছোলামুড়ির পসরা নিয়ে।
চলে রাত ৯টা পর্যন্ত।তারপর বাড়ী গিয়ে খেয়ে দেয়ে বেরিয়ে পড়েন আবার অটো রিক্সা নিয়ে। অটোতে হাট ফেরত দোকানীদের বাড়ী পৌঁছে দেন রাতের যাত্রী হিসেবে। যাত্রীদের প্রায় সবাই হাট ফেরত দোকানী। চলে মধ্যরাত অবধি। এভাবে মুখে রক্ত তুলে খেটে চলেছেন তিনি বহু মাস ও বছর ধরে। দৈনিক আয় তার ১ হাজার টাকার মতো বলে জানালেন মোখলেস।আয় হিসেবে মাসিক হিসেবে বেশ ভালো একটি অংক। তার স্থলে মোটা অংকও বলা যেতে পারে। তবে গলার কাঁটার মতো ঋন আছে তার। ২ছেলেকে বিদেশে পাঠিয়েছিলেন ঋন করে। সংসারে ৩ ছেলে তার।এক ছেলে করোনাকালীন দুর্যোগে ইরাক ফেরত।
এ বাবদ ১১ লাখ টাকা গেছে তাকে পাঠাতে ও ফেরত আনতে। আরেক ছেলে সৌদীতে চাকুরীর বাইরে অতিরিক্ত কাজ করতে গিয়ে ঝামেলার মুখোমুখি। লাখ টাকা গুনে দিয়ে তবেই সে সমস্যার সমাধান হলো তার। এ সব নিয়ে ঋনের বোঝা মাথায় তার। ফলে ৩ এনজিওর ঋনের বোঝা মাথায় তার। এ বাবদ সাড়ে ৭ হাজার টাকার মতো কিস্তি দিতে হয় সপ্তাহান্তে। তিনি জানান,ঋনের কিস্তি শেষ হলে আর ভাবতে হবে না মোখলেসকে। তার দিবানিশির শ্রম ঘাম বৃথা যাবে না তখন আর। রীতিমতো আরাম আয়েসের স্বচ্ছল ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ন জীবন ফিরবে তার সংসারে। এখন দিনরাতের খাটাখাটুনি বিফলে যাচ্ছে কেবল ঋনের বিরুদ্ধে লড়াই করে করে। ঋন পরবর্তী সেই সুদিনের আশায় এখন দিন গুনে চলেছেন এখন মোখলেস।