বাংলাদেশ ০৪:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুলাই ২০২৪, ৭ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :

সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,, সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,,০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০, ০১৭১২-৪৪৬৩০৬,০১৭১১-০০৬২১৪ সম্পাদক

     
ব্রেকিং নিউজ ::
মুন্সীগঞ্জ সদর ইউএনওর চরডুমুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন সন্ধ্যার মধ্যে উপাচার্য, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাসভবন ছাড়ার আল্টিমেটাম কুবি শিক্ষার্থীদের রাবিতে জড়ো হওয়া আন্দোলনকারীদের পুলিশ-বিজিবির ধাওয়া মেহেন্দিগঞ্জে অজ্ঞাতনামা নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার। মুন্সীগঞ্জে গায়েবানা জানাযা থেকে ঈমাম ও বিএনপি নেতাকে ধরে নিয়ে গেলো পুলিশ কোটা আন্দোলনের পক্ষে সংহতি জানিয়ে ফেনী ইউনিভার্সিটির বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের বিবৃতি চলমান পরিস্থিতিতে রাবি ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি আপাতত স্থগিত: উপাচার্য বিদেশের পাঠানো টাকা চাইতে গিয়ে বিপাকে প্রবাসী স্বামী রাজশাহীতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র আশুরা পালিত চট্রগ্রামের কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত ওয়াসিমের জানাজায় মানুষের ঢল পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া পৌরসভার রাস্তায় সমবায় সমিতি ভবনের ট্যাংকির ময়লা: জনদুর্ভোগ মুন্সীগঞ্জে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের উপর হামলা, আহত ৫ হরিপুরে, প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড এর পক্ষ থেকে কর্মী মিটিং ও গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত। গৌরীপুরে উদীচী কার্য়ালয়ে হামলা ও ভাংচুর স্ত্রীর যৌতুক মামলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক কারাগারে

পেকুয়ায় পাহাড়ে স্থাপনা নির্মাণ থামছেই না,কর্তৃপক্ষ আছেন ঘুমে অচেতন

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:২৯:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২২
  • ১৭৫১ বার পড়া হয়েছে

পেকুয়ায় পাহাড়ে স্থাপনা নির্মাণ থামছেই না,কর্তৃপক্ষ আছেন ঘুমে অচেতন

পেকুয়া প্রতিনিধি:-

কক্সবাজারের পেকুয়ার সংরক্ষিত পাহাড়ে স্থাপনা নির্মাণ থামছেই না, সংশ্লিষ্টরা আছেন ঘুমের ঘোঁরে অচেতন। এ সুযোগে পাহাড় দখলের প্রতিযোগিতায় নেমেছে পাহাড় খেকোরা। ফলে উজাড় হচ্ছে গাছ-গাছালী পাচার হচ্ছে পাহাড়ের মাঠি। এতে ভারসাম্য হারাচ্ছে প্রাকৃতিক পরিবেশ, অসহনীয় হয়ে উঠছে মানুষের জীবনযাত্রা মান। অন্যদিকে বর্ষায় ভারী বর্ষণে পাহাড় ধ্বসে হচ্ছে প্রতিনিয়ত প্রাণহানীর মত মর্মান্তিক দূর্ঘনা। পঙ্গুত্ববরণ করতে হচ্ছে ঐ এলাকায় বসবাসকারী সাধারণ মানুষকে। পাহাড় কাঠার ও স্থায়ী স্থাপনা (বিল্ডিং) নির্মাণের মহোৎসব চলছে উপজেলার বারবাকিয়া ইউনিয়নের ভারুয়াখালী এলাকার কবরস্থান মোড়ায়। এর নেতৃত্বে আছেন একই এলাকার মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে আবুল কাশেম তার ছেলে মোঃ মিজান। শীলখালী ইউনিয়নের কাছারী মোড়া এলাকার ঘোনা পাড়ায় জাফর আলম, ইউনুচ ও আবদুল মোনাফসহ বেশ কয়েকজন পাহাড় খেকো মাঠি কেটে পাচার করে চালিয়ে যাচ্ছে স্থায়ী স্থাপনা (কংক্রীট) নির্মাণ করেই চলছে।

 

 

 

সরেজমিন গিয়ে স্থাপনা নির্মাণ ও পাহাড়ের মাঠি কাটার বিষয়ে জানতে চাইলে তারা অকপটে স্বীকার করেন,স্থানীয় বনবিভাগের কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে তারা এ নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। যেকোন সময় স্থাপনা নির্মাণ করার আগে বনবিভাগের কর্তাবাবুদের উৎকোচ দিয়ে অনুমতি নিতে হয়। বন-কর্মকর্তাদের  মৌখিক অনুমতি পাওয়ার পর পরই দখলবাজরা পাহাড় দখল করে রাম-রাজত্ব তৈরি। আর এ রাজমহলে আত্মগোপনে থাকে বিভিন্ন এলাকার ভয়ংকর দাগী আসামীরা। হত্যারমত ঘটনা ঘটিয়ে তারা পাহাড়ের ঐ স্থাপনায় নিরাপদে দিন পার করে। সময় সময় এলাকায় তাদের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড পরিচালিত করে আসে।

 

 

 

স্থানীয় সমাজকর্মী আলমগীর বলেন, এভাবে পাহাড়ের মাটি পাচার ও স্থাপনা নির্মাণ অব্যাহত থাকলে আগামী ৫ বছরের মধ্যে পেকুয়া উপজেলার পাহাড়বেষ্টিত ৩ ইউনিয়নের সব পাহাড় সাবাড় হয়ে মারাত্মক ভারসাম্যহীন পরিবেশ বিপর্যয়ের মধে পড়বে।

 

 

এ বিষয়ে জানতে বারবাকিয়া বিট কর্মকর্তা আমির হোছনের ব্যবহৃত মুটোফোনে বেশ কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও সংযোগ না পাওয়ায় বক্তব্য দেয়া সম্ভব হয়নি।

 

 

বারবাকিয়া-টইটং রেঞ্জ কর্মকর্তা হাবিবুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি টাকা গ্রহণের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ভারুয়াখালীর স্থাপনা নির্মাণের বিষয়টিসহ শীলখালীর নতুন করে চলমান স্থাপনার বিরুদ্ধে উচ্চেদ অভিযান শীগ্রই পরিচালনা করা হবে।

 

 

আপলোডকারীর তথ্য

Banglar Alo News

hello
জনপ্রিয় সংবাদ

মুন্সীগঞ্জ সদর ইউএনওর চরডুমুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন

পেকুয়ায় পাহাড়ে স্থাপনা নির্মাণ থামছেই না,কর্তৃপক্ষ আছেন ঘুমে অচেতন

আপডেট সময় ১১:২৯:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২২

পেকুয়া প্রতিনিধি:-

কক্সবাজারের পেকুয়ার সংরক্ষিত পাহাড়ে স্থাপনা নির্মাণ থামছেই না, সংশ্লিষ্টরা আছেন ঘুমের ঘোঁরে অচেতন। এ সুযোগে পাহাড় দখলের প্রতিযোগিতায় নেমেছে পাহাড় খেকোরা। ফলে উজাড় হচ্ছে গাছ-গাছালী পাচার হচ্ছে পাহাড়ের মাঠি। এতে ভারসাম্য হারাচ্ছে প্রাকৃতিক পরিবেশ, অসহনীয় হয়ে উঠছে মানুষের জীবনযাত্রা মান। অন্যদিকে বর্ষায় ভারী বর্ষণে পাহাড় ধ্বসে হচ্ছে প্রতিনিয়ত প্রাণহানীর মত মর্মান্তিক দূর্ঘনা। পঙ্গুত্ববরণ করতে হচ্ছে ঐ এলাকায় বসবাসকারী সাধারণ মানুষকে। পাহাড় কাঠার ও স্থায়ী স্থাপনা (বিল্ডিং) নির্মাণের মহোৎসব চলছে উপজেলার বারবাকিয়া ইউনিয়নের ভারুয়াখালী এলাকার কবরস্থান মোড়ায়। এর নেতৃত্বে আছেন একই এলাকার মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে আবুল কাশেম তার ছেলে মোঃ মিজান। শীলখালী ইউনিয়নের কাছারী মোড়া এলাকার ঘোনা পাড়ায় জাফর আলম, ইউনুচ ও আবদুল মোনাফসহ বেশ কয়েকজন পাহাড় খেকো মাঠি কেটে পাচার করে চালিয়ে যাচ্ছে স্থায়ী স্থাপনা (কংক্রীট) নির্মাণ করেই চলছে।

 

 

 

সরেজমিন গিয়ে স্থাপনা নির্মাণ ও পাহাড়ের মাঠি কাটার বিষয়ে জানতে চাইলে তারা অকপটে স্বীকার করেন,স্থানীয় বনবিভাগের কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে তারা এ নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। যেকোন সময় স্থাপনা নির্মাণ করার আগে বনবিভাগের কর্তাবাবুদের উৎকোচ দিয়ে অনুমতি নিতে হয়। বন-কর্মকর্তাদের  মৌখিক অনুমতি পাওয়ার পর পরই দখলবাজরা পাহাড় দখল করে রাম-রাজত্ব তৈরি। আর এ রাজমহলে আত্মগোপনে থাকে বিভিন্ন এলাকার ভয়ংকর দাগী আসামীরা। হত্যারমত ঘটনা ঘটিয়ে তারা পাহাড়ের ঐ স্থাপনায় নিরাপদে দিন পার করে। সময় সময় এলাকায় তাদের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড পরিচালিত করে আসে।

 

 

 

স্থানীয় সমাজকর্মী আলমগীর বলেন, এভাবে পাহাড়ের মাটি পাচার ও স্থাপনা নির্মাণ অব্যাহত থাকলে আগামী ৫ বছরের মধ্যে পেকুয়া উপজেলার পাহাড়বেষ্টিত ৩ ইউনিয়নের সব পাহাড় সাবাড় হয়ে মারাত্মক ভারসাম্যহীন পরিবেশ বিপর্যয়ের মধে পড়বে।

 

 

এ বিষয়ে জানতে বারবাকিয়া বিট কর্মকর্তা আমির হোছনের ব্যবহৃত মুটোফোনে বেশ কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও সংযোগ না পাওয়ায় বক্তব্য দেয়া সম্ভব হয়নি।

 

 

বারবাকিয়া-টইটং রেঞ্জ কর্মকর্তা হাবিবুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি টাকা গ্রহণের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ভারুয়াখালীর স্থাপনা নির্মাণের বিষয়টিসহ শীলখালীর নতুন করে চলমান স্থাপনার বিরুদ্ধে উচ্চেদ অভিযান শীগ্রই পরিচালনা করা হবে।