বাংলাদেশ ০৫:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০২৪, ৭ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :

সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,, সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,,০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০, ০১৭১২-৪৪৬৩০৬,০১৭১১-০০৬২১৪ সম্পাদক

     
ব্রেকিং নিউজ ::
মুন্সীগঞ্জ সদর ইউএনওর চরডুমুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন সন্ধ্যার মধ্যে উপাচার্য, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাসভবন ছাড়ার আল্টিমেটাম কুবি শিক্ষার্থীদের রাবিতে জড়ো হওয়া আন্দোলনকারীদের পুলিশ-বিজিবির ধাওয়া মেহেন্দিগঞ্জে অজ্ঞাতনামা নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার। মুন্সীগঞ্জে গায়েবানা জানাযা থেকে ঈমাম ও বিএনপি নেতাকে ধরে নিয়ে গেলো পুলিশ কোটা আন্দোলনের পক্ষে সংহতি জানিয়ে ফেনী ইউনিভার্সিটির বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের বিবৃতি চলমান পরিস্থিতিতে রাবি ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি আপাতত স্থগিত: উপাচার্য বিদেশের পাঠানো টাকা চাইতে গিয়ে বিপাকে প্রবাসী স্বামী রাজশাহীতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র আশুরা পালিত চট্রগ্রামের কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত ওয়াসিমের জানাজায় মানুষের ঢল পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া পৌরসভার রাস্তায় সমবায় সমিতি ভবনের ট্যাংকির ময়লা: জনদুর্ভোগ মুন্সীগঞ্জে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের উপর হামলা, আহত ৫ হরিপুরে, প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড এর পক্ষ থেকে কর্মী মিটিং ও গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত। গৌরীপুরে উদীচী কার্য়ালয়ে হামলা ও ভাংচুর স্ত্রীর যৌতুক মামলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক কারাগারে

আমতলী সংখ্যালঘুু দুই পরিবারকে আবাসস্থল থেকে উচ্ছেদ করায় খোলা আকাশের নিচে বসবাস!

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৭:৩৫:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২২
  • ১৬৭৯ বার পড়া হয়েছে

আমতলী সংখ্যালঘুু দুই পরিবারকে আবাসস্থল থেকে উচ্ছেদ করায় খোলা আকাশের নিচে বসবাস!

মোঃরনি মল্লিক বরগুনা জেলা প্রতিনিধিঃ
বরগুনার আমতলী পৌর শহরে দুই সংখ্যালঘু পরিবারের ৬০ বছরের পৈতৃক বাসস্থান থেকে গতকাল শনিবার আদালতের নির্দেশে উচ্ছেদ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী দুই পরিবারের মাথা গোঁজার ঠাঁই না থাকায় থাকায় তারা এখন পরিবার পরিজন নিয়ে খোলা আকাশে নিচে মানবতার জীবন যাপন করছে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, আমতলী পৌর শহরের ৪নং ওয়ার্ড ওয়াপদা রাস্তা নিকটে স্বপন কুমার পরিবারবর্গসহ দীর্ঘ ৬০ বছর যাবৎ বসবাস করে আসছিল।এদিকে সংখ্যালঘু পরিবার দ্বয়ের বসবাসরত বাড়ীটির জায়গার মালিকানা দাবী করে প্রতিবেশী মজিবর হাওলাদার  তার দাবি করে স্ত্রী ছকিনা বেগম বাদী করে ২০০৮ সালে আমতলী সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মামলা দায়ের করেন।পরবর্তীতে বাদী ছকিনা বেগমের পক্ষে মামলায় রায় পায়। মামলা নম্বর-০৯/২০০৮। পরবর্তীতে সিনিয়র সহকারি জজ, আমতলী আদালতে উচ্ছেদের মামলা করলে ১৮/০৪/২০২২ তারিখ আমতলী সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের বিচারক নজরুল ইসলাম বাদীকে দখল বুঝিয়ে দেওয়ার আদেশ দেন। আদেশ বলে ২৩/০৪/২০২২ তারিখ বিজ্ঞ এ্যাডভোকেট কমিশনার ও নাজির স্থাপনা উচ্ছেদ করে জমির দখল ছকিনা বেগমকে বুঝিয়ে দেন।
স্বপন কুমার দাস ১৯৬৭ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছ থেকে ০.১১ একর জমি বরাদ্ধ পায়। তার মৃত্যুর পর তার ভাই রুপাই দাস ও ছেলে সঞ্জিব দাস ঐ জমিতে বসবাস করতে থাকেন।বসবাসের ঘর থেকে উচ্ছেদের ফলে তারা এখন খোলা আকাশের নিচে বসবাস করতেছে।
রুপাই দাস বলেন, আমার ভাই স্বপন দাসের নামে ১১ শতাংশ জমি পানি উন্নয়নে বোর্ডের কাছ থেকে অস্থায়ী বন্দোবস্ত নিয়ে আমরা দুই পরিবার বসবাস করতেছি। বিগত ২০০৭ সালে প্রলয়ঙ্কারী সিডরে আমাদের ঘর-বাড়ী ভাসিয়ে নিয়ে যায়। এ সুযোগে প্রতিবেশী মজিবর হাওলাদার আমাদের বসবাসরত জমি দখলের পায়তারা চালায়। এরপর থেকে আমরা এ বিষয়ে কিছুই জানিনা। কোন নোটিশ ছাড়াই আজকে আমাদের উচ্ছেদ করা হয়।এখন আমরা নিঃস্ব হয়ে গেছি।কোথায় গিয়ে থাকব,কিভাবে জীবন চালাব একমাত্র ভগবানই জানে।
বিজ্ঞ এ্যাডভোকেট কমিশনার হরিদাস বিশ্বাস বলেন, ছকিনা বেগম এর পক্ষে আদালত দখল বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য আদেশ প্রদান করেন।
আপলোডকারীর তথ্য

Banglar Alo News

hello
জনপ্রিয় সংবাদ

মুন্সীগঞ্জ সদর ইউএনওর চরডুমুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন

আমতলী সংখ্যালঘুু দুই পরিবারকে আবাসস্থল থেকে উচ্ছেদ করায় খোলা আকাশের নিচে বসবাস!

আপডেট সময় ০৭:৩৫:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২২
মোঃরনি মল্লিক বরগুনা জেলা প্রতিনিধিঃ
বরগুনার আমতলী পৌর শহরে দুই সংখ্যালঘু পরিবারের ৬০ বছরের পৈতৃক বাসস্থান থেকে গতকাল শনিবার আদালতের নির্দেশে উচ্ছেদ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী দুই পরিবারের মাথা গোঁজার ঠাঁই না থাকায় থাকায় তারা এখন পরিবার পরিজন নিয়ে খোলা আকাশে নিচে মানবতার জীবন যাপন করছে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, আমতলী পৌর শহরের ৪নং ওয়ার্ড ওয়াপদা রাস্তা নিকটে স্বপন কুমার পরিবারবর্গসহ দীর্ঘ ৬০ বছর যাবৎ বসবাস করে আসছিল।এদিকে সংখ্যালঘু পরিবার দ্বয়ের বসবাসরত বাড়ীটির জায়গার মালিকানা দাবী করে প্রতিবেশী মজিবর হাওলাদার  তার দাবি করে স্ত্রী ছকিনা বেগম বাদী করে ২০০৮ সালে আমতলী সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মামলা দায়ের করেন।পরবর্তীতে বাদী ছকিনা বেগমের পক্ষে মামলায় রায় পায়। মামলা নম্বর-০৯/২০০৮। পরবর্তীতে সিনিয়র সহকারি জজ, আমতলী আদালতে উচ্ছেদের মামলা করলে ১৮/০৪/২০২২ তারিখ আমতলী সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের বিচারক নজরুল ইসলাম বাদীকে দখল বুঝিয়ে দেওয়ার আদেশ দেন। আদেশ বলে ২৩/০৪/২০২২ তারিখ বিজ্ঞ এ্যাডভোকেট কমিশনার ও নাজির স্থাপনা উচ্ছেদ করে জমির দখল ছকিনা বেগমকে বুঝিয়ে দেন।
স্বপন কুমার দাস ১৯৬৭ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছ থেকে ০.১১ একর জমি বরাদ্ধ পায়। তার মৃত্যুর পর তার ভাই রুপাই দাস ও ছেলে সঞ্জিব দাস ঐ জমিতে বসবাস করতে থাকেন।বসবাসের ঘর থেকে উচ্ছেদের ফলে তারা এখন খোলা আকাশের নিচে বসবাস করতেছে।
রুপাই দাস বলেন, আমার ভাই স্বপন দাসের নামে ১১ শতাংশ জমি পানি উন্নয়নে বোর্ডের কাছ থেকে অস্থায়ী বন্দোবস্ত নিয়ে আমরা দুই পরিবার বসবাস করতেছি। বিগত ২০০৭ সালে প্রলয়ঙ্কারী সিডরে আমাদের ঘর-বাড়ী ভাসিয়ে নিয়ে যায়। এ সুযোগে প্রতিবেশী মজিবর হাওলাদার আমাদের বসবাসরত জমি দখলের পায়তারা চালায়। এরপর থেকে আমরা এ বিষয়ে কিছুই জানিনা। কোন নোটিশ ছাড়াই আজকে আমাদের উচ্ছেদ করা হয়।এখন আমরা নিঃস্ব হয়ে গেছি।কোথায় গিয়ে থাকব,কিভাবে জীবন চালাব একমাত্র ভগবানই জানে।
বিজ্ঞ এ্যাডভোকেট কমিশনার হরিদাস বিশ্বাস বলেন, ছকিনা বেগম এর পক্ষে আদালত দখল বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য আদেশ প্রদান করেন।