বাংলাদেশ ০৬:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪, ৫ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :

সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,, সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,,০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০, ০১৭১২-৪৪৬৩০৬,০১৭১১-০০৬২১৪ সম্পাদক

     
ব্রেকিং নিউজ ::
মুন্সীগঞ্জ সদর ইউএনওর চরডুমুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন সন্ধ্যার মধ্যে উপাচার্য, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাসভবন ছাড়ার আল্টিমেটাম কুবি শিক্ষার্থীদের রাবিতে জড়ো হওয়া আন্দোলনকারীদের পুলিশ-বিজিবির ধাওয়া মেহেন্দিগঞ্জে অজ্ঞাতনামা নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার। মুন্সীগঞ্জে গায়েবানা জানাযা থেকে ঈমাম ও বিএনপি নেতাকে ধরে নিয়ে গেলো পুলিশ কোটা আন্দোলনের পক্ষে সংহতি জানিয়ে ফেনী ইউনিভার্সিটির বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের বিবৃতি চলমান পরিস্থিতিতে রাবি ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি আপাতত স্থগিত: উপাচার্য বিদেশের পাঠানো টাকা চাইতে গিয়ে বিপাকে প্রবাসী স্বামী রাজশাহীতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র আশুরা পালিত চট্রগ্রামের কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত ওয়াসিমের জানাজায় মানুষের ঢল পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া পৌরসভার রাস্তায় সমবায় সমিতি ভবনের ট্যাংকির ময়লা: জনদুর্ভোগ মুন্সীগঞ্জে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের উপর হামলা, আহত ৫ হরিপুরে, প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড এর পক্ষ থেকে কর্মী মিটিং ও গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত। গৌরীপুরে উদীচী কার্য়ালয়ে হামলা ও ভাংচুর স্ত্রীর যৌতুক মামলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক কারাগারে

য‌শো‌রের দু` সন্তান লেখক ছাত্রলীগের : ছাত্রদলের শ্রাবণ দেশের বৃহত্তর দুই ছাত্র রাজনীতির কর্ণধর 

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:২৩:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ এপ্রিল ২০২২
  • ১৬৮০ বার পড়া হয়েছে

য‌শো‌রের দু` সন্তান লেখক ছাত্রলীগের : ছাত্রদলের শ্রাবণ দেশের বৃহত্তর দুই ছাত্র রাজনীতির কর্ণধর 

সুমন হো‌সেন, য‌শোর থে‌কে :
দেশের বৃহত্তর দুই ছাত্র রাজনীতির কর্ণধর এখন যশোরের দুই সন্তানের হাতে। জনপ্রিয় দুই ছাত্র সংগঠনের শীর্ষ পদে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন যশোরের দুই সন্তান লেখক ও শ্রাবণ। এটি নিয়ে যশোরের মানুষের গর্বের শেষ নেই। ছাত্র সংগঠনের শীর্ষ দু’নেতাকে নিয়ে জেলা জুড়ে চলছে আলোচনা সমালোচনা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে চায়ের দোকান, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব জায়গায় আলোচনা একটাই। যশোরের মানুষের একটিই কথা ছাত্রলীগ ও ছাত্রদলের চালিকাশক্তি বর্তমানে যশোরের দুই সন্তানের হাতে। রোববার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির শীর্ষ পাঁচ নেতার নাম ঘোষণা করা হয়। সেখানে সভাপতি হয়েছেন কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ। বাবার নাম কাজী রফিকুল ইসলাম। তার বাড়ি যশোরের কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নে। একইভাবে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য্যের বাড়িও যশোরে। তার বাড়ি মণিরামপুর উপজেলার পাড়ালা গ্রামে।
বাবার নাম দেবাশীষ ভট্টাচার্য্য। মা শ্রিপা ভট্টাচার্য্য। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলকে শ্রাবণ এবং ছাত্রলীগকে লেখক নেতৃত্ব দিয়ে দেশের ছাত্রসমাজের কল্যাণে কাজ করবেন এমন প্রত্যাশা যশোরের শিক্ষার্থীদের। কেশবপুরের সন্তান কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ কেন্দ্রীয় সভাপতি হওয়ায় আনন্দ বিরাজ করছে জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন ছাত্রদলের সব ইউনিটের নেতাকর্মীদের মধ্যে। আনন্দ মিছিল ও মিষ্টিমুখ করা হয়েছে কেশবপুরে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কেশবপুর কলেজে একাদশ শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় ছাত্রদলের মাধ্যমে রাজনীতিতে হাতেখড়ি শ্রাবণের। এরপর ২০০৩-২০০৪ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন তিনি। হাজি মুহাম্মদ মহসিন হলে থেকে ছাত্রদলের সব কার্যক্রমে অংশ নেন। সেখান থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ও কেন্দ্রীয় নেতাদের দৃষ্টিতে আসেন কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ। ২০১৯ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর ছাত্রদলের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়।
ওই সম্মেলনে যশোরের কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি কাজী রফিকুল ইসলামের ছেলে শ্রাবণ ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি প্রার্থী হওয়ায় সারাদেশে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে। কাউন্সিলে মাত্র আট ভোটে হেরে সিনিয়র সহসভাপতির দায়িত্ব পান তিনি। ছাত্রদলের মেয়াদ শেষ হলে তিন বছরের মাথায় ১৭ এপ্রিল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পরামর্শে ছাত্রদলের শীর্ষ নেতৃত্বের নাম ঘোষণা করা হয়। এর আগে রাজিব-আকরাম কমিটিতে সহসম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন শ্রাবণ। অন্যদিকে, নানা বিতর্কিত কর্মকান্ডের কারণে ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে শোভন-রব্বানীকে সরিয়ে দেয়ার পর ২০১৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হন যশোরের সন্তান লেখক ভট্টাচার্য্য।
এরপর ২০২০ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে পূর্ণাঙ্গ সাধারণ সম্পাদক হন তিনি। এর আগে লেখক ভট্টাচার্য্য ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জগন্নাথ হলের সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। লেখক ভট্টাচার্য্য যশোর ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করে ২০০৮-০৯ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগে ভর্তি হন। এরপর হল, বিশ্ববিদ্যালয় ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগে নিজের যোগ্যতার পরিচয় দেন এ ছাত্রনেতা। ফলস্বরূপ আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আস্থাভাজন হয়ে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সারাদেশে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন তিনি।
আপলোডকারীর তথ্য

Banglar Alo News

hello
জনপ্রিয় সংবাদ

মুন্সীগঞ্জ সদর ইউএনওর চরডুমুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন

য‌শো‌রের দু` সন্তান লেখক ছাত্রলীগের : ছাত্রদলের শ্রাবণ দেশের বৃহত্তর দুই ছাত্র রাজনীতির কর্ণধর 

আপডেট সময় ০২:২৩:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ এপ্রিল ২০২২
সুমন হো‌সেন, য‌শোর থে‌কে :
দেশের বৃহত্তর দুই ছাত্র রাজনীতির কর্ণধর এখন যশোরের দুই সন্তানের হাতে। জনপ্রিয় দুই ছাত্র সংগঠনের শীর্ষ পদে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন যশোরের দুই সন্তান লেখক ও শ্রাবণ। এটি নিয়ে যশোরের মানুষের গর্বের শেষ নেই। ছাত্র সংগঠনের শীর্ষ দু’নেতাকে নিয়ে জেলা জুড়ে চলছে আলোচনা সমালোচনা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে চায়ের দোকান, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব জায়গায় আলোচনা একটাই। যশোরের মানুষের একটিই কথা ছাত্রলীগ ও ছাত্রদলের চালিকাশক্তি বর্তমানে যশোরের দুই সন্তানের হাতে। রোববার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির শীর্ষ পাঁচ নেতার নাম ঘোষণা করা হয়। সেখানে সভাপতি হয়েছেন কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ। বাবার নাম কাজী রফিকুল ইসলাম। তার বাড়ি যশোরের কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নে। একইভাবে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য্যের বাড়িও যশোরে। তার বাড়ি মণিরামপুর উপজেলার পাড়ালা গ্রামে।
বাবার নাম দেবাশীষ ভট্টাচার্য্য। মা শ্রিপা ভট্টাচার্য্য। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলকে শ্রাবণ এবং ছাত্রলীগকে লেখক নেতৃত্ব দিয়ে দেশের ছাত্রসমাজের কল্যাণে কাজ করবেন এমন প্রত্যাশা যশোরের শিক্ষার্থীদের। কেশবপুরের সন্তান কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ কেন্দ্রীয় সভাপতি হওয়ায় আনন্দ বিরাজ করছে জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন ছাত্রদলের সব ইউনিটের নেতাকর্মীদের মধ্যে। আনন্দ মিছিল ও মিষ্টিমুখ করা হয়েছে কেশবপুরে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কেশবপুর কলেজে একাদশ শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় ছাত্রদলের মাধ্যমে রাজনীতিতে হাতেখড়ি শ্রাবণের। এরপর ২০০৩-২০০৪ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন তিনি। হাজি মুহাম্মদ মহসিন হলে থেকে ছাত্রদলের সব কার্যক্রমে অংশ নেন। সেখান থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ও কেন্দ্রীয় নেতাদের দৃষ্টিতে আসেন কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ। ২০১৯ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর ছাত্রদলের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়।
ওই সম্মেলনে যশোরের কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি কাজী রফিকুল ইসলামের ছেলে শ্রাবণ ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি প্রার্থী হওয়ায় সারাদেশে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে। কাউন্সিলে মাত্র আট ভোটে হেরে সিনিয়র সহসভাপতির দায়িত্ব পান তিনি। ছাত্রদলের মেয়াদ শেষ হলে তিন বছরের মাথায় ১৭ এপ্রিল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পরামর্শে ছাত্রদলের শীর্ষ নেতৃত্বের নাম ঘোষণা করা হয়। এর আগে রাজিব-আকরাম কমিটিতে সহসম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন শ্রাবণ। অন্যদিকে, নানা বিতর্কিত কর্মকান্ডের কারণে ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে শোভন-রব্বানীকে সরিয়ে দেয়ার পর ২০১৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হন যশোরের সন্তান লেখক ভট্টাচার্য্য।
এরপর ২০২০ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে পূর্ণাঙ্গ সাধারণ সম্পাদক হন তিনি। এর আগে লেখক ভট্টাচার্য্য ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জগন্নাথ হলের সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। লেখক ভট্টাচার্য্য যশোর ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করে ২০০৮-০৯ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগে ভর্তি হন। এরপর হল, বিশ্ববিদ্যালয় ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগে নিজের যোগ্যতার পরিচয় দেন এ ছাত্রনেতা। ফলস্বরূপ আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আস্থাভাজন হয়ে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সারাদেশে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন তিনি।