বাংলাদেশ ০৪:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুলাই ২০২৪, ৭ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :

সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,, সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,,০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০, ০১৭১২-৪৪৬৩০৬,০১৭১১-০০৬২১৪ সম্পাদক

     
ব্রেকিং নিউজ ::
মুন্সীগঞ্জ সদর ইউএনওর চরডুমুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন সন্ধ্যার মধ্যে উপাচার্য, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাসভবন ছাড়ার আল্টিমেটাম কুবি শিক্ষার্থীদের রাবিতে জড়ো হওয়া আন্দোলনকারীদের পুলিশ-বিজিবির ধাওয়া মেহেন্দিগঞ্জে অজ্ঞাতনামা নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার। মুন্সীগঞ্জে গায়েবানা জানাযা থেকে ঈমাম ও বিএনপি নেতাকে ধরে নিয়ে গেলো পুলিশ কোটা আন্দোলনের পক্ষে সংহতি জানিয়ে ফেনী ইউনিভার্সিটির বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের বিবৃতি চলমান পরিস্থিতিতে রাবি ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি আপাতত স্থগিত: উপাচার্য বিদেশের পাঠানো টাকা চাইতে গিয়ে বিপাকে প্রবাসী স্বামী রাজশাহীতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র আশুরা পালিত চট্রগ্রামের কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত ওয়াসিমের জানাজায় মানুষের ঢল পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া পৌরসভার রাস্তায় সমবায় সমিতি ভবনের ট্যাংকির ময়লা: জনদুর্ভোগ মুন্সীগঞ্জে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের উপর হামলা, আহত ৫ হরিপুরে, প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড এর পক্ষ থেকে কর্মী মিটিং ও গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত। গৌরীপুরে উদীচী কার্য়ালয়ে হামলা ও ভাংচুর স্ত্রীর যৌতুক মামলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক কারাগারে

সূর্যমুখী চাষে ভোলার কৃষকের মুখে হাঁসি

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:০১:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ এপ্রিল ২০২২
  • ১৭০০ বার পড়া হয়েছে

সূর্যমুখী চাষে ভোলার কৃষকের মুখে হাঁসি

 

 

 

 

কামরুজ্জামান শাহীন, ভোলা॥

 

ভোলার মেঘনা তেতুলিয়া নদীর কোল ঘেষে গড়ে উঠা দ্বীপজেলার বিভিন্ন উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠ জুড়ে দেখা যায় সূর্যমুখী ফুলের চাষ। সবুজ পাতার মাঝে হলুদের সমারোহে বেষ্টিত এক একটি সূর্যমুখী যেনো সূযের্র আলোয় আভা ছড়াচ্ছে। সবুজ গাছ আর হলুদ ফুল এক অপরূপ চিত্র দেখা যায় ভোলার কৃষকের ফসলি মাঠে। সূর্যমুখী একটি তৈল জাতীয় ফসল। এই তৈলের পুষ্টিগুন অন্যন্য হওয়ায় ভোজ্য তেলের চাহিদা মেটাতে পারবে বলে সূর্যমুখীর চাষ হতে পারে নতুন সম্ভাবনার হাতছানি। নিজেদের তৈলের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি ব্যবসায়িক উদ্দেশ্য এ বছর সূর্যমুখীর চাষ করেছেন ভোলার অনেক চাষিরা। গত বছরের তুলনায় ভোলায় এবার সূর্যমুখীর আবাদ বেশী হয়েছে। কিছু দিন পরেই ফসল ঘরে তুলবেন কৃষকরা।

 

আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর সূর্যমুখীর বাম্পার ফলনের আশাবাদী কৃষকরা। জেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক বছর থেকেই কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় জেলার বিভিন্ন স্থানে সূর্যমুখীর চাষ শুরু হয়। উবর্র মাটি ও অল্প খরচেই সূর্যমুখীর চাষ বেশ লাভজনক হওয়ায় চাষাবাদে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের। ভোলার দৌলতখানে উপজেলার চরখলিফা ইউনিয়নের কৃষক হারুন, খোকন, মেদুয়া ইউনিয়নের কৃষক রুহল আমিন তাদের জমিতে সূর্যমুখী আবাদ করে লাভবান হয়েছেন। তাদের সাফল্য দেখে এলাকার অন্যান্যও কৃষকরাও সূর্যমুখী চাষে ঝুঁকছেন। সূর্যমুখী ফুলের চাষ নিয়ে আশাবাদী কৃষি কর্মকর্তারাও। তজুমদ্দিনে এ বছর প্রজেক্টের আওতায় প্রদর্শনী ও প্রনোদনা কর্মসূচীর আওতায় উপজেলার বিভিন্নস্থানে প্রায় ২০ একর জমিতে সূর্যমুখীর চাষ করা হয়েছে। এ অঞ্চলে সাধারণত হাইসান-৩৩, আরবিএস-২৭৫ ও বারী সূর্যমুখী-২ তিনটি প্রজাতির সূর্যমুখী ফুলের চাষ হয়েছে। প্রাকৃতিক কোন দূর্যোগ না হলে প্রতি একর জমি থেকে এক টনের বেশি ফসল উৎপাদন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। চরফ্যাশন উপজেলার জাহানপুর গ্রামের চাষি ফজল আলী বলেন, আমি গত বছর পরীক্ষামূলক ১২ শতাংশ জমিতে সূর্যমুখীর চাষ করি।

 

এতে যে পরিমান ফসল পেয়েছি তাতে নিজেদের ব্যবহারের পাশাপাশি বিক্রিও করেছি। কম খরচে অন্য ফসলের চেয়ে ভালো ফলন হওয়ায় এ বছর কৃষি অফিস থেকে সার ও বীজ সংগ্রহ করে ৫০ শতাংশ জমিতে সূর্যমুখী ফুলের চাষাবাদ করি। জমি চাষ থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত প্রায় ৬/৭ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে প্রতি ৮ শতাংশ জমি থেকে ৪ মণ করে ফলন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আশা করি এতে ভালো লাভবান হওয়া যাবে। উপজেলার শশীভুষণ থানার হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বাজার এলাকার জাকির হোসেন, হাসান আলী,আব্বাসসহ এ বছর সূর্যমুখীর চাষ করেছেন অনেকে। ভোলা জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদফতরের উপ-পরিচালক মো. হাসান ওয়ারিসুল কবীর বলেন, এ বছর এখন পযর্ন্ত সূর্যমুখী চাষে কোন প্রতিবন্ধকতা সুষ্টি হয়নি। আবহাওয়া অনুকুলে রয়েছে। সার, বীজ, ও বালাইনাশক সংকট ছিল না। বাম্পার ফলন হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এ বছর ভোলায় সূর্যমুখীর আবাদ হয়েছে ৫০৯ হেক্টর জমিতে।

 

 

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

মুন্সীগঞ্জ সদর ইউএনওর চরডুমুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন

সূর্যমুখী চাষে ভোলার কৃষকের মুখে হাঁসি

আপডেট সময় ০৪:০১:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ এপ্রিল ২০২২

 

 

 

 

কামরুজ্জামান শাহীন, ভোলা॥

 

ভোলার মেঘনা তেতুলিয়া নদীর কোল ঘেষে গড়ে উঠা দ্বীপজেলার বিভিন্ন উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠ জুড়ে দেখা যায় সূর্যমুখী ফুলের চাষ। সবুজ পাতার মাঝে হলুদের সমারোহে বেষ্টিত এক একটি সূর্যমুখী যেনো সূযের্র আলোয় আভা ছড়াচ্ছে। সবুজ গাছ আর হলুদ ফুল এক অপরূপ চিত্র দেখা যায় ভোলার কৃষকের ফসলি মাঠে। সূর্যমুখী একটি তৈল জাতীয় ফসল। এই তৈলের পুষ্টিগুন অন্যন্য হওয়ায় ভোজ্য তেলের চাহিদা মেটাতে পারবে বলে সূর্যমুখীর চাষ হতে পারে নতুন সম্ভাবনার হাতছানি। নিজেদের তৈলের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি ব্যবসায়িক উদ্দেশ্য এ বছর সূর্যমুখীর চাষ করেছেন ভোলার অনেক চাষিরা। গত বছরের তুলনায় ভোলায় এবার সূর্যমুখীর আবাদ বেশী হয়েছে। কিছু দিন পরেই ফসল ঘরে তুলবেন কৃষকরা।

 

আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর সূর্যমুখীর বাম্পার ফলনের আশাবাদী কৃষকরা। জেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক বছর থেকেই কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় জেলার বিভিন্ন স্থানে সূর্যমুখীর চাষ শুরু হয়। উবর্র মাটি ও অল্প খরচেই সূর্যমুখীর চাষ বেশ লাভজনক হওয়ায় চাষাবাদে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের। ভোলার দৌলতখানে উপজেলার চরখলিফা ইউনিয়নের কৃষক হারুন, খোকন, মেদুয়া ইউনিয়নের কৃষক রুহল আমিন তাদের জমিতে সূর্যমুখী আবাদ করে লাভবান হয়েছেন। তাদের সাফল্য দেখে এলাকার অন্যান্যও কৃষকরাও সূর্যমুখী চাষে ঝুঁকছেন। সূর্যমুখী ফুলের চাষ নিয়ে আশাবাদী কৃষি কর্মকর্তারাও। তজুমদ্দিনে এ বছর প্রজেক্টের আওতায় প্রদর্শনী ও প্রনোদনা কর্মসূচীর আওতায় উপজেলার বিভিন্নস্থানে প্রায় ২০ একর জমিতে সূর্যমুখীর চাষ করা হয়েছে। এ অঞ্চলে সাধারণত হাইসান-৩৩, আরবিএস-২৭৫ ও বারী সূর্যমুখী-২ তিনটি প্রজাতির সূর্যমুখী ফুলের চাষ হয়েছে। প্রাকৃতিক কোন দূর্যোগ না হলে প্রতি একর জমি থেকে এক টনের বেশি ফসল উৎপাদন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। চরফ্যাশন উপজেলার জাহানপুর গ্রামের চাষি ফজল আলী বলেন, আমি গত বছর পরীক্ষামূলক ১২ শতাংশ জমিতে সূর্যমুখীর চাষ করি।

 

এতে যে পরিমান ফসল পেয়েছি তাতে নিজেদের ব্যবহারের পাশাপাশি বিক্রিও করেছি। কম খরচে অন্য ফসলের চেয়ে ভালো ফলন হওয়ায় এ বছর কৃষি অফিস থেকে সার ও বীজ সংগ্রহ করে ৫০ শতাংশ জমিতে সূর্যমুখী ফুলের চাষাবাদ করি। জমি চাষ থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত প্রায় ৬/৭ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে প্রতি ৮ শতাংশ জমি থেকে ৪ মণ করে ফলন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আশা করি এতে ভালো লাভবান হওয়া যাবে। উপজেলার শশীভুষণ থানার হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বাজার এলাকার জাকির হোসেন, হাসান আলী,আব্বাসসহ এ বছর সূর্যমুখীর চাষ করেছেন অনেকে। ভোলা জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদফতরের উপ-পরিচালক মো. হাসান ওয়ারিসুল কবীর বলেন, এ বছর এখন পযর্ন্ত সূর্যমুখী চাষে কোন প্রতিবন্ধকতা সুষ্টি হয়নি। আবহাওয়া অনুকুলে রয়েছে। সার, বীজ, ও বালাইনাশক সংকট ছিল না। বাম্পার ফলন হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এ বছর ভোলায় সূর্যমুখীর আবাদ হয়েছে ৫০৯ হেক্টর জমিতে।