বাংলাদেশ ০৪:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুলাই ২০২৪, ৭ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :

সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,, সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,,০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০, ০১৭১২-৪৪৬৩০৬,০১৭১১-০০৬২১৪ সম্পাদক

     
ব্রেকিং নিউজ ::
মুন্সীগঞ্জ সদর ইউএনওর চরডুমুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন সন্ধ্যার মধ্যে উপাচার্য, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাসভবন ছাড়ার আল্টিমেটাম কুবি শিক্ষার্থীদের রাবিতে জড়ো হওয়া আন্দোলনকারীদের পুলিশ-বিজিবির ধাওয়া মেহেন্দিগঞ্জে অজ্ঞাতনামা নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার। মুন্সীগঞ্জে গায়েবানা জানাযা থেকে ঈমাম ও বিএনপি নেতাকে ধরে নিয়ে গেলো পুলিশ কোটা আন্দোলনের পক্ষে সংহতি জানিয়ে ফেনী ইউনিভার্সিটির বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের বিবৃতি চলমান পরিস্থিতিতে রাবি ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি আপাতত স্থগিত: উপাচার্য বিদেশের পাঠানো টাকা চাইতে গিয়ে বিপাকে প্রবাসী স্বামী রাজশাহীতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র আশুরা পালিত চট্রগ্রামের কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত ওয়াসিমের জানাজায় মানুষের ঢল পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া পৌরসভার রাস্তায় সমবায় সমিতি ভবনের ট্যাংকির ময়লা: জনদুর্ভোগ মুন্সীগঞ্জে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের উপর হামলা, আহত ৫ হরিপুরে, প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড এর পক্ষ থেকে কর্মী মিটিং ও গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত। গৌরীপুরে উদীচী কার্য়ালয়ে হামলা ও ভাংচুর স্ত্রীর যৌতুক মামলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক কারাগারে

প্রতিবন্ধী হয়েও ভিক্ষা না করে তিন কন্যা ও এক পুত্র সন্তানের জনক চা বিক্রি করে চলছে ৬ জনের সংসার। 

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:৩৮:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ এপ্রিল ২০২২
  • ১৭০৬ বার পড়া হয়েছে

প্রতিবন্ধী হয়েও ভিক্ষা না করে তিন কন্যা ও এক পুত্র সন্তানের জনক চা বিক্রি করে চলছে ৬ জনের সংসার। 

 ঃ আবুল হাসান কোটচাঁদপুর 
 ২ নং মধুহাটী ইউনিয়ন  সুতিদূর্গাপুর গ্রামের জন্ম প্রতিবন্ধি মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বয়স ৩৬ বছর। তিনি স্কুলে যাওয়ার ভাগ্য তাহার জীবনে হয়নি। জন্মের পর তার পিতা মৃত্যু বরণ করেন। অভাবের সংসার তাতে আবার প্রতিবন্ধী কে নিয়ে যাবে কোলে করে স্কুলে। কে দিবে স্কুলের খরচ বা কে দিবে দু মুঠো খাবার। বড় দুই ভাই দুই বোন তারপর বিধবা মা সবাই ভাইদের উপর মরার উপর খারা। তাদের কাজ হলে খাওয়া না হলে উপোষ যেতে হতো। তাই ভাগ্যে যোটিনি লেখা পড়া। আজ ১৬ বছর আগে পাশের গ্রামের এক এতিম মা মরা গরীব মেয়ের সাথে বিবাহ হয় প্রতিবন্ধী জাহাঙ্গীরের। কে দিবে মেয়ে আর কে ইচ্ছা করে এমন জন্ম প্রতিবন্ধীর সংসার করতে চাই। এরই মাঝে প্রথম এক কন্যা সন্তানের জন্ম ইচ্ছা ছিল প্রতিবন্ধী পিতার হাল ধরতে একটি ছেলে সন্তানের।
কিন্তু এটা তো বিধাতার খেলা আবারও হলো একটি কন্যা আবার ও হলো একটি কন্যা এই ভাবে ছেলের আশায় তিনটি কন্যা বিধাতা এবার এক পুত্র সন্তান দিয়েছেন। এই ভাবেই সংসার হলো বড় ৪ সন্তান ও স্বামী স্ত্রী সহ মোট ৬ জন। সংবাদ সংগ্রহকারি কে বলতে যেয়ে তিনি ক্রন্দনরত হয়ে বলেন। সরকারি প্রতিবন্ধী ভাতা আজ ৩ বছর আগে হয়েছে প্রতি ৬ মাস পর ৪৪০০ টাকা দেয় তাতে বড় মেয়ের বয়স ১৪ বছর। তিন কন্যাসন্তানের লেখা পড়া কোন রকম হয় না। তাদের কাপড় কিন্তে পারিনা কোন রকম গ্রামের ভিতর চা বিক্রি করে চলছে ৬ সদস্যের সংসার। আমার সরকারি ভাবে কোন গাড়ি আমি পাইনি বা দেয়নি। আমি অন্যের সাহায্য ছাড়া চলতে পারি না।
আমি অন্যের কাছে ভিক্ষাবৃত্তি করতে লজ্জা পায়। বিভিন্ন এন জি ও থেকে লোন নিয়ে চায়ের দোকানে ব্যবসা। বর্তমান আমি এন জি ও লোনে জর্জরিত তাতে মেয়ে বিয়ের উপযুক্ত। আমার যদি সরকার বা কোন বিত্তশালী  সাহায্যের হাত বাড়িয়ে উপকৃত করলে আমি সারা জীবন দোয়া করবো। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও দেশের কোন রিদয়বান ব্যাক্তি যদি এই জন্ম প্রতিবন্ধির জন্য এগিয়ে আসলে  ০১৭৬৬২৯৫৩১৬ আমার মোবাইল নং। আমি চলাচলের জন্য যদি কেউ একটি মটর চালিত ভ্যানদিয়ে সাহায্যে করলে আমি চলতে পারবো ইনশাআল্লাহ।
জনপ্রিয় সংবাদ

মুন্সীগঞ্জ সদর ইউএনওর চরডুমুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন

প্রতিবন্ধী হয়েও ভিক্ষা না করে তিন কন্যা ও এক পুত্র সন্তানের জনক চা বিক্রি করে চলছে ৬ জনের সংসার। 

আপডেট সময় ০৪:৩৮:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ এপ্রিল ২০২২
 ঃ আবুল হাসান কোটচাঁদপুর 
 ২ নং মধুহাটী ইউনিয়ন  সুতিদূর্গাপুর গ্রামের জন্ম প্রতিবন্ধি মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বয়স ৩৬ বছর। তিনি স্কুলে যাওয়ার ভাগ্য তাহার জীবনে হয়নি। জন্মের পর তার পিতা মৃত্যু বরণ করেন। অভাবের সংসার তাতে আবার প্রতিবন্ধী কে নিয়ে যাবে কোলে করে স্কুলে। কে দিবে স্কুলের খরচ বা কে দিবে দু মুঠো খাবার। বড় দুই ভাই দুই বোন তারপর বিধবা মা সবাই ভাইদের উপর মরার উপর খারা। তাদের কাজ হলে খাওয়া না হলে উপোষ যেতে হতো। তাই ভাগ্যে যোটিনি লেখা পড়া। আজ ১৬ বছর আগে পাশের গ্রামের এক এতিম মা মরা গরীব মেয়ের সাথে বিবাহ হয় প্রতিবন্ধী জাহাঙ্গীরের। কে দিবে মেয়ে আর কে ইচ্ছা করে এমন জন্ম প্রতিবন্ধীর সংসার করতে চাই। এরই মাঝে প্রথম এক কন্যা সন্তানের জন্ম ইচ্ছা ছিল প্রতিবন্ধী পিতার হাল ধরতে একটি ছেলে সন্তানের।
কিন্তু এটা তো বিধাতার খেলা আবারও হলো একটি কন্যা আবার ও হলো একটি কন্যা এই ভাবে ছেলের আশায় তিনটি কন্যা বিধাতা এবার এক পুত্র সন্তান দিয়েছেন। এই ভাবেই সংসার হলো বড় ৪ সন্তান ও স্বামী স্ত্রী সহ মোট ৬ জন। সংবাদ সংগ্রহকারি কে বলতে যেয়ে তিনি ক্রন্দনরত হয়ে বলেন। সরকারি প্রতিবন্ধী ভাতা আজ ৩ বছর আগে হয়েছে প্রতি ৬ মাস পর ৪৪০০ টাকা দেয় তাতে বড় মেয়ের বয়স ১৪ বছর। তিন কন্যাসন্তানের লেখা পড়া কোন রকম হয় না। তাদের কাপড় কিন্তে পারিনা কোন রকম গ্রামের ভিতর চা বিক্রি করে চলছে ৬ সদস্যের সংসার। আমার সরকারি ভাবে কোন গাড়ি আমি পাইনি বা দেয়নি। আমি অন্যের সাহায্য ছাড়া চলতে পারি না।
আমি অন্যের কাছে ভিক্ষাবৃত্তি করতে লজ্জা পায়। বিভিন্ন এন জি ও থেকে লোন নিয়ে চায়ের দোকানে ব্যবসা। বর্তমান আমি এন জি ও লোনে জর্জরিত তাতে মেয়ে বিয়ের উপযুক্ত। আমার যদি সরকার বা কোন বিত্তশালী  সাহায্যের হাত বাড়িয়ে উপকৃত করলে আমি সারা জীবন দোয়া করবো। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও দেশের কোন রিদয়বান ব্যাক্তি যদি এই জন্ম প্রতিবন্ধির জন্য এগিয়ে আসলে  ০১৭৬৬২৯৫৩১৬ আমার মোবাইল নং। আমি চলাচলের জন্য যদি কেউ একটি মটর চালিত ভ্যানদিয়ে সাহায্যে করলে আমি চলতে পারবো ইনশাআল্লাহ।