বাংলাদেশ ০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ২৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :

সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,, সাংবাদিক নিয়োগ চলছে,,০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০, ০১৭১২-৪৪৬৩০৬,০১৭১১-০০৬২১৪ সম্পাদক

     
ব্রেকিং নিউজ ::
মিরপুরে মোটরসাইকেলের তেলের ট্যাংকের ভেতর ফেনসিডিল সহ আটক-০১ শাশুড়িকে বাঁচাতে গিয়ে অন্তঃসত্ত্বা পুত্রবধূ ভেসে গেলেন হাওরের জলে। শিবপুরে স্মার্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্মচারী ফেডারেশনের সম্মেলন অনুষ্ঠিত কুষ্টিয়ায় দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-১, আহত-৩ বোয়ালখালীতে পুকুরে ডুবে যুবকের মৃত্যু এম.আই. টেলিভিশন’ এর ৩য় বর্ষপূর্তি উদযাপন একদফা দাবি নিয়ে আবারো রেললাইন অবরোধে রাবি শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করলো কুবির অর্থনীতি বিভাগ বিসিএস প্রশ্ন ফাঁস করে কোটি টাকার জমি কিনেছেন শাহাদাত আপন মামা কর্তৃক কিশোরী ভাগনীকে ধর্ষণ মামলার পলাতক প্রধান আসামী জগন্নাথ বিশ্বাসকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। ধনবাড়ীতে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি আটক বিপুল পরিমাণে গাঁজাভর্তি ট্রাকসহ ০২শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। বাবুগঞ্জে রাস্তার ভোগান্তিতে পথ চলা বন্ধ শিক্ষার্থীরা চরম দুর্ভোগে। রাজশাহীর বাগমারায় অনলাইন জুয়ার কালো থাবায় নিঃস্ব হচ্ছে তরুণ-যুব সমাজ ফেনী ইউনিভার্সিটিতে গবেষণা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত 

মেয়ের জামাইয়ের পিটুনিতে জ্ঞান হারালো শ্বাশুড়ী

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৯:১৮:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুলাই ২০২৪
  • ১৬০৯ বার পড়া হয়েছে

মেয়ের জামাইয়ের পিটুনিতে জ্ঞান হারালো শ্বাশুড়ী

পেকুয়া  প্রতিনিধি:-
কক্সবাজারের পেকুয়ায় মুঠোফোনে বাড়িতে ডেকে নিয়ে শ্বাশুড়ীকে নিষ্টুরভাবে পিটিয়েছে আপন মেয়ের জামাই। এসময় লোহার রড়ের এলোপাতাড়ি আঘাতে জ্ঞান হারান তিনি। পরে স্থানীয় ইউপির সদস্য ও গ্রাম পুলিশ গিয়ে তাকে মুমুর্ষবস্থায় উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
আহত মহিলার নাম খতিজা বেগম (৫৫)। তিনি উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের মগঘোনা এলাকার শামসুল আলমের স্ত্রী।
মঙ্গলবার (৯ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে সদর ইউনিয়নের পশ্চিম গোঁয়াখালী মাতবর পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
জানাগেছে, আড়াই বছর আগে মাতবর পাড়া এলাকার আব্বাস উদ্দিন এর ছেলে ইউনুসের সাথে মগনামা ইউপির মগঘোনা এলাকার শামসুল আলমের মেয়ে তাসফিয়া আক্তারের বিয়ে হয়। ওই দম্পতির ১বছর বয়সের শিশু সন্তান রয়েছে।
তাসফিয়ার ছোট বোন তানজিনা বলেন, দুপুরের দিকে বাড়িতে একটু সমস্যা হয়েছে বলে দুলাভাই ইউনুস মোবাইল করে মাকে তার বাড়িতে যেতে বলেন। আমি ও আমার মা পেকুয়া সরকারি হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে বোনের বাড়িতে যাই। বাড়িতে পৌঁছার সাথে সাথে বিশ্রি ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে ইউনুস। তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে বাড়ির একটি কক্ষে আটকিয়ে মাকে লাথি, ঘুষি ও লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে ইউনুস ও তার বোন মিলি আক্তার। এসময় থামানোর চেষ্টা করলে আমাকেও চুলের মুঠি ধরে মারধর করে। পুলিশের জরুরী সেবা ৯৯৯ কল করলে বিকেলে মেম্বার ও এলাকাবাসি গিয়ে আমাদের অবরুদ্ধ থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে।
ইউনুসের স্ত্রী তাসফিয়া আক্তার বলেন, যৌতুকের জন্য স্বামী ও শশ্বর বাড়ির লোকজন আমাকে বিয়ের পর থেকে নির্যাতন করে আসছিল। গত ১৫দিনে আমাকে তিন দফা মারধর করে। সকালেও মারধর করে স্বামী ইউনুস। আমার মা ও স্কুল পড়ুয়া ছোট বোনকে বাড়িতে ডেকে এনে অমানবিক মারধর করে ইউনুস ও ননদ মিলি আক্তার। এসময় তাদের মারধরের আঘাতে মা অজ্ঞান হয়ে পড়ে। হাসপাতালে নিতে চাইলে বাধা দেয়।
স্থানীয় ইউপির সদস্য নুরুল আজিম বলেন, থানা থেকে পুলিশ অবগত করলে গ্রাম পুলিশকে নিয়ে মুমুর্ষবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছি। মেয়ের জামাই মারধর করেছে। ঘটনাটি দুঃখজনক।
পেকুয়া থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সাইজ উদ্দিন বলেন, স্থানীয় মেম্বারের মাধ্যমে আহতদের উদ্ধার করা হয়েছে।
আপলোডকারীর তথ্য

Banglar Alo News

hello
জনপ্রিয় সংবাদ

মিরপুরে মোটরসাইকেলের তেলের ট্যাংকের ভেতর ফেনসিডিল সহ আটক-০১

মেয়ের জামাইয়ের পিটুনিতে জ্ঞান হারালো শ্বাশুড়ী

আপডেট সময় ০৯:১৮:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুলাই ২০২৪
পেকুয়া  প্রতিনিধি:-
কক্সবাজারের পেকুয়ায় মুঠোফোনে বাড়িতে ডেকে নিয়ে শ্বাশুড়ীকে নিষ্টুরভাবে পিটিয়েছে আপন মেয়ের জামাই। এসময় লোহার রড়ের এলোপাতাড়ি আঘাতে জ্ঞান হারান তিনি। পরে স্থানীয় ইউপির সদস্য ও গ্রাম পুলিশ গিয়ে তাকে মুমুর্ষবস্থায় উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
আহত মহিলার নাম খতিজা বেগম (৫৫)। তিনি উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের মগঘোনা এলাকার শামসুল আলমের স্ত্রী।
মঙ্গলবার (৯ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে সদর ইউনিয়নের পশ্চিম গোঁয়াখালী মাতবর পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
জানাগেছে, আড়াই বছর আগে মাতবর পাড়া এলাকার আব্বাস উদ্দিন এর ছেলে ইউনুসের সাথে মগনামা ইউপির মগঘোনা এলাকার শামসুল আলমের মেয়ে তাসফিয়া আক্তারের বিয়ে হয়। ওই দম্পতির ১বছর বয়সের শিশু সন্তান রয়েছে।
তাসফিয়ার ছোট বোন তানজিনা বলেন, দুপুরের দিকে বাড়িতে একটু সমস্যা হয়েছে বলে দুলাভাই ইউনুস মোবাইল করে মাকে তার বাড়িতে যেতে বলেন। আমি ও আমার মা পেকুয়া সরকারি হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে বোনের বাড়িতে যাই। বাড়িতে পৌঁছার সাথে সাথে বিশ্রি ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে ইউনুস। তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে বাড়ির একটি কক্ষে আটকিয়ে মাকে লাথি, ঘুষি ও লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে ইউনুস ও তার বোন মিলি আক্তার। এসময় থামানোর চেষ্টা করলে আমাকেও চুলের মুঠি ধরে মারধর করে। পুলিশের জরুরী সেবা ৯৯৯ কল করলে বিকেলে মেম্বার ও এলাকাবাসি গিয়ে আমাদের অবরুদ্ধ থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে।
ইউনুসের স্ত্রী তাসফিয়া আক্তার বলেন, যৌতুকের জন্য স্বামী ও শশ্বর বাড়ির লোকজন আমাকে বিয়ের পর থেকে নির্যাতন করে আসছিল। গত ১৫দিনে আমাকে তিন দফা মারধর করে। সকালেও মারধর করে স্বামী ইউনুস। আমার মা ও স্কুল পড়ুয়া ছোট বোনকে বাড়িতে ডেকে এনে অমানবিক মারধর করে ইউনুস ও ননদ মিলি আক্তার। এসময় তাদের মারধরের আঘাতে মা অজ্ঞান হয়ে পড়ে। হাসপাতালে নিতে চাইলে বাধা দেয়।
স্থানীয় ইউপির সদস্য নুরুল আজিম বলেন, থানা থেকে পুলিশ অবগত করলে গ্রাম পুলিশকে নিয়ে মুমুর্ষবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছি। মেয়ের জামাই মারধর করেছে। ঘটনাটি দুঃখজনক।
পেকুয়া থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সাইজ উদ্দিন বলেন, স্থানীয় মেম্বারের মাধ্যমে আহতদের উদ্ধার করা হয়েছে।