ঢাকা , সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬ , ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রোনান আর মাহিকে নিয়ে কোচের প্রত্যাশা

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : ২০২৬-১০-২৬ ১২:২৩:২৬
রোনান আর মাহিকে নিয়ে কোচের প্রত্যাশা রোনান আর মাহিকে নিয়ে কোচের প্রত্যাশা

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলে এক জন ৯ নম্বর পজিশনের ফুটবলারের সংকট অনেক দিন ধরে। বছরের পর বছর চলে যায় কিন্তু ৯ নম্বর পজিশনের ফুটবলার খুঁজে পাওয়া যায় না। বাফুফের সভাপতি থাকাকালীন কাজী সালাহউদ্দিনকেও আফসোস করতে দেখা যেত। শেখ মো. আসলামের মতো একজন স্ট্রাইকার থাকলে জাতীয় দলের আক্রমণভাগ শক্তিশালী হতো। সাফের জন্য গতকাল অনুশীলন ক্যাম্পে যোগ দিয়েছেন ডাক পাওয়া ফুটবলাররা। কোচ থমাস ঢুলি ৯ নম্বর পজিশন নিয়ে কথা বলেছেন। তার কণ্ঠে স্বস্তি। জাতীয় দলে ৯ নম্বর পজিশনের ফুটবলারের সন্ধান পেয়েছেন তিনি। কথাও বলেছেন।

 

২৮ ফুটবলার প্রাথমিকভাবে ডাক পেয়েছেন। এই তালিকায় রয়েছেন প্রবাসী ফুটবলার রোনান সুলিভান এবং মাহি খান। দুজনকে পেয়ে কথা বলেছেন কোচ থমাস ঢুলি। দুজনই জাতীয় দলে প্রথম। তবে তাদের খেলা দেখেছেন কোচ। সেই হিসাব করে নেওয়া হয়েছে। চূড়ান্ত তালিকায় তারা থাকবেন সেই আভাস দিয়েছেন কোচ নিজেই। সাফের জন্য রোনান সুলিভান এবং মাহি খানের ওপর কঠিন দায়িত্ব দিতে চান কোচ। বুঝিয়ে দিয়েছেন তারকা হওয়ার এটাই দারুণ সুযোগ।

 

কোচ থমাস ঢুলি বলেন, 'আমি বলতে চাই, সবাই জানে যে আমরা এক জন ৯ নম্বর খেলোয়াড় খুঁজছি, কিন্তু আমাদের কোনো ৯ নম্বর খেলোয়াড় নেই। আমরা যেসব খেলোয়াড়কে ৯ নম্বর পজিশনে পরীক্ষা করেছি, তারা যদি আমাদের জন্য সেই পজিশনটি পূরণ করতে পারে, তাহলে ভালো। কিন্তু তারা তা পারছে না। কারণ, ৯ নম্বর খেলোয়াড় বলতে একজন নির্দিষ্ট ধরনের খেলোয়াড়কে বোঝায়। সেন্টার ফরোয়ার্ড হিসেবে তার কিছু নির্দিষ্ট গুণ থাকতে হয়। এমন একজন খেলোয়াড় দরকার, যে গোলরক্ষকের সামনে, ডিফেন্ডারের সামনে গিয়ে বলের নাগাল পাওয়ার জন্য সবার আগে পৌঁছাতে পারে। আপনি কল্পনা করতে পারেন, আপনাকে খেলতে হচ্ছে সবচেয়ে বড়োসড়ো একজন খেলোয়াড়ের বিপক্ষে। এমন একজনের বিপক্ষে, যে আপনাকে আটকাতে হাঁটু, হাত, কনুই-সবকিছু ব্যবহার করতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে আপনার ভয় পেলে চলবে না। যদি আপনি ব্যথা লাগার আশঙ্কা থাকা সত্ত্বেও সেই জায়গায় যেতে ভয় না পান, তাহলে আপনি একজন ৯ নম্বর খেলোয়াড়, একজন সেন্টার ফরোয়ার্ড। কিন্তু আমাদের এমন খেলোয়াড় নেই। রোনান সুলিভান তাদের একজন, মাহি খানও তাদের একজন। তাই ঐ খেলোয়াড়দের আমরা দলে রেখেছি, কারণ আমাদের যে ৯ নম্বর খেলোয়াড়টি ভীষণভাবে প্রয়োজন, সেই পজিশনটি পূরণ করার জন্য তাদের দরকার।' 

 

ইনজুরির কারণে আসিয়ান কাপে খেলতে পারেননি তপু বর্মন। শাকিল আহাদ তপু ছিলেন আসিয়ান কাপে। তার পারফরম্যান্স হতাশ করেছে। শাকিল আহাদ তপুকে বাদ দিয়ে আবার সিনিয়র তপু বর্মনকে দলে নিয়েছেন কোচ। তিনি বলেছেন, 'হ্যাঁ, আমি বলতে চাই, দলে নেই এমন আরও ২২ জন খেলোয়াড় রয়েছে। তাদের কেন দলে রাখা হয়নি, সেটাও আমাদের ভাবতে হবে। আমরা যে ধরনের পারফরম্যান্স চেয়েছিলাম, তার পারফরম্যান্স তেমন ছিল না। আর আমাদের অন্য খেলোয়াড়দেরও সুযোগ দিতে হবে। আমি সব সময় বলি, অনুশীলন ও ম্যাচে পারফরম্যান্সই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যদি সে একজন সেন্টার ফরোয়ার্ড হয় এবং গোল করতে না পারে, তাহলে আমি তাকে বাদ দিব। তুমি গোল করবে, তাহলে পরের বার খেলবে। পরের বার তোমরা খেলবে। একই কথা সেন্টার ব্যাকের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। তুমি যদি অনেক বেশি ভুল করো, যার ফলে প্রতিপক্ষ গোল করে ফেলে, আর অনুশীলনেও তুমি সেটা দেখাতে না পারো, তাহলে আমাকে বলতে হবে, 'দুঃখিত, আমাদের অন্য কাউকে খুঁজতে হবে।'

 



নিউজটি আপডেট করেছেন : News Room 3

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ