দেশে রিক্রুটিং এজেন্সি ৩ হাজার প্লাস, গ্রেডিং করলে বড়জোর ৫০০ টিকবে
দেশে রিক্রুটিং এজেন্সি ৩ হাজার প্লাস, গ্রেডিং করলে বড়জোর ৫০০ টিকবে
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেছেন, বাংলাদেশে প্রায় ৩ হাজারের বেশি রিক্রুটিং এজেন্সি আছে। আমরা চেষ্টা করছি, এজেন্সিগুলোকে একটা ক্যাটাগরিতে নিয়ে আসতে। আমার ধারণা পারফরম্যান্সের (কর্মদক্ষতা) ভিত্তিতে গ্রেডিং করা হলে খুব বেশি টিকবে না। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে রেফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিট (রামরু)-এর ৩০ বছর উদযাপন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের অর্থনীতিতে প্রবাসী শ্রমিকদের যে ভূমিকা প্রকৃত অর্থে সেখানে আমরা রাষ্ট্র হিসেবে তাদেরকে খুব বেশি সুবিধা দিতে পারি নাই এবং এই খাতটাকে আমরা সুশৃঙ্খল করতে পারিনি।
তিনি বলেন, প্রত্যেকটা দেশে কিছু নির্দিষ্ট রিক্রুটিং এজেন্সি থাকে, তারা সেটার জন্য রেসপন্সিবল থাকে। বিদেশে কর্মীরা কোন কাজে যাচ্ছে, তাদের বেতন কত, তাদের কী ধরনের সুযোগ-সুবিধা আছে, এগুলো তারা বলে দেয়। কিন্তু বাংলাদেশের অনেকগুলো রিক্রুটিং এজেন্সি রয়েছে। একটা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো কর্মী পাঠানোর অনুমতি পায়। নুরুল হক বলেন, আমাদের অনলাইন প্রক্রিয়া থাকার পরেও দেখা যায় অনেক এজেন্সি নানান ধরনের অনিয়মের সঙ্গে যুক্ত। অনিয়ম পেলে তাদের লক করে দেওয়া হয়, তারা কোর্টে গিয়ে বিভিন্ন ধরনের লোক ধরে আবার তাদের ব্যবসাটা শুরু করে এবং তারা এই ধারাবাহিক প্রতারণাটা করেই যাচ্ছে। আমরা চেষ্টা করছি এটা ফিক্সড করে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকে একটা ক্যাটাগরির মধ্যে নিয়ে আসতে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে প্রায় ৩ হাজার প্লাস রিক্রুটিং এজেন্সি আছে।
কিন্তু আমার ধারণা, এটাকে যদি একটা গ্রেডিং করা হয় পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে খুব বেশি টিকবে না। নাম্বারে বলতে চাই না। আমার ধারণা একেবারে ৩০০, ৪০০ কিংবা বড়জোর ৫০০ টিকবে। রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকে একটা শৃঙ্খলার মধ্যে নিয়ে আসা না যায়, তাহলে যে সমস্যাগুলোর কথা বলা হচ্ছে সেগুলোর সমাধান করা কঠিন। তবে আমরা চেষ্টা করছি। প্রযুক্তি উন্নয়নের সঙ্গে বাংলাদেশি কর্মীদের প্রস্তুত করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখানকার বিশেষ করে প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং শ্রমবাজারের ধরন যেভাবে পরিবর্তিত হয়েছে, তাতে আমারও সেভাবে যদি আমরা প্রস্তুতি না নিতে পারি, তাহলে আমাদের শ্রমিকরা কিংবা আমাদের অভিবাসীরা অনেক জায়গায় টিকতে পারবে না। প্রবাসী কার্ড চালুর বিষয়ে নুরুল হক
বলেন, আমরা প্রবাসী কার্ড চালু করার জন্য ট্রায়াল শুরু করেছি। জর্ডান, দক্ষিণ কোরিয়া, মধ্যপ্রচ্যেসহ চার-পাঁচটি দেশে এটার ট্রায়াল চলছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন :
[email protected]
কমেন্ট বক্স