ঢাকা , শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬ , ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জ্ঞানেশের বিদায় ও মোদি সরকারের প'ত'ন অনিবার্য, এরপর শুরু হবে গণতন্ত্র মেরামতের কাজ: রাহুল গান্ধী

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : ২০২৬-১০-১০ ১৮:২৩:১১
জ্ঞানেশের বিদায় ও মোদি সরকারের প'ত'ন অনিবার্য, এরপর শুরু হবে গণতন্ত্র মেরামতের কাজ: রাহুল গান্ধী জ্ঞানেশের বিদায় ও মোদি সরকারের পতন অনিবার্য, এরপর শুরু হবে গণতন্ত্র মেরামতের কাজ: রাহুল গান্ধী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং নরেন্দ্র মোদি সরকারের পতন ঘটবে। তারপরই ভারতে গণতন্ত্রের মেরামত শুরু হবে বলে মন্তব্য করেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। শনিবার (১০ অক্টোবর) সামাজিক মাধ্যম এক্সে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের এমপিদের উদ্দেশে দেওয়া একটি ভিডিও বক্তব্য শেয়ার করে রাহুল গান্ধী বলেন, ‘জ্ঞানেশ কুমার ও এই সরকার উভয়কেই বিদায় নিতে হবে, তবেই দেশে গণতন্ত্র আবার ফিরে আসবে।’

 

এর আগে শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সংবিধান সদনের সেন্ট্রাল হলে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের চেয়েও সংকটটি অনেক বড় এবং এর মূল সমাধান লুকিয়ে আছে বর্তমান সরকারের পতনের মধ্যে। বিরোধী দলগুলো যদি গত কয়েক দিনের মতো ঐক্যবদ্ধ চাপ ধরে রাখতে পারে, তবে এ সরকারের বিদায় নিশ্চিত।

 

লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী বলেন, ‘জ্ঞানেশ কুমারের চেয়েও অনেক গভীর সমস্যা আছে। এর জন্য বর্তমান সরকারের পতন প্রয়োজন।’ এটি এমন বিষয় যার জন্য লড়াই করা যায়, জীবন দেওয়া যায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা যদি গত তিন-চার দিনে যেভাবে চাপ সৃষ্টি করেছি, তা বজায় রাখি, তাহলে আমি গ্যারান্টি দিচ্ছি এই সরকার পড়ে যাবে।’ তিনি দাবি করেন, বিরোধীদের এই প্রতিবাদ সরকারের ভিত্তিকে কাঁপিয়ে দিয়েছে। সরকার এখন ভীতসন্ত্রস্ত।

 

এদিকে ভোটার তালিকার এসআইআর কার্যক্রমসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত ও আদেশের বিরুদ্ধে ১০ মাসে অন্তত ১৪ বার দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক জোশির আপত্তি জানানোর বিষয়ে ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর একটি প্রতিবেদন প্রকাশের পর থেকেই নির্বাচন কমিশন বিরোধীদের তীব্র আক্রমণের মুখে পড়েছে। দুই কমিশনারের এই আপত্তির মুখে নির্বাচন কমিশন দাবি করেছে, যেকোনো প্রতিষ্ঠানে ভিন্নমত ও পর্যবেক্ষণ স্বাভাবিক আলোচনার অংশ। তাদের সব আদেশের পূর্ণ আইনি বৈধতা রয়েছে এবং তা প্রতিষ্ঠিত সংবিধিবদ্ধ প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে সরকারের কড়া নিরাপত্তা ও দিল্লিজুড়ে কঠোর বিধিনিষেধের তীব্র সমালোচনা করে কংগ্রেস নেতা কে সি ভেনুগোপাল এক্স-এ এক পোস্টে বলেন, ‘মোদি-শাহ প্রশাসন আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের নিজস্ব জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে।’

 

ভেনুগোপাল আরও বলেন, ‘সব ট্রেন বন্ধ, ৫৭টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ, গণগ্রেপ্তার, লকডাউনে পরিণত হয়েছে দিল্লি, মোতায়েন করা হয়েছে সিআরপিএফ। মোদি-শাহ প্রশাসন আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের নিজস্ব জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। একজন একনায়কের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ অহিংস আন্দোলন ও সত্যাগ্রহকে অত্যন্ত নির্মম ও দমনমূলক কায়দায় গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।’

 



নিউজটি আপডেট করেছেন : News Room 3

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ