ঢাকা , শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যাত্রা শুরু ৩টি ফেরি দিয়ে, এখন রইলো না একটিও

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : ২০২৬-০৯-০৪ ১৫:৫৫:৩৬
যাত্রা শুরু ৩টি ফেরি দিয়ে, এখন রইলো না একটিও যাত্রা শুরু ৩টি ফেরি দিয়ে, এখন রইলো না একটিও
আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:-


বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইং ০৭:০০ পিএম. ৩টি ফেরি দিয়ে যাত্রা শুরু হলেও কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী-রৌমারী নৌপথ এখন ফেরিশূন্য। একে একে ২টি ফেরি সরিয়ে নেওয়ার পর এতদিন এ নৌপথের একমাত্র ভরসা ছিল ‘কদম’। এবার মেরামতের জন্য সেই ফেরিটিও সরিয়ে নেওয়ায় নৌপথটিতে ফেরি চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে।


এতে যানবাহন পারাপার নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন চালক যাত্রীরা। বৃহস্পতিবার (০৩ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে চিলমারী নদীবন্দর ঘাট থেকে ‘কদম’ ফেরিটি নারায়ণগঞ্জের ডকইয়ার্ডের উদ্দেশে সরিয়ে নেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন চিলমারী বন্দরের পোর্ট কর্মকর্তা মোঃ মাহবুব আলম তায়েফ। এর আগে গত ১৪ জুলাই মেরামতের জন্য ‘কুঞ্জলতা’ ফেরিটি সরিয়ে নেওয়া হয়। জানা গেছে, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) উদ্যোগে ২০২৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর ‘কুঞ্জলতা’ ফেরি দিয়ে চিলমারী-রৌমারী নৌপথে ফেরি চলাচল শুরু হয়। একই বছরের ৪ অক্টোবর ‘বেগম সুফিয়া কামাল’ ফেরিটি যুক্ত করা হয়। তবে ধারণক্ষমতা কম হওয়ায় মাত্র ২৫ দিনের মাথায় ২৯ অক্টোবর ফেরিটি সরিয়ে নেওয়া হয়। এরপর ২০২৩ সালের নভেম্বরে ‘কদম’ ফেরিটি যুক্ত হয়।


তখনকুঞ্জলতাকদমফেরি দিয়ে পণ্যবাহীসহ বিভিন্ন যানবাহন পারাপার চলছিল। গত ১৪ জুলাই ‘কুঞ্জলতা’ সরিয়ে নেওয়ার পর ৫১ দিন ধরে একমাত্র ‘কদম’ ফেরি দিয়ে পারাপার চলছিল। এবার সেটিও মেরামতের জন্য সরিয়ে নেওয়ায় নৌপথটি ফেরিশূন্য হয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ আব্দুল করিম বলেন, ‘৩টি ফেরি দিয়ে চালু হলেও এখন একটিও নেই। একটি ফেরি মেরামতে পাঠানো হলে বিকল্প ফেরির ব্যবস্থা করা উচিত ছিল। এতে চিলমারী-রৌমারীর মানুষের দুর্ভোগ বাড়বে।’ এলাকাবাসী মোঃ সাইদুর রহমান বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে নাব্য সংকটে ফেরি চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। এর মধ্যে একের পর এক ফেরি সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। দ্রুত বিকল্প ফেরি না দিলে পণ্য পরিবহন ও মানুষের যাতায়াতে সংকট তৈরি হবে।’ চিলমারী ঘাটে আটকে পড়া ট্রাকচালক মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘ফেরি না থাকলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। এতে সময় ও খরচ দুটোই বাড়ে।’ বিআইডব্লিউটিসির চিলমারী নদীবন্দরের সহকারী প্রকৌশলী (বাণিজ্য) মোঃ আতিক সোহেল আকাশ বলেন, ‘কদম’ ফেরিটি মেরামতের জন্য নারায়ণগঞ্জের ডকইয়ার্ডে পাঠানো হয়েছে। মেরামত শেষে ফেরিটি আবার চিলমারী-রৌমারী নৌপথে ফিরিয়ে আনা হবে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : lifestyledesign847@gmail.com

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ