পরমেশ্বর ভগবান শ্রী কৃষ্ণের জন্মতিথি ও শুভ জন্মাষ্টমী আজ
পরমেশ্বর ভগবান শ্রী কৃষ্ণের জন্মতিথি ও শুভ জন্মাষ্টমী আজ
ডি কে মিন্টু মির্জাগঞ্জ পটুয়াখালী প্রতিনিধি
আজ শুক্রবার ৪ সেপ্টেম্বর পরমেশ্বর ভগবান শ্রী কৃষ্ণের জন্মতিথি ও শুভ জন্মাষ্টমী। শ্রী কৃষ্ণের জন্মাষ্টমী সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে মধ্যরাতে মথুরার কারাগারে দেবকী ও বাসুদেবের ঘরে শ্রী কৃষ্ণের জন্ম হয়। এই দিনটিকে জন্মাষ্টমী বা কৃষ্ণজন্মাষ্টমী হিসেবে পালন করেন সনাতন ধর্মালম্বীরা। শ্রী কৃষ্ণকে বিষ্ণুর অষ্টম অবতার বলা হয়। তিনি ধর্ম স্থাপনের জন্য পৃথিবীতে এসেছিলেন। গীতায় তিনি বলেছেন, ‘যদা যদা হি ধর্মস্য গ্লানির্ভবতি ভারত’। অর্থাৎ যখনই ধর্মের পতন হয়, তখনই তিনি আবির্ভূত হন।
জন্মাষ্টমী শুধু জন্মদিন নয়, এটি সত্য, প্রেম, ন্যায় এবং ভক্তির প্রতীক। কৃষ্ণের লীলা, বাল্যলীলা, গোপীদের সাথে রাসলীলা এবং কুরুক্ষেত্রে অর্জুনকে দেওয়া গীতার উপদেশ আজও মানুষকে পথ দেখায়। দিনটি উপলক্ষে ভক্তরা সারাদিন নির্জলা বা ফলাহার উপবাস করেন। মধ্যরাতে কৃষ্ণের জন্মের পর উপবাস ভাঙা হয়। পূজা ও অর্চনা, মন্দির ও বাড়িতে কৃষ্ণের দোলনা সাজানো হয়। শ্রী কৃষ্ণের বিগ্রহকে স্নান করিয়ে নতুন জামা, ময়ূরপাখা ও বাঁশি দিয়ে সাজানো হয়। ছাপ্পান্ন ভোগ, মাখন, মিশ্রি, তালের বড়া, পায়েস কৃষ্ণকে নিবেদন করা হয়। রাতভর ভাগবত পাঠ, কৃষ্ণলীলা কীর্তন ও ভজন হয়। মির্জাগঞ্জ পূজা উদযাপন ঐক্য ফ্রন্টের সভাপতি বাবুল কর্মকার কালু বলেন, ‘ পরমেশ্বর ভগবান শ্রী কৃষ্ণের জন্মাষ্টমী আমাদের শেখায় অন্যায়ের
বিরুদ্ধে দাঁড়াতে, নিষ্কাম কর্ম করতে এবং সবার মধ্যে প্রেম বিতরণ করতে। কৃষ্ণের বাঁশির সুর মানে শান্তি, আর সুদর্শন চক্র মানে অন্যায়ের প্রতিরোধ। শ্রী কৃষ্ণের জন্মাষ্টমী কেবল একটি ধর্মীয় দিন নয়। এটি মানবতাকে জাগিয়ে তোলার দিন। আসুন এই জন্মাষ্টমীতে আমরা সবাই হিংসা ভুলে, প্রেম ও সত্যের পথে চলার শপথ করি।’
নিউজটি আপডেট করেছেন : lifestyledesign847@gmail.com
কমেন্ট বক্স