ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গ্রে'প্তার থেকে আ'দালত-সবই দ্রু'ত, শুধু তথ্য প্রকাশেই কেন দেরি?

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : ২০২৬-০৯-০৩ ১৮:২৮:০১
গ্রে'প্তার থেকে আ'দালত-সবই দ্রু'ত, শুধু তথ্য প্রকাশেই কেন দেরি? গ্রে'প্তার থেকে আ'দালত-সবই দ্রু'ত, শুধু তথ্য প্রকাশেই কেন দেরি?
কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি


গ্রেপ্তার হয়েছে, ইয়াবা উদ্ধার হয়েছে, মামলা হয়েছে এবং আসামিকে আদালতেও পাঠানো হয়েছে। পুলিশের নিয়মিত অভিযানের একটি ঘটনা হিসেবেই শেষ হওয়ার কথা ছিল বিষয়টি। কিন্তু তথ্য প্রকাশে প্রায় ২৪ ঘণ্টার ব্যবধান এবং একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় কালীগঞ্জে ঘটনাটি নিয়ে তৈরি হয়েছে ভিন্ন আলোচনা। ১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার পর কালীগঞ্জ বাজার এলাকা থেকে মো. ফয়েজ (১৮) নামে এক তরুণকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশের দাবি, তার কাছ থেকে ৩১ পিস ইয়াবা ও নগদ ২ হাজার ৫৩০ টাকা উদ্ধার করা হয়। ফয়েজ কালীগঞ্জ পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মুনশুরপুর গ্রামের মো. আজমিরের ছেলে।


কিন্তু গ্রেপ্তারের দিন থানার স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে পরিচালিত ‘Kaligonj Thana Media Cell’ হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। সাংবাদিকরা নিজেদের উদ্যোগে থানায় যোগাযোগ করেও তখন কাঙ্ক্ষিত তথ্য পাননি বলে অভিযোগ করেন। পরদিন ২ সেপ্টেম্বর রাতে মিডিয়া সেলে তথ্য দেওয়ার পর প্রশ্ন ওঠে, গ্রেপ্তারের পর এতটা সময় তথ্য প্রকাশ না করার কারণ কী? এরই মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে একটি ভিডিও। সেখানে গ্রেপ্তার ফয়েজের মোবাইল ফোনে স্থানীয় কোনো এক নেতার সঙ্গে কথা বলছেন এসআই মো. জাবেদ ওমর। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, কালীগঞ্জ কাঁচাবাজারের ফেরদৌস মার্কেটের সামনে পাকা সড়কে ইয়াবা কেনাবেচার সময় ফয়েজকে আটক করা হয়। অভিযানে ৩১ পিস ইয়াবা ও ২ হাজার ৫৩০ টাকা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) সারণির ১০(ক) ধারায় মামলা হয়েছে। তদন্ত করছেন এসআই মো. কামরুল ইসলাম। এসআই জাবেদ ওমর বলেন, ১ সেপ্টেম্বর রাত ১০টায় ফয়েজকে ৩১ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়। এসআই কামরুল ইসলাম বলেন, আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং অন্য কেউ জড়িত আছে কি না তা তদন্ত করে দেখা হবে। সাংবাদিকদের জানাতে দেরির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘মিস কমিউনিকেশন’ হয়েছে। ওসি মো. জাকির হোসেন বলেন, মিডিয়া সেলে সংবাদ দিতে দেরি হয়েছে।


তবে মামলা আদালতে পাঠানোর কার্যক্রম আগে সম্পন্ন হয়েছে। কালীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সমন্বয় আরও বাড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন। প্রয়োজনে মিডিয়া গ্রুপের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তার দায়িত্ব পরিবর্তনের কথাও জানিয়েছেন তিনি। ফলে মাদক উদ্ধার ও গ্রেপ্তারের বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় এগোলেও তথ্য প্রকাশের সময় নিয়ে তৈরি হওয়া প্রশ্ন এবং ভাইরাল ভিডিওর বিষয়টি এখন আলাদা আলোচনার কেন্দ্রে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : lifestyledesign847@gmail.com

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ