ঢাকা , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ , ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পানি উন্নয়ন বোর্ডের হিসাব সহকারী মনির হোসেনের বিরুদ্ধে ঘুষ দুর্নীতির মাধ্যমে শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : ২০২৬-০৬-০৯ ১৩:১৬:৫৮
পানি উন্নয়ন বোর্ডের হিসাব সহকারী  মনির হোসেনের বিরুদ্ধে ঘুষ দুর্নীতির মাধ্যমে শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ পানি উন্নয়ন বোর্ডের হিসাব সহকারী মনির হোসেনের বিরুদ্ধে ঘুষ দুর্নীতির মাধ্যমে শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ
 
নিজস্ব প্রতিবেদক 
 
পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আলোচনায় আসে নানা অনিয়ম দুর্নীতির গল্প সম্প্রতি আলোচনায় এসেছেগাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ে হিসাব সহকারী মনির হোসেনের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি রেজাউল করিম নামে এক ব্যক্তি ঘুষ দুর্নীতি ভুয়া বিল ভাউচার করে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করে অবৈধ সম্পদ অর্জনের একটি অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), গণমাধ্যম মন্ত্রণালয় গোয়েন্দা সংস্থাসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ প্রেরণ করেছেন।
 
অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয় 
    
 
মোঃ মনির হোসেন বর্তমানে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তর গাইবান্ধায় কর্মরত আছেন। তাঁহার পিতা জনাব মোঃ জহুরুল হক গ্রাম: মদনের পাড়া, ডাকঘর: ভবানীগঞ্জ, উপজেলা ফুলছড়ি , জেলা: গাইবান্ধা একজন দিনমজুর কৃষকবটে মনির হোসেন তিনি অতি কষ্টে বাবার সঙ্গে দিন মজুরীর কাজ করে লেখাপড়া করেছেন। তাহার পারিবারিক অবস্থা  খুবই শোচনীয় ছিলো। তিনি তৎকালীন ফ্যাসিবাদ সরকারের দোষর হওয়ার ফলে ২০২০খ্রি: সালে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডে তদবীর এবং কুটকৌশল অবলম্বন করে চাকুরীতে যোগদান করার প্রায় ৫ (পাঁচ) বছরে ঘুষ দুর্নীতি ভুয়া বিল ভাউচার করে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। এবং
অবৈধ অর্থ দিয়ে  সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। 
 
তিনি অত্যন্ত ধৃত্ত চালাক মানুষ আইনের চোখ ফাঁকি দেওয়ার জন্য অধিকাংশ সম্পদ   তিনি তাঁহার  মা ও বাবার নামে  ক্রয় করেছেন এবং সেগুলো পরে দান পত্র দলিল করে নিয়েছেন। এবং কিছু সম্পদ নিজের নামে ক্রয় করে তার বাবা ও মায়ের নামে দানপত্র করে দিয়েছেন। তাঁহার দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ দ্বারা ক্রয়কৃত জমি ও সম্পদ এখনো তার বাবা ও মা এর নামেইরয়েছে। ইহা ছাড়াও  তিনি তাহার নিজ  আত্মীয়দের নামেও  অনেক জমিক্রয়  করেছেন অনেক জমি জমি বন্ধক রেখেছেন ।তাঁহার নিজ নামে ও নিকট আত্মীয়দের  নামে বিভিন্ন ব্যাংকে কোটি টাকার উপরে ব্যাংক ব্যালেন্স করেছেন বলে জানা যায়। তাহাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে এর সত্যতা পাওয়া যাবে। তিনি দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত টাকা দিয়ে শুধু সম্পদ ক্রয় ও ব্যাংক ব্যালেন্স করেই ক্ষান্ত হননি।তিনি দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত টাকা বৈধ্য করার উদ্দেশ্যে সেই টাকা দিয়ে প্রথমে তার বাবা ও মা এর নামে জমি/সম্পদ ক্রয় করেন এবং প্ের তাহার বাবার নামে থাকা জমি/সম্পদ তাহার নামে দান পত্র করেনেন।
সম্পদ বিবরণীর তালিকায় রয়েছে: 
 
মোঃ মনির হোসেন দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিতটাকা দিয়ে গাইবান্ধা জেলার মদনের পাড়া এলাকায় একটি বিলাসবহুল পার্ক ৭-৮কোটি টাকা খরচ করে ক্রয়  করেছেন। তিনি অত্যান্ত চতুর ব্যাক্তি হয়ার কারনে উক্ত পার্কের আংশিক জমি তিনি নিজ নামে ক্রয় করেন এবং দুর্নীতির টাকা দিয়ে তার বাবাকে ঐ এলাকায় অন্য জমি ক্রয় করে দেন। সেই জমির পরিবর্তে তার দুর্নীতিকে আড়াল করতে বাবার নামের জমি নিজের নামে হেবা করে নেয় এবং বাবার জমি নিজ টাকা দিয়ে ক্রয় করে নিজ নাম হেবা করে নেন। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৯-১০ (নয় থেকে দশ) কোটি টাকা।
 
দলিল নং ১৩২৯৬/২০২৩ তারিখ: ০৩/১২/২০২৩খ্রি: মুলে গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলাধীন পূর্ব ছাপরহাটি এলাকায় ৩৩ শতাংশ জমি ক্রয় করেন যাহার দলিলের মূল্য= ৩৩,০০০০০/= তেত্রিশ লক্ষ টাকা ইহার বর্তমান বাজার মূল্য ৬৬,০০০০০/= ছেষট্টি লক্ষ টাকা। (দলিলের কপি সংযুক্ত)।
৩। জনাব মোঃ মনির হোসেন দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিতটাকা দিয়ে দলিল নং ১৭৯১/২৩ তারিখ: ২৯/০৮/২০২৩খ্রি:মুলে গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলাধীন মদনের পাড়া এলাকায় ২১.৭৫ একুশ দশমিক সাত পাঁচ শতাংশ জমি ক্রয় করেন যাহার দলিলের মূল্য= ২১,৭৫০০০/= একুশ লক্ষ পচাত্তর হাজার টাকা ইহার বর্তমান বাজার মূল্য ৬৫,০০০০০/= পয়ষট্টি লক্ষ টাকা।
 
প্রথমে তার বাবার নামে ক্রয় করেন/অন্যত্র ক্রয় করেন পরে তাহার নামে হেবা দলিল করে নেন দলিল নং ১৬৯৫/২৩ তারিখ: ২২/০৮/২০২৩খ্রি:মুলে গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলাধীন মদনের পাড়া এলাকায় ২১.৭৫ শতাংশ জমি ক্রয় করেন যাহার দলিলের মূল্য= ২১,৭৫,০০০/= একুশ লক্ষ পচাত্তর হাজার টাকা ইহার বর্তমান বাজার মূল্য ৫০,০০০০০/= পঞ্চাশ লক্ষ টাকা। 
 
দলিল নং ২১৩৪/২৩ তারিখ: ০৭/১১/২০২৩খ্রি:মুলে গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলাধীন মদনের পাড়া এলাকায় ১৩.৭৫ তের দশমিক সাত পাঁচ শতাংশ জমি ক্রয় করেন যাহার দলিলের মূল্য= ১৩,৭৫০০০/= তের লক্ষ পচাত্তর হাজার টাকা ইহার বর্তমান বাজার মূল্য ৪২,০০০০০/= বিয়াল্লিশ লক্ষ টাকা।
 
দলিল নং ১২০২/২৩ তারিখ: ২০/০৬/২০২৩খ্রি:মুলে গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলাধীন মদনের পাড়া এলাকায় ৪২ বিয়াল্লিশ শতাংশ জমি ক্রয় করেন যাহার দলিলের মূল্য= ১০,৫০০০০/= দশ লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা ইহার বর্তমান বাজার মূল্য ৪২,০০০০০/= বিয়াল্লিশ লক্ষ টাকা। 
 
দলিল নং ২১৩৫/২৩ তারিখ: ০৭/১১/২০২৩খ্রি:মুলে গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলাধীন মদনের পাড়া এলাকায় ৮ আট শতাংশ জমি ক্রয় করেন যাহার দলিলের মূল্য= ৮,০০০০০/= আট লক্ষ টাকা ইহার বর্তমান বাজার মূল্য ৪,০০০০০/= চল্লিশ লক্ষ টাকা।
 
দলিল নং ১৮৩৮/২১ তারিখ: ১৯/১০/২০২১খ্রি:মুলে গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলাধীন মদনের পাড়া এলাকায় ৫ পাঁচ শতাংশ জমি ক্রয় করেন যাহার দলিলের মূল্য= ২,০০০০০/= দুই লক্ষ টাকা ইহার বর্তমান বাজার মূল্য ২০,০০০০০/= বিশ লক্ষ টাকা।
 
 দলিল নং ১৫২৭/২৩ তারিখ: ০১/০৮/২০২৩খ্রি:মুলে গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলাধীন মদনের পাড় এলাকায় ১.২৫ শতাংশ জমি ক্রয় করেন যাহার দলিলের মূল্য= ৫০০০০/= পঞ্চাশ হাজার টাকা ইহার বর্তমান বাজার মূল্য ৫০০০০০/= পাঁচ লক্ষ টাকা। 
 
দলিল নং ১৩২৯/২৩ তারিখ: ১৮/০৭/২০২৩খ্রি:মুলে গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলাধীন মদনের পাড়া এলাকায় ১.২৫ শতাংশ জমি ক্রয় করেন যাহার দলিলের মূল্য= ৫০০০০/= পঞ্চাশ হাজার টাকা ইহার বর্তমান বাজার মূল্য ৫০০০০০/= পাঁচ লক্ষ টাকা। 
 
প্রথমে তার বাবার নামে অন্যত্র জমি ক্রয় করেন পরে তার বাবার জমি তার নামে দান পত্র করেন দলিল নং ২১৫৭/২১ তারিখ: ১৭/০২/২০২৬খ্রি:মুলে গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলাধীন মদনের পাড়া এলাকায় ৮ আট শতাংশ জমি ক্রয় করেন যাহার দলিলের মূল্য= ১৬,০০০০০/= ষোল লক্ষ টাকা ইহার বর্তমান বাজার মূল্য ৪০,০০০০০/= চল্লিশ লক্ষ টাকা। 
 
প্রথমে তার বাবার নামে ক্রয় করেন পরে তাহার নামে হেবা দলিল করে নেন দলিল নং ১৭৯০/২৩ তারিখ: ২৯/০৮/২০২৩খ্রি:মুলে গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলাধীন মদনের পাড়া এলাকায় ১৩.৭৫ তের দশমিক সাতপাঁচ শতাংশ জমি ক্রয় করেন যাহার দলিলের মূল্য= ১৩,৭৫০০০/= তের লক্ষ পচাত্তর হাজার টাকা ইহার বর্তমান বাজার মূল্য ৫২,০০০০০/= বায়ান্ন লক্ষ টাকা।
 
 দলিল নং ৫৮৫৪/২০২৪ তারিখ: ০৮/০৯/২০২৪খ্রি: মুলে গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলাধীন পূর্ব ছাপরহাটি এলাকায় ১২ শতাংশ জমি প্রথমে তার  নিজ নামে ক্রয় করেন পরে তার মা মোছাঃ লাইজু বেগম এর নামে হেবা করে দেন যাহার দলিলের মূল্য= ১২,০০০০০/= বারো লক্ষ টাকা ইহার বর্তমান বাজার মূল্য ২৪,০০০০০/= চব্বিশ লক্ষ টাকা।
 
 দলিল নং ১৭৮৪/২১ তারিখ: ১২/১০/২০২১খ্রি:মুলে গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলাধীন মদনের পাড়া এলাকায় ৫ পাঁচ শতাংশ জমি ক্রয় করেন যাহার দলিলের মূল্য= ৫,০০০০০/= পাঁচ লক্ষ টাকা ইহার বর্তমান বাজার মূল্য ২৫,০০০০০/= পঁচিশ লক্ষ টাকা।
 
জনাব মোঃ মনির হোসেন দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিতটাকা প্রথমে নিজের নামে ক্রয় করেন পরে তার ২য় স্ত্রী মোছাঃ নিশাত রিমাকে হেবা দলিল করে দেনদলিল নং ৯৮৪ তারিখ: ১৬/০৭/২০২৪খ্রি:মুলে গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলাধীন মদনের পাড়া এলাকায় ১৪ শতাংশ জমি ক্রয় করেন যাহার দলিলের মূল্য= ৫,০০০০০/= পাঁচ লক্ষ টাকা ইহার বর্তমান বাজার মূল্য ৫০,০০০০০/= পঞ্চাশ লক্ষ টাকা।
 
তার মাতা মোছাঃ লাইজু বেগম এর নামে হেবা দলিল করে দেন দলিল নং ১৭৮০/২৪ তারিখ: ০৯/০৯/২০২৪খ্রি:মুলে গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলাধীন মদনের পাড়া এলাকায় ৯০.৫০ নব্বই দশমিক পাঁচশূন্য শতাংশ জমি ক্রয় করেন যাহার দলিলের মূল্য= ৯০,০০০০০/= নব্বই লক্ষ টাকা ইহার বর্তমান বাজার মূল্য ১,৮০,০০০০০/= এক কোটি আশি লক্ষ টাকা।
 
প্রথমে তাঁহার নিজের নামে ক্রয় করেন পরে তাঁহার তৃতীয় স্ত্রী মোছাঃ নাসরিন সুলতানা এর নামে হেবা দলিল করে  দেন দলিল নং ১৪৬৪/২৫ তারিখ: ০৩/০৯/২০২৫খ্রি:মুলে গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলাধীন মদনের পাড়া এলাকায় ৪২ শতাংশ জমি ক্রয় করেন যাহার দলিলের মূল্য= ২,০০,০০০০০/= দুই কোটি টাকা ইহার বর্তমান বাজার মূল্য ৩,৫০,০০০০০/= তিন কোটি পঞ্চাশ লক্ষ টাকা।
 
তার মা মোছাঃ লাইজু বেগম এর নামে ক্রয় করেন পরে তাঁহার নিজের নামে হেবা দলিল করে  নেন দলিল নং ৩৮ তারিখ: ১৩/০১/২০২৫খ্রি:মুলে গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলাধীন মদনের পাড়া এলাকায় ৩৪.৫০ শতাংশ জমি ক্রয় করেন যাহার দলিলের মূল্য= ৭০,০০০০০/= সত্তর লক্ষ টাকা ইহার বর্তমান বাজার মূল্য ১,৪০,০০০০০/= এক কোটি চল্লিশ লক্ষ টাকা।
 
তাঁহার তৃতীয় স্ত্রী মোছাঃ নাসরিন সুলতানা এর নামে ক্রয় করেন পরে  মোঃ মনির হোসেনকে হেবা করে দেন  দলিল নং ১৮৮৬ তারিখ: ০৩/১১/২০২৫খ্রি:মুলে গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলাধীন মদনের পাড়া এলাকায় ৪২ শতাংশ জমি ক্রয় করেন যাহার দলিলের মূল্য= ২,০০,০০০০০/= দুই কোটি টাকা ইহার বর্তমান বাজার মূল্য ৩,৫০,০০০০০/= তিন কোটি পঞ্চাশ লক্ষ টাকা। 
 
তাঁহার নিজের নামে ক্রয় করেন পরে তাঁহার তৃতীয় স্ত্রী মোছাঃ নাসরিন সুলতানা এর নামে হেবা দলিল করে  দেন দলিল নং ২৮৬ তারিখ: ১১/০২/২০২৫খ্রি:মুলে গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলাধীন মদনের পাড়া এলাকায় ৪২ শতাংশ জমি ক্রয় করেন যাহার দলিলের মূল্য= ২,০০,০০০০০/= দুই কোটি টাকা ইহার বর্তমান বাজার মূল্য ৩,৫০,০০০০০/= তিন কোটি পঞ্চাশ লক্ষ টাকা। 
 
তাঁহার নিজের নামে ক্রয় করেন পরে তাঁহার তৃতীয় স্ত্রী মোছাঃ নাসরিন সুলতানা এর নামে হেবা দলিল করে দেন  দলিল নং ১৮৬৫/২৫ তারিখ: ০৫/১১/২০২৫খ্রি:মুলে গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলাধীন মদনের পাড়া এলাকায় ১০ শতাংশ জমি ক্রয় করেন যাহার দলিলের মূল্য= ৪০,০০০০০/= চল্লিশ লক্ষ টাকা ইহার বর্তমান বাজার মূল্য ৮০,০০০০০/= আশি লক্ষ  টাকা। 
 
ইহা ছাড়াও বিশস্ত সূত্রে জানা যায় যে, তিনি বগুড়া জেলার উপ-শহর এলাকায় বিলাশ বহুল ফ্লাট  ক্রয় করেছেন যার বর্তমান বাজার মূল্য ১,৫০,০০০০০ (এক কোটি পঞ্চাশ লক্ষ টাকা)।
 
বগুড়া জেলার উপ-শহর এলাকায় প্রায় ১০ শতাংশ জমি ক্রয় করেছেন যার বর্তমান বাজার মূল্য ১,২০,০০০০০ (এক কোটি বিশ লক্ষ) টাকা।
 
গাইবান্ধা জেলার পৌরসভার ভিতরে ৭ (সাত) শতাংশ জমি ক্রয় করেছেন যার বর্তমান বাজার মূল্য ৯০,০০০০০ (নব্বই) লক্ষ টাকা।
 
জনতা ব্যাংক কালির বাজার শাখায় ও গাইবান্ধা ব্রীজ রোড শাখায় তার কোটি টাকার উপরে লেনদেনসহ ২৫,০০০০০ (পচিশ) লক্ষ টাকার আছে। 
 
সোনালী ব্যাংক কালির বাজার শাখা এবং গাইবান্ধা পুরান বজার শাখায় তার প্রায় কোটি টাকার লেনদেন আছে।
 
 
 ন্যাশনাল ব্যাংক এ তাহার কালির বাজার শাখা এবং গাইবান্ধা শাখায় তার প্রায় কোটি টকার লেনদেন সহ ২০,০০০০০(বিশ) লক্ষ টাকার ঋউজ আছে।
 
জনতা ব্যাংক মোহাম্মদপুর ঢাকা শাখায় তার কোটি টাকার উপরে লেনদেনসহ ৫০,০০০০০ (পঞ্চাশ) লক্ষ টাকার ঋউজ আছে। 
 
সোনালী ব্যাংক কুড়িল ঢাকা শাখায় তার তার কোটি টাকার উপরে লেনদেনসহ ৫০,০০০০০ (পঞ্চাশ) লক্ষ টাকার ঋউজ আছে। 
 
জনতা ব্যাংক শনির আখড়া ঢাকা শাখায় তার কোটি টাকার উপরে লেনদেনসহ ৫০,০০০০০ (পঞ্চাশ) লক্ষ টাকার ঋউজ আছে। 
 
উপরে উল্লেখিত ক্রয় কি তো সকল জমির দলিলের কপি সংযুক্ত করে দেওয়া হয়েছে অভিযোগ পত্রের সাথে। এ ছাড়াও তাহার দুর্নীতির অর্থ দ্বারা তাহার ক্রয়কৃত আরও স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি আছে যাহা তদন্ত করলে এর সত্যতা বেরিয়ে যাবে।
 
তিনি অত্যন্ত চালাক হওয়ার প্রেক্ষিতে তাহার চাচাতো ভাই  মোঃ ইব্রাহিম এর নামে ডাচ বাংলা ব্যাংকে একাউন্ট খুলে তার একাউন্টের মাধ্যমেকোটি টাকার উপরে লেনদেন করেছেন (ব্যাংক স্টেটমেন চেক করলে সত্যতা পাওয়া যাবে)। ডাচ বাংলা ব্যাংক কালির বাজার শাখায় কোটি টাকার লেনদেনআছে। 
 
 
 
মোঃ মনির হোসেন তাহার বাড়ীর পাশের একজন মাদ্রাসার হুজুর ও তাহার  নামের সঙ্গে মিলে একই নাম হওয়ার প্রেক্ষিতে তাহার নামে অর্থাৎ জনাব মোঃ মনির হোসেন নামে একাধিক ব্যাংকে একাউন্ট খুলে তাহার দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত কোটি টাকার উপরে হুজুরের একাউন্টে লেনদেন করেছেন। যাহা তদন্ত করলে সত্যতা পাওয়া যাবে।
 
জনতা ব্যাংক পিএলসি, সোনালী ব্যাংক,গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলাধীন কালির বাজার শাখায় তার কোটি টাকার উপরে লেনদেআছে।
 
 
 
অভিযোগের তালিকায় আরো আছে মনির হোসেন  তাহার ০২ (দুই) জন নিকট আত্মীয়  মোঃ সাইদার (নানা বলে ডাকেন) তিনি ও মোঃ ফারুক গাজী বাংলাদেশ সচিবালয়ে চাকুরী করেন বিধায় তাহাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিভিন্ন কুটকৌশল অবলম্বন করে বিভিন্ন ব্যাক্তিকে নিয়ম বহির্ভূত ভাবে চাকুরী দিয়েছেন এবং সেখান থেকে প্রায় ৫-৬ কোটি টাকার উপার্জন করেছেন।
 
নিজের এলাকা গাইবান্ধায় বিভিন্ন লোকজনকে চাকরি দেওয়ার নামে পাঁচ থেকে ১০ লাখ টাকা করে নিয়েছেন। আবার অনেকের চাকরি না হওয়ার পরও তাদের অর্থ ফেরত দেননি বিভিন্ন ভয়-ভীতি প্রদর্শন করেন তাদেরকে।
 
 
সরকারি চাকুরী দেয়ার নাম করে ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে ব্যংক এর ব্ল্যাংক চেক ও নগদ অর্থগ্রহণ করেছেন কয়েক শত ব্যক্তির কাছ থেকে।
 
 
হিসাব সহকারী মোঃ মনির হোসেনের ব্যক্তি জীবন নিয়েও রয়েছে নানা বিতর্ক।
 
তিনি এ পর্যন্ত ৩ (তিন) টি বিয়ে করেছেন।  প্রথম বিয়ে করেছিলেন গাইবান্ধা জেলার বল্লঝার ইউনিয়নের কাজল ঢোপ গ্রামে মহসিন আলীর মেয়ে মোছাঃ ইতি আক্তারকে সেই স্ত্রীকে তিনি জোর পূর্বক তালাক প্রদান করেছেন।
 
পরবর্তীতে তিনি ২য় বার আবারও বিয়ে করেন গাইবান্ধা জেলার  সুন্দরগঞ্জ উপজেলার রেজাউল করিম এর মেয়েকে বিয়ে করেন। তার ২য় স্ত্রী মোছাঃ নিশাত রিমা  পিতা: মোঃ রেজাউল করিম, মাতা মোছাঃ সুরাইয়া বেগম, গ্রাম: পূর্ব বৈদ্যনাথ, ডাকঘড়: সোনারায়উপজেলা সুন্দরগঞ্জ, জেলা: গাইবান্ধা। তার ২য় স্ত্রী মোছাঃ নিশাত রিমা বেগম রোকেয়া ইউনিভার্সিটি রংপুর এ বর্তমানে মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন ।
 
তিনি তাহার ২য় স্ত্রীকে রেখেই গাইবান্ধা জেলার উত্তর ফলিয়া এলাকার জনাব মোঃ দেলোয়ার হোসেন এর মেয়ে ২(দুই) সন্তানের জননীকে বিভিন্ন ভাবে ফুসলিয়ে তার সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে তোলেন এক পর্যায়ে সেই মেয়ের ১ (এক) টি ৫(পাঁচ) বৎসর এর কন্যা সন্তান এবং ১ (এক)টি ১১ (এগারো) বৎসর এর ছেলে সন্তান রেখে সুখের সংসার ভেঙ্গে দিয়ে তাহাকে বিভিন্ন ভাবে ব্ল্যাক মেইল করে ২টি সন্তান রেখেই মোছাঃ নাসরিন সুলতানাকে নিয়ে পালিয়ে যান এবং এক পর্যায় তাহাকে তৃতীয় স্ত্রী হিসাবে বিয়ে করেন।
 
তাহার ভার্সিটি পড়ুয়া দ্বিতীয় স্ত্রী থাকা অবস্থায় তিনি ২০২৫খ্রি: সালে তৃতীয় বিয়ে করেন। ইহাতে প্রতীয়মান হয় যে, সে একজন নারী লোভী। তার বর্তমান বয়স প্রায় ৩৪ বৎসর এই ৩৪ বৎসর বয়সের মধ্যেই তিনি ৩ (তিন)টি বিয়ে করেছেন। তিনি ২য় স্ত্রী রেখে ৩য় বিয়ে করার কারনে তার ২য় স্ত্রী তার নামে রংপুর দায়রা জজ আদালতে মামলা করেছেন মামলা নং সিপি-৬৮৯/২৫ বর্তমানে চলমান আছে।
 
 
জনতা ব্যাংক পিএলসি, চট্রোগ্রাম হাটহাজারী শাখায় তার কোটি টাকার উপরে লেনদেনসহ ৫০,০০০০০ (পঞ্চাশ) লক্ষ টাকা আছে। 
 
সোনালী ব্যাংক পিএলসি, বান্দরবান থানচি শাখায় তার কোটি টাকার উপরে লেনদেনসহ ৫০,০০০০০ (পঞ্চাশ) লক্ষ টাকা আছে। 
 
এই দুর্নীতি বাজ নারী লোভী জনাব মনির হোসেন যে স্টেশনেই চাকুরী করতে যান সেখানে সবাইকে অকপটে বলেন যে, আমি চাকুরী দিবো আপনাদের লোক থাকলে আমাকে তাহার বায়োডাটা ও সার্টিফিকেট দেন আমার মন্ত্রনালয়ে লোক আছে আমি চাকুরী দিবো। তাই তার বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে একজন সচেতন নাগরিক যথাযথ আইনি ব্যাবস্থা গ্রহন করার জন্য অনুরোধ করা হলো।
 
একাধিক বিবাহের তথ্যের সত্যতা জানতে তার দ্বিতীয় স্ত্রী নিশাত রিমার কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমাকে বিয়ে করে আমার বাবার কাছ থেকে কয়েক লক্ষ টাকা যৌতুক দিয়েছেন এবং আমার অনুমতি না নিয়ে তৃতীয় বিয়ে করেছেন এবং আমাকে ডিভোর্স না দিয়ে ঘর থেকে বের করে দিয়েছেন ও আমার দেনমোহরের টাকা পরিশোধ করেননি টাকা চাইতে গেলে আমাকে উল্টো বিভিন্ন ধরনের হুমকি প্রদান করেন, মনির হোসেন একজন নিকৃষ্ট মানের লোক তাই আমি বাধ্য হয়ে আদালতের কাছে গিয়েছি এবং তার সকল অপকর্মের বিচার করে তার কে কঠোর শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান।
 
গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ শরিফুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন অভিযোগ পেয়েছি এবং তার কাছে অফিশিয়াল ভাবে ব্যাখ্যা চেয়েছি ও তিনি আমাদের ব্যাখ্যা দিয়েছেন এবং সেটা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রেরণ করেছি।
 
অভিযোগের বিষয়ে গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশল কার্যালয়ের  হিসাব সহকারী মোঃ মনির হোসেন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন সব অভিযোগ  মিথ্যা।

নিউজটি আপডেট করেছেন : lifestyledesign847@gmail.com

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ