খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় : দক্ষিণাঞ্চলের কৃষি শিক্ষায় নতুন সম্ভাবনার নাম
খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় : দক্ষিণাঞ্চলের কৃষি শিক্ষায় নতুন সম্ভাবনার নাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
খুলনার প্রাণকেন্দ্রে গড়ে ওঠা "খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়"বর্তমানে দেশের কৃষিশিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। ২০১৫ সালের ১৪ জুলাই জাতীয় সংসদে পাসকৃত আইনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত এ বিশ্ববিদ্যালয় দক্ষিণাঞ্চলের প্রথম এবং বাংলাদেশের পঞ্চম পাবলিক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে যাত্রা শুরু করে। ২০১৮ সালে একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকেই প্রতিষ্ঠানটি কৃষি, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ ও কৃষি প্রযুক্তি শিক্ষায় দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
বিশ্ববিদ্যালয়টির মূল লক্ষ্য হলো আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি শিক্ষা বিস্তারের মাধ্যমে “স্মার্ট বাংলাদেশ” গঠনে অবদান রাখা। বর্তমানে এখানে পাঁচটি অনুষদের অধীনে বিভিন্ন বিভাগে স্নাতক পর্যায়ে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। অনুষদগুলো হলো ভেটেরিনারি, অ্যানিমেল অ্যান্ড বায়োমেডিক্যাল সায়েন্সেস; এগ্রিকালচার; ফিশারিজ অ্যান্ড ওশান সায়েন্সেস; এগ্রিকালচারাল ইকোনমিক্স অ্যান্ড এগ্রিবিজনেস স্টাডিজ; এবং এগ্রিকালচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদে এগ্রোনমি, মৃত্তিকা বিজ্ঞান, উদ্যানতত্ত্ব, কৃষি সম্প্রসারণ ও বায়োকেমিস্ট্রির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ রয়েছে। পাশাপাশি ফিশারিজ ও ওশান সায়েন্সেস অনুষদ দেশের সামুদ্রিক সম্পদ ও মৎস্য গবেষণায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে ।তবে মাস্টার্স ও গবেষণা এখনো ঠিকমতো চালু না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে কিছুটা অসন্তুষ্টি প্রকাশ পেয়েছে।
শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের গবেষণা, উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ইতোমধ্যেই দেশের উচ্চশিক্ষা অঙ্গনে বিশেষ পরিচিতি লাভ করেছে। কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে এ বিশ্ববিদ্যালয় ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
নিউজটি আপডেট করেছেন : nafizhasan889900@gmail.com
কমেন্ট বক্স