দুর্গাপুর ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়ন করার অঙ্গীকার:জনপ্রিয়তার শীর্ষে ইন্জিনিয়ার মকসুদার রহমান মিঠু
দুর্গাপুর ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়ন করার অঙ্গীকার:জনপ্রিয়তার শীর্ষে ইন্জিনিয়ার মকসুদার রহমান মিঠু
রুবেল হোসাইন সংগ্রাম,রংপুর:
মহীয়সী নারী বেগম রোকেয়ার পুণ্যভূমি ও উত্তরবঙ্গের অন্যতম প্রবেশদ্বার মিঠাপুকুর। এই উপজেলার ১৭টি ইউনিয়নের মধ্যে আয়তন, জনসংখ্যা এবং রাজনৈতিক গুরুত্বে সবচেয়ে প্রভাবশালী হলো ১৪ নম্বর দুর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদ। ৩৩টি গ্রাম, ৯টি ওয়ার্ড এবং প্রায় ৪৪ হাজার ভোটারের এই বিশাল জনপদ এখন আসন্ন নির্বাচনী উত্তাপে মুখরিত। আর এই জনপদের প্রতিটি মোড়ে, চায়ের আড্ডায় এবং সাধারণ মানুষের মুখে আস্থার প্রতীক হিসেবে একটি নামই বারবার উচ্চারিত হচ্ছে— ইঞ্জিনিয়ার মুহ: মকছুদার রহমান মিঠু।
মিঠু দুর্গাপুর ইউনিয়নের ধলার পাড়া গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন। তিনি মরহুম মিনহাজ উদ্দিন পন্ডিতের নাতি এবং প্রথিতযশা শিক্ষক মরহুম মমতাজ উদ্দিন মাস্টারের সুযোগ্য সন্তান। পেশাগত জীবনে তিনি একজন অত্যন্ত সফল প্রকৌশলী। দেশের আবাসন খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেড, ডোম-ইনো ডেভলপমেন্ট লিমিটেড এবং আমিন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশন লিমিটেডের মতো নামকরা প্রতিষ্ঠানে অত্যন্ত সততার সাথে প্রকৌশলীর দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
বর্তমানে তিনি শঠিবাড়ীস্থ 'ড্রিম প্লাস ফিলিং স্টেশন লিমিটেড'-এর চেয়ারম্যান এবং একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ও সফল ঠিকাদার। এছাড়া সামাজিক ও মানবিক সেবার উদ্দেশ্যে তিনি 'এপেক্স ক্লাব অফ মতিঝিল'-এর ২০২৫ মেয়াদের প্রেসিডেন্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
সাবেক এই ছাত্রনেতা রাজনীতির মাঠ ছাড়িয়ে ঠাঁই করে নিয়েছেন মানুষের হৃদয়ে। বর্তমানে তিনি জিয়া মঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (রংপুর বিভাগ) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে পদ-পদবির চেয়েও তার বড় পরিচয় তিনি একজন 'মানবিক মানুষ'।
তিনি দুর্গাপুর ইউনিয়নের পিছিয়ে পড়া সাধারণ মানুষেরর জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহন করেছেন। মসজিদ, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তার নিয়মিত অনুদান ইউনিয়নের চিত্র বদলে দিচ্ছে। করোনা কালীন প্রায় ১০ (দশহাজার) মানুষকে আর্থিক ও সুরক্ষা সহায়তা প্রদান করে সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। নিজ ইউনিয়নের মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রতি ঈদে (মিঠুর ভালোবাসা) নামে ঈদ উপহার দেন। এই উপহারের মধ্যে দারিদ্র্য, অসহায় মানুষকে শাড়ি কাপড়, লুঙ্গি, সেমাই চিনি বিতরণ করা হয়। এছাড়াও কন্যা দায়গ্রস্ত দরিদ্র পিতামাতার পাশে দাঁড়ানো এবং এলাকায় বেকারদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে তিনি নিজেকে 'গরিবের বন্ধু' হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
ইঞ্জিনিয়ার মকছুদার রহমান মিঠু বিশ্বাস করেন, তরুণরাই আগামী দিনের কারিগর। তাই সমাজকে মাদকমুক্ত করতে তিনি পাড়ায় পাড়ায় তরুণ ও যুবকদের খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার এক নীরব বিপ্লব শুরু করেছেন। নিয়মিত প্রচার-প্রচারণা এবং ব্যক্তিগত অর্থায়নে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করে তিনি যুবসমাজের আইকন হয়ে উঠেছেন।
সাধারণ মানুষের মাঝে তাকে নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ। স্থানীয় এক প্রবীণ ভোটার বলেন, "আমাদের এই বিশাল ইউনিয়নে এমন একজন শিক্ষিত ও অভিজ্ঞ মানুষের প্রয়োজন, যার প্রশাসনিক জ্ঞান আছে এবং যিনি মানুষের দুঃখ বোঝেন। মিঠু ভাই সেই যোগ্য নেতা।"
নিজের লক্ষ্য সম্পর্কে ইন্জিনিয়ার মুহ: মকসুদার রহমান মিঠু দৃঢ়কণ্ঠে বলেন—"আমি এই ইউনিয়নকে কেবল কাগজে-কলমে নয়, বাস্তবে একটি আদর্শ 'মডেল ইউনিয়ন' হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময়কালীন ক্যান্টনমেন্ট বাসায় দায়িত্ব পালনের যে অভিজ্ঞতা এবং পেশাগত জীবনে ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে আমার যে কারিগরি জ্ঞান— এই সবটুকুই আমি বিলিয়ে দিতে চাই আমার জন্মভূমির উন্নয়নে। আমার নিজের আর কিছু পাওয়ার নেই; আমি চাই আমার ইউনিয়নের মানুষ সুখে থাকুক, শান্তিতে থাকুক এবং একজন প্রকৃত অভিভাবক খুঁজে পাক।"
চায়ের দোকান থেকে পাড়া মহল্লায় সর্বত্রই আলোচনার তুঙ্গে-বর্তমান প্রেক্ষাপটে দলমত নির্বিশেষে দুর্গাপুর ইউনিয়নে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে রয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার মিঠু। মানবিক কাজে সম্পৃক্ততার গল্প এখন ইউনিয়নের ৪৪ হাজার মানুষের মুখে মুখে। স্বচ্ছ ভাবমূর্তি, উচ্চশিক্ষা এবং নিরহংকারী স্বভাবের কারণে সাধারণ মানুষ তাকে আগামী দিনে দুর্গাপুর ইউনিয়নের কাণ্ডারি হিসেবে দেখতে চায়।
একটি আধুনিক, নিরাপদ এবং সমৃদ্ধশালী দুর্গাপুর বিনির্মাণে ইঞ্জিনিয়ার মুহ: মকছুদার রহমান মিঠুই এখন ইউনিয়নের প্রধান ভরসার স্থল।
নিউজটি আপডেট করেছেন :
[email protected]
কমেন্ট বক্স