নিজস্ব প্রতিবেদক
দিনাজপুরে র্যাব-১৩ এর পৃথক অভিযানে ৩৯৩ বোতল এসকাফ, ২৩৪ বোতল আরসিকাফ+, ৩১৭ বোতল ফেনসিগ্রীপ এবং ১৬৯ বোতল (ফেয়ারডিল) সহ মোট ১১১৩ বোতল ফেনসিডিল জাতীয় অবৈধ মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ ০১ জন গ্রেফতার।
'বাংলাদেশ আমার অহংকার'-এই মূলমন্ত্রকে বুকে ধারণ করে এলিট ফোর্স র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন সর্বগ্রাসী মাদকের বিরুদ্ধে নিয়মিতভাবে সর্বাত্মক অভিযান পরিচালনা করে আসছে। মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে র্যাবের প্রতিটি সদস্য সর্বোচ্চ আন্তরিকতা এবং পেশাদারিত্বের সাথে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
র্যাবের চলমান এই মাদকবিরোধী অভিযানের ধারাবাহিকতায় র্যাব-১৩, সিপিসি-১ দিনাজপুর ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল ইং ১১/০৪/২০২৬ তারিখ রাত ০১.০০ ঘটিকার সময় দিনাজপুর জেলার কোতয়ালী থানাধীন ০৪ নং শেখপুরা ইউপির ০৩ নং ওয়ার্ডের নিশ্চিন্তপুর সাকিনস্থ পলাতক আসামি মোঃ তোহিমুল ইসলাম @ কেরু বিল্লাল (৩৪), পিতা- মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক সাং-নিশ্চিন্তপুর,থানা-কোতয়ালী,জেলা- দিনাজপুর এর বসত বাড়ির পূর্ব পার্শ্বে বসত ঘরের দেয়াল সংলগ্ন খালি জায়গায় অভিযান পরিচালনা কালে প্লাস্টিকের বস্তার মধ্যে রক্ষিত অবৈধ মাদকদ্রব্য ৩৯৩ বোতল এসকাফ, ১১৭ বোতল ফেনসিগ্রীপ, ১৬৯ বোতল ফেয়ারডিলসহ মোট ৬৭৯ বোতল ফেনসিডিল সমজাতীয় অবৈধ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়।
পৃথক অপর একটি অভিযানে র্যাব-১৩, সিপিসি-১, দিনাজপুর ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইং ১১/০৪/২০২৬ তারিখ সকাল ০৭.২০ ঘটিকার সময় দিনাজপুর জেলার কোতয়ালী থানাধীন ০৭ নং উথরাইল ইউপির ০১ নং ওয়ার্ডের নুনাইচ কাকিঁলাদীঘি সাকিনস্থ জনৈক মোঃ আনারুল ইসলাম (৪৫) এর নির্মানাধীন বসত বাড়িতে অভিয়ান পরিচালনা করে ধৃত আসামির হেফাজতে থাকা ২৩৪ বোতল আরসিকাফ+ ও ২০০ বোতল ফেন্সিগ্রীপসহ মোট ৪৩৪ বোতল ফেন্সিডিল সমজাতীয় অবৈধ মাদকদ্রব্য জব্দসহ আসামি- মোঃ আইন উদ্দীন (৫২), পিতা- মৃত জেলাবদ্দীন, সাং- নুনাইচ কাকিঁলাদীঘি, থানা- কোতয়ালী, জেলা- দিনাজপুরকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
প্রাথমিকভাবে জানা যায় যে, দীর্ঘদিন ধরে ধৃত আসামি দেশের বিভিন্ন স্থানে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের নিকট মাদকদ্রব্য বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছে। ধৃত আসামি অভিনব সব কৌশল অবলম্বন করে মাদক পরিবহন ও মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে থাকে।
পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের পূর্বক ধৃত আসামি ও জব্দকৃত আলামত সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়াও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে র্যাব-১৩ এর গোয়েন্দা তৎপরতা এবং চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে।