ঢাকা , বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬ , ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অসহায় রহিমার আর্তনাদ ঘরে নেই ঈদের বাজার ও নতুন কাপড়

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : ২০২৬-০৩-১৮ ১২:৪৩:২৯
অসহায় রহিমার আর্তনাদ ঘরে নেই ঈদের বাজার ও নতুন কাপড় অসহায় রহিমার আর্তনাদ ঘরে নেই ঈদের বাজার ও নতুন কাপড়

 
 
মোঃ আখতার হোসেন হিরন :
 
পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন যত ঘনিয়ে আসছে। আশিঊর্ধ্ব বয়সী রহিমার চিন্তা ততই বাড়ছে। সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানা সদরের এমন একটি অসহায় পরিবারের সন্ধ্যান পাওয়া গেছে। বয়সের ভারে নুয়ে পড়া বৃদ্ধা রহিমা খাতুন এ প্রতিনিধিকে জানান তার এমন আর্তনাদ।

তিনি বলেন আর মাত্র কয়েকদিন পরেই ঈদ ঘনিয়ে আসছে। আমি এখনো ঈদের বাজার ও পরনের কাপড় কিনতে পারি নাই। যদি কেউ কিনে দেয় তাহলে তো ঈদের দিন ভালো কিছু খেতে পারবো আর নতুন কাপড় পড়তে পারবো। আমার কোন সাধ্য নাই আমি বাপু অসহায় মানুষ। দু'বেলা দু'মুঠো ভাত ঠিকমতো পাইনা।

আবার  ঈদের মার্কেট পাব কোথায়? কে দিবে আমাকে এগুলো? আমি বৃদ্ধা মানুষ আমার বাড়ি ওলাও অনেক বৃদ্ধ মানুষ। বয়সের কারণে কিছুই করতে পারে না। তার কোন কর্মও নেই। নেই কোনো আয়রোজগার। তাই পথ চেয়ে বসে আছি যদি কোন স্বহৃদয়বান ব্যক্তি,কোন মানবিক মানুষ আমাকে ঈদের বাজার ও নতুন কাপড় কিনে দেয়। তাহলে আমি ঈদের দিনের জন্য চিন্তা মুক্ত হতাম।

তিনি আরও জানান আমাদের কোন ভিটে মাটিও নেই। তাই এই হাসপাতালের পুরাতন ভবনে প্রায় ৩০/৪০ বছর ধরে দিন কাটাই। দুটি ছেলে থাকলেও কেউ আর খোঁজ খবর নেয় না। একটি মেয়ে সে আমার ঘাড়েই রয়েছে। আমাকে যে যা দেয় তা খেয়েই বেঁচে থাকি। এক সময় আমার বাড়ি, ঘর, গোলাভরা ধান সবই ছিল।

কালের বিবর্তনে এখন আর কিছুই নেই। আমি এখন নিঃস্ব। বৃদ্ধা রহিমা খাতুন তার স্বামী ওয়াহেদ কে নিয়ে নাইমুড়ী গ্রামের বাড়িতে বসবাস করত। অভাবের কারণে অনেক আগেই সকল ভিটেমাটি বিক্রি করে দিয়ে এখন ঠাই নিয়েছে কুঠিপাড়া হাসপাতালের পুরাতন ভবনে। সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষদের এমন অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়াতে সহযোগিতা কামনা করেছেন স্থানীয়রা।

নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ