নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীর ডেমরায় আনুমানিক ১০ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা মূল্যমানের ৩৫ কেজি গাঁজাসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১০ এবং মাদক বহনে ব্যবহৃত কাভার্ড ভ্যান জব্দ।
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। মাদকদ্রব্যের ভয়াল ছোবল থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষার লক্ষ্যে র্যাবের নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে *অদ্য ১৫/০৩/২০২৬ তারিখ বিকাল অনুমান ১৩.৩০ ঘটিকার সময় রাজধানীর ডেমরা থানাধীন ডেমরা চৌরাস্তা এলাকায়* র্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার ও মাদক চক্রের ০২ জন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-১০ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল রাজধানীর ডেমরা থানাধীন ডেমরা চৌরাস্তা এলাকায় চেকপোস্ট স্থাপন করে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের এক পর্যায়ে একটি হলুদ ও নীল রংয়ের কাভার্ড ভ্যানকে থামানোর সংকেত দিলে ভ্যানের ড্রাইভার ও হেলপার পালানোর চেষ্টা করে। র্যাব সদস্যরা ধাওয়া করে ভ্যানসহ দুজনকে আটক করে। তল্লাশিতে কাভার্ড ভ্যানের ভিতর থেকে বিশেষ কায়দায় রক্ষিত প্রায় ১০,৫০,০০০/- (দশ লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা মূল্যের ৩৫ (পঁয়ত্রিশ) কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
আটককৃত ব্যক্তিদ্বয়ের নাম ১। মো: নাছির উদ্দিন (৫৫), পিতা- মৃত আ: মজিদ হাওলাদার, সাং- বেতরা, থানা ও জেলা- ঝালকাঠি ও ২। মো: রাসেল (৩৮), পিতা- কামাল হোসেন, সাং- আতিক মার্র্কেট, আমুলিয়া, থানা- ডেমরা, ডিএমপি, ঢাকা বলে জানা যায়। এ সময় মাদক বহনে ব্যবহৃত ঢাকা মেট্রো-ট-১১-৮৯৪৯ রেজিস্ট্রেশন নম্বরযুক্ত কাভার্ড ভ্যানটি জব্দ করা হয়।
প্রকাশ থাকে যে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদ্বয় পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তারা বেশ কিছুদিন যাবৎ দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা হতে অবৈধভাবে গাঁজাসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে আসছিল। উদ্ধারকৃত মাদকসহ গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে ডিএমপি, ঢাকার ডেমরা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজুর লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মাদক সমাজের সবচেয়ে ভয়াবহ বিষফোঁড়া। এটি আমাদের যুব সমাজকে ধ্বংস করছে, পরিবারে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলছে। র্যাব দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, “মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স” নীতির বাস্তবায়ন ছাড়া সমাজে শান্তি ও উন্নয়ন সম্ভব নয়। র্যাব-১০ মাদক নির্মূল অভিযানে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও মাদক, অস্ত্র, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।