ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ , ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

​গো-খাদ্যের বাড়তি দামে দিশেহারা রায়গঞ্জের পশু খামারিরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : ২০২৬-০৩-০৪ ১৭:১৪:৩১
​গো-খাদ্যের বাড়তি দামে দিশেহারা রায়গঞ্জের পশু খামারিরা ​গো-খাদ্যের বাড়তি দামে দিশেহারা রায়গঞ্জের পশু খামারিরা

মোঃ মোকাদ্দেস হোসাইন সোহান, রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জঃ

গো-খাদ্যের বাড়তি দামে দিশেহারা হয়ে পড়েছে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের ছোট-বড় পশু খামারিরা।উপজেলার বিভিন্ন ফসলি জমি বর্গা বা লিজ নিয়ে বিভিন্ন ধরনের মুরগির খামার, মাছের পুকুর এবং বাসা-বাড়ি তোলার কারনেই আবাদি ধানের জমিগুলো দিন দিন কমে যাচ্ছে বলে মনে করছেন উপজেলার অধিকাংশ সচেতন মানুষেরা। ফলে উৎপাদনের চেয়ে বেড়েছে চাহিদার পরিমাণ।উপজেলার অধিকাংশ এলাকা ঘুরে জানায়, নিম্ন আয়ের প্রায় প্রতিটি পরিবার গবাদি পশু পালন করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন।

 আবার অনেকেই গবাদি পশুর ছোট ছোট খামারও গড়ে তুলেছেন। এ সব গবাদি পশুর জন্য খাদ্য হিসেবে মণ ভাও খড় কিনতেও দেখা গেছে অনেক কৃষককে। এদিকে, গো-খাদ্য হিসেবে খড়ের চাহিদা বাড়ায় উপজেলার বিভিন্ন বাজারে মৌসুমি কয়েকজন ব্যবসায়ী ইতিমধ্যেই খড় বিক্রি শুরু করে দিয়েছেন। তারা পাশ্ববর্তী বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে খড়ের স্তুপ কিনে মণ ভাও অথবা ছোট ছোট আঁটি তৈরি করে স্থানীয় বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করছেন। এ

মনিতে খড়ের দাম আকাশচূম্বি, তার ওপর ভুসি, চালের গুড়াসহ বিভিন্ন গো-খাদ্যের দামও নাগালের বাইরে। প্রতি কেজি ভুসি, ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, ধানের গুঁড়া প্রতি কেজি, ১৮ থেকে ২০ টাকা, খুঁদ প্রতি কেজি, ৩৮ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। উপজেলার অধিকাংশ খামারিরা গো-খাদ্য নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছে। এদিকে উপজেলার গ্রামপাঙ্গাসী গ্রামের ক্ষুদ্র খামারি মোঃ নুরুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি জানান, তার খামারে ৪ থেকে ৫ টি গরু রয়েছে, চাহিদা অনুযায়ী খাবার দিতে পারছেন না।

বিভিন্ন জায়গা থেকে কস্তুরি সংগ্রহ করে খাওয়াতে হচ্ছে। তাছাড়া বাজারে দানাদার খাদ্যের দামও আকাশচুম্বী। ফলে  ক্ষুদ্র খামারিরা পড়েছেন মহা বিপাকে। এমতাবস্হায় দানাদার খাদ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ ও আর্থিক সহযোগিতা চেয়েছেন উপজেলার পশু খামারিরা।

নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ