ঢাকা , শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬ , ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

​চন্দ্রঘোনা হাসপাতালের নতুন প্রকল্পে তৃণমূলে বাড়বে স্বাস্থ্যসেবা


আপডেট সময় : ২০২৫-১২-০৩ ০০:১১:৩৫
​চন্দ্রঘোনা হাসপাতালের নতুন প্রকল্পে তৃণমূলে বাড়বে স্বাস্থ্যসেবা ​চন্দ্রঘোনা হাসপাতালের নতুন প্রকল্পে তৃণমূলে বাড়বে স্বাস্থ্যসেবা

মোঃ আইয়ুব চৌধুরী, রাজস্থলী (রাঙ্গামাটি)

রাঙামাটির কাপ্তাই  উপজেলায় অবস্থিত চন্দ্রঘোনা খ্রিস্টিয়ান হাসপাতালের উদ্যোগে শুরু হয়েছে ‘কম্প্রিহেনসিভ কমিউনিটি হেলথ প্রোগ্রাম (CCHP)’ এর নতুন প্রকল্প। এর মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, মা ও শিশুর স্বাস্থ্য, পুষ্টি শিক্ষা এবং জনসচেতনতামূলক বিভিন্ন কার্যক্রম আরও জোরদার হবে।

মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় রাজস্থলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ উপলক্ষে এক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সরকারি কর্মকর্তা, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক, স্থানীয় হেডম্যান ও প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

“এই অঞ্চলে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলবে এই প্রকল্প” – ইউএনও

অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাজস্থলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান খান বলেন, “চন্দ্রঘোনা খ্রিস্টিয়ান হাসপাতাল এবং সিসিএইচপি দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলে নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে আসছে। তৃণমূল পর্যায়ে সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি তারা স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছে। এই নতুন প্রকল্পের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ আরও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পাবে।”

সভায় সভাপতিত্ব করেন চন্দ্রঘোনা খ্রিস্টিয়ান হাসপাতাল ও খ্রিস্টিয়ান কুষ্ঠ চিকিৎসা কেন্দ্রের পরিচালক ডা. প্রবীর খিয়াং।

সভায় প্রকল্পের বিস্তারিত তুলে ধরেন সিসিএইচপি’র প্রোগ্রাম ম্যানেজার বিজয় মারমা। প্রেজেন্টেশনে জানানো হয়—চন্দ্রঘোনা খ্রিস্টিয়ান হাসপাতাল সোস্যাল হেলথ অ্যান্ড এডুকেশন বোর্ড (SHED Board)-এর একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান। ১৯০৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এই হাসপাতাল এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে পার্বত্য চট্টগ্রাম ও আশপাশের অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে আসছে।

নতুন প্রকল্পের আওতায় যেসব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে—মাঠ পর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মীর মাধ্যমে প্রাথমিক চিকিৎসা। গর্ভবতী ও প্রসূতি মা এবং শিশুর স্বাস্থ্য ও পুষ্টিবিষয়ক শিক্ষা,  জেন্ডার সমতা, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে জনসচেতনতা,  সরকারের টিকাদান কার্যক্রমে সহায়তা।

তিনি আরও জানান, চলতি বছরের জুলাই মাস থেকে প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়েছে, যা আগামী তিন বছর চলমান থাকবে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে অংশীদার হিসেবে কাজ করবে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা হিল ফ্লাওয়ার (Hill Flower)।

স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে পাহাড়ি প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ দ্রুত ও সহজে স্বাস্থ্যসেবা পাবে। বিশেষ করে মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স

প্রতিবেদকের তথ্য

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ