ফরিদপুর প্রতিনিধি:
ফরিদপুর চরভদ্রাসনের চরহরিরামপুরে চরশালেপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় স্কুল খোলার দিন স্কুল বন্ধ: শিক্ষা অফিস দায়িত্বহীন। ঐ স্কুলটি ২৮শে অক্টোবর দুপুর আড়াই ঘটিকায় স্কুল বন্ধ সরজমিনে দেখা গেছে।
জানা গেছে, চরঝাউকান্দা ইউনিয়নে স্কুল গুলোর বিপরীতে প্রতিটি স্কুল ৪/৫জন শিক্ষক নিয়োজিত রয়েছে। উপজেলার দায়িত্ব প্রাপ্ত শিক্ষা অফিসার আজিজ হোসেনের দায়িত্বের অবহেলার এবং বিভিন্ন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কম'রত শিক্ষিকার স্ত্রী গন শিক্ষকতার কারনে প্রশাসন ওউপজেলা শিক্ষা অফিস নেতাভীতুর ঘটনায় এমন টা ঘটছে।
আরো জানা গেছে, তিনজন শিক্ষক বিদ্যালয় উপস্থিত ছিল এরা ১.০০টার পূর্বেই নৌকা যুগে স্কুল ত্যাগ করে। এলাকাবাসী বলে, এরা ১১ টায় ট্রলার আসে। ১.০০টায় ট্রলার যোগে স্কুল ত্যাগ করে। উপজেলা প্রশাসনের ঢিলে-ঢালায় ব্যবস্থাপনা কারনে ৯.১৫মিনিটহতে৪.১৫ মিনিট স্কুলের নির্ধারিত সময় মানছে না চরের শিক্ষকগণ।
চরঝাউকান্দা ইউনিয়নের চরকল্যাণ পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪জন শিক্ষক কর্মরত তার মধ্য সহকারী শিক্ষক মনিরুজ্জামান আওয়ামী লীগ নেতার দাপটে ১৭ বছরে ঠিকমতো স্কুলে উপস্থিত হয়নি খাতায় উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা বিভিন্ন প্রোগ্রামে সহকারী শিক্ষক মনিরুজ্জামান সেক উপজেলা প্রশাসনের দাপটে বেরিয়েছেন। সেই ধারাবাহিকতায় ধরে রেখেছেন এই শিক্ষক মনিরুজ্জামান সেক। কত যে শোকজ হয়েছে মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে তার কোন হিসাব নেই। অপর শিক্ষক তারই বড় ভাই মাহবুবুল বারী ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছে। অপুর দুই শিক্ষক আবু বক্কর সিদ্দিক সাফিয়া খাতুন।সহকারী শিক্ষক মনিরুজ্জামান শেখ মুঠোফোনে জানান, ইমারজেন্সি প্রোগ্রাম ছিল। ইমারজেন্সি প্রোগ্রাম কি সবার জন্য ছিল এর সদ উত্তর দেন নি। আমি তো ২:৩০ টায় ট্রলার আসলাম ঐট্রলারে আপনাদের তো যেতে দেখলাম না এরপর আর কোন কথা বলেনি।
আরো জানা গেছে, তিনজন শিক্ষক বিদ্যালয় উপস্থিত ছিল এরা ১.০০টার পূর্বেই নৌকা যুগে স্কুল ত্যাগ করে। চরের স্কুল গুলোতে নিয়মিত শিক্ষক উপস্থিত না হয়ে বাই রোটেশন উপস্থিত হওয়ার প্রবণতা পরিবর্তন হয়নি।বিভিন্ন সময়ে অফিসের কথা বলে নিজস্ব ব্যক্তিগত কাজে সময় ব্যয় করে। এতে চরাঞ্চলে শিক্ষা ব্যবস্থাপন চরম বিপর্যস্ত।
চরাঞ্চলে শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকা ব্যাপক লেখালেখি হলেও উপজেলা শিক্ষা অফিস এবং জেলা শিক্ষা অফিস নামমাত্র শোকচ করেই ক্ষান্ত। চরভদ্রাসন উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মিজানুর রহমানকে কে জানালে তিনি শোকেজ করা হয়েছে। এর আগেও এই স্কুলের বিরুদ্ধে শোকজ হয়েছিল আর কোন ব্যবস্থা হয়নি কেন? এর সদ উত্তর দেন নি।
সহকারী জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা তোফিকুর রহমানকে আড়াই ঘটিকায় বিদ্যালয় বন্ধ এবং এই স্কুল নিয়ে অনেক লেখালেখি হলেও শোকেজ পর্যন্ত সীমাবদ্ধ ছিল এর উত্তরে বলেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে ব্যবস্থা নিতে বলেন।
এ ব্যাপারে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মহিউদ্দিনকে মুঠোফোনে জানালে তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থায় নিবেন বলে আশ্বাস দেন অপর এক প্রশ্নে আগে তো এই স্কুল নিয়ে শোকজ পর্যন্ত সীমাবদ্ধ ছিল এরপর তো কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি এ ব্যাপারে আর কোন সদ উত্তর দেয়নি।