বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা প্রশাসন ওই সভাগুলোর আয়োজন করে। সভায় সভাপতিত্ব করেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাহাঙ্গীর আলম।
বক্তব্য দেন, নকলা সেনাক্যাম্পের প্রতিনিধি লেফটেন্যান্ট মো. মুনতাসির, সহকারি কমিশনার (ভূমি) সাদিয়া আফরিন এ্যানি, নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রশিদ, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন জাহান, সরকারি হাজী জালমামুদ কলেজের প্রভাষক গোলাম মাসুম, উপজেলা বিএনপি'র সাবেক আহবায়ক খোরশেদুর রহমান, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির গোলাম সারোয়ার, ইউপি চেয়ারম্যান মোজাফফর মহিউদ্দিন বুলবুল, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট নকলা উপজেলা শাখার আহবায়ক দেবজিৎ পোদ্দার ঝুমুর ও সদস্য সচিব আশীষ কুমার সাহা প্রমুখ।
সভায় আইন-শৃঙ্খলা, সন্ত্রাস ও নাশকতা, চুরি, বাল্যবিবাহ, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ সৃষ্টি, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবার মান বৃদ্ধি, হোটেল, রেস্তোরা, মিষ্টি ও খাবারের দোকানগুলোতে স্বাস্থ্য সম্মত খাবার নিশ্চিতকরণ, পৌরসভাসহ ৯টি ইউনিয়নে ২১টি পূজামণ্ডপে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের নির্বিঘ্নে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনসহ নানা বিষয়ে আলোচনা ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহাঙ্গীর আলম জানান, প্রতিটি পূজামণ্ডপে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে। একটি ভিজিলেন্স টিম থাকবে যারা পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন। আমরাও পরিদর্শনে যাব। প্রতিটি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তার জন্য সার্বক্ষণিক আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে। শারদীয় দুর্গাপূজা নিয়ে কেউ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা গুজব ছড়ালে এবং অন্য কেউ তা শেয়ার করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম।
সভায় প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, পূজা উদযাপন ফ্রন্ট ও পূজামণ্ডপ কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।