এস. . জালাল উদদীন, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকায় সরকারি খাস জমি অবৈধ দখলের অভিযোগে নির্মিত একটি টিনশেড ঘর প্রশাসনের নির্দেশে ভেঙে নেওয়া হয়েছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে ইসলামাবাদ চা বাগানের পরিচালক নজরুল ইসলাম নিজেই ঘরটি ভেঙে নেন। প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জুড়ী থেকে লাঠিটিলা যাওয়ার পথে বাংলা বাজার এলাকায় ব্রিজে ওঠার আগে সড়কের বাম পাশে সড়কসংলগ্ন উত্তর কুছাইথল মৌজার সরকারি খাস জমি রয়েছে। ওই জমির মধ্যে ভূমিহীন হিসেবে সরকারি বন্দোবস্ত পাওয়ার জন্য উত্তর কুছাইথল গ্রামের মৃত মকসুদ মিয়ার ছেলে দুলাল মিয়া সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেন। আবেদনের পর তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অসীম চন্দ্র বনিক সরেজমিনে জমিটি পরিদর্শন করেন। পরবর্তীতে দুলাল মিয়া ও তার স্ত্রী মোছাম্মৎ শিপা আক্তার শিউলির নামে মোট ৪ শতক সরকারি খাস কৃষি জমি বন্দোবস্ত দেওয়া হয় এবং তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারি দলিল প্রদান করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, দুলাল মিয়ার বন্দোবস্ত পাওয়া জমির ২ শতকসহ এর পার্শ্ববর্তী আরও প্রায় ৩ শতক সরকারি জমির ওপর ইসলামাবাদ চা বাগানের বর্তমান পরিচালক মৃত সিরাজ উদ্দিনের ছেলে নজরুল ইসলামের নজর পড়ে। একপর্যায়ে
দুলাল মিয়ার বসতঘরের বারান্দার একটি অংশ এসিল্যান্ডের দোহাই দিয়ে ভেঙে ফেলা হয় বলে অভিযোগ করেন দুলালের পরিবার। এরপর ওই জায়গায় দ্রুত একটি তিন কক্ষবিশিষ্ট অস্থায়ী টিনশেড ঘর নির্মাণ করেন নজরুল ইসলাম। স্থানীয়দের কাছে তিনি দাবি করেন, উপজেলা ভূমি অফিসের সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাকে ওই স্থানে ঘর নির্মাণের অনুমতি দিয়েছেন এবং দ্রুত ঘর নির্মাণ করতে বলা হয়েছে। অভিযোগ আরও রয়েছে, নির্মিত ঘরটিতে স্থায়ীভাবে বসবাসের ব্যবস্থা করতে পার্শ্ববর্তী ডানকান ব্রাদার্সের মালিকানাধীন শিলুয়া চা বাগানের ৯ নম্বর লাইন (কুচাই) এলাকার এক বাসিন্দাকে পরিবারসহ সেখানে এনে বসবাসের জন্য দেওয়া হয়। গত ২০ আগস্ট ওই ঘরে দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হলে পল্লী বিদ্যুতের একজন লাইনম্যান সরেজমিনে এসে স্থানটি পরিদর্শন করেন। এ সময় বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। পরে ২২ আগস্ট উপজেলা
প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহকারী কমিশনার (ভূমি) সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি দখলদার ও পার্শ্ববর্তী পরিবারের বাসিন্দাদের নিজ নিজ জমির প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ পরদিন ২৩ আগস্ট ভূমি অফিসে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন। নির্ধারিত দিনে দুলাল মিয়ার পরিবার সরকারি বন্দোবস্তের দলিল নিয়ে হাজির হলেও নজরুল ইসলাম ওই জমির বিষয়ে কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি বলে জানা গেছে। পরে সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর নির্দেশে গোয়ালবাড়ী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা ও সরকারি সার্ভেয়ার সরেজমিনে জরিপ করেন। জরিপে দুলাল মিয়ার সরকারি বন্দোবস্তের অবশিষ্ট ২ শতক জমি চিহ্নিত করে তা উদ্ধার ও সীমানা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে অন্যের জমির ওপর নির্মিত ঘরটি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়। প্রশাসনের নির্দেশের পর সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে নজরুল ইসলাম ওই টিনশেড ঘরটি ভেঙে নেন।
স্থানীয়রা জানান, সরকারি জমি অবৈধ দখল থেকে উদ্ধার এবং ভূমিহীন পরিবারের নামে সরকারিভাবে বন্দোবস্ত দেওয়া জমি তাদের বুঝিয়ে দেওয়ার প্রশাসনিক উদ্যোগ প্রশংসনীয়। তারা ভবিষ্যতেও সরকারি জমি দখলের যেকোনো চেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করার দাবি জানান।
মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকায় সরকারি খাস জমি অবৈধ দখলের অভিযোগে নির্মিত একটি টিনশেড ঘর প্রশাসনের নির্দেশে ভেঙে নেওয়া হয়েছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে ইসলামাবাদ চা বাগানের পরিচালক নজরুল ইসলাম নিজেই ঘরটি ভেঙে নেন। প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জুড়ী থেকে লাঠিটিলা যাওয়ার পথে বাংলা বাজার এলাকায় ব্রিজে ওঠার আগে সড়কের বাম পাশে সড়কসংলগ্ন উত্তর কুছাইথল মৌজার সরকারি খাস জমি রয়েছে। ওই জমির মধ্যে ভূমিহীন হিসেবে সরকারি বন্দোবস্ত পাওয়ার জন্য উত্তর কুছাইথল গ্রামের মৃত মকসুদ মিয়ার ছেলে দুলাল মিয়া সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেন। আবেদনের পর তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অসীম চন্দ্র বনিক সরেজমিনে জমিটি পরিদর্শন করেন। পরবর্তীতে দুলাল মিয়া ও তার স্ত্রী মোছাম্মৎ শিপা আক্তার শিউলির নামে মোট ৪ শতক সরকারি খাস কৃষি জমি বন্দোবস্ত দেওয়া হয় এবং তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারি দলিল প্রদান করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, দুলাল মিয়ার বন্দোবস্ত পাওয়া জমির ২ শতকসহ এর পার্শ্ববর্তী আরও প্রায় ৩ শতক সরকারি জমির ওপর ইসলামাবাদ চা বাগানের বর্তমান পরিচালক মৃত সিরাজ উদ্দিনের ছেলে নজরুল ইসলামের নজর পড়ে। একপর্যায়ে
দুলাল মিয়ার বসতঘরের বারান্দার একটি অংশ এসিল্যান্ডের দোহাই দিয়ে ভেঙে ফেলা হয় বলে অভিযোগ করেন দুলালের পরিবার। এরপর ওই জায়গায় দ্রুত একটি তিন কক্ষবিশিষ্ট অস্থায়ী টিনশেড ঘর নির্মাণ করেন নজরুল ইসলাম। স্থানীয়দের কাছে তিনি দাবি করেন, উপজেলা ভূমি অফিসের সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাকে ওই স্থানে ঘর নির্মাণের অনুমতি দিয়েছেন এবং দ্রুত ঘর নির্মাণ করতে বলা হয়েছে। অভিযোগ আরও রয়েছে, নির্মিত ঘরটিতে স্থায়ীভাবে বসবাসের ব্যবস্থা করতে পার্শ্ববর্তী ডানকান ব্রাদার্সের মালিকানাধীন শিলুয়া চা বাগানের ৯ নম্বর লাইন (কুচাই) এলাকার এক বাসিন্দাকে পরিবারসহ সেখানে এনে বসবাসের জন্য দেওয়া হয়। গত ২০ আগস্ট ওই ঘরে দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হলে পল্লী বিদ্যুতের একজন লাইনম্যান সরেজমিনে এসে স্থানটি পরিদর্শন করেন। এ সময় বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। পরে ২২ আগস্ট উপজেলা
প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহকারী কমিশনার (ভূমি) সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি দখলদার ও পার্শ্ববর্তী পরিবারের বাসিন্দাদের নিজ নিজ জমির প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ পরদিন ২৩ আগস্ট ভূমি অফিসে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন। নির্ধারিত দিনে দুলাল মিয়ার পরিবার সরকারি বন্দোবস্তের দলিল নিয়ে হাজির হলেও নজরুল ইসলাম ওই জমির বিষয়ে কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি বলে জানা গেছে। পরে সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর নির্দেশে গোয়ালবাড়ী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা ও সরকারি সার্ভেয়ার সরেজমিনে জরিপ করেন। জরিপে দুলাল মিয়ার সরকারি বন্দোবস্তের অবশিষ্ট ২ শতক জমি চিহ্নিত করে তা উদ্ধার ও সীমানা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে অন্যের জমির ওপর নির্মিত ঘরটি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়। প্রশাসনের নির্দেশের পর সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে নজরুল ইসলাম ওই টিনশেড ঘরটি ভেঙে নেন।
স্থানীয়রা জানান, সরকারি জমি অবৈধ দখল থেকে উদ্ধার এবং ভূমিহীন পরিবারের নামে সরকারিভাবে বন্দোবস্ত দেওয়া জমি তাদের বুঝিয়ে দেওয়ার প্রশাসনিক উদ্যোগ প্রশংসনীয়। তারা ভবিষ্যতেও সরকারি জমি দখলের যেকোনো চেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করার দাবি জানান।