কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি
দেশের মানুষের পুষ্টি চাহিদা পূরণের পাশাপাশি কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতেও মৎস্য খাতের অবদান গুরুত্বপূর্ণ। নদী-নালা, খাল-বিল, হাওর-বাঁওড়, পুকুর-দিঘি থেকে শুরু করে বঙ্গোপসাগর—মাছের উৎপাদনের বিস্তৃত সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশে। তবে অপরিকল্পিতভাবে জলাশয় ও নিচু জমি ভরাট এবং শিল্পকারখানার বর্জ্য ও বিষাক্ত রাসায়নিকের কারণে এ সম্ভাবনাময় খাত নানা সংকটে পড়ছে। মৎস্য সম্পদ রক্ষার পাশাপাশি উৎপাদন বাড়াতে জলাশয় সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর
উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও গাজীপুর মহানগর নায়েবে আমীর মোঃ খায়রুল হাসান। সোমবার সকালে গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার জাংগালিয়া ইউনিয়নের নরুন পাঠামারা ব্রিজ সংলগ্ন বিল, নরুন মসজিদপাড়া দীঘি এবং বক্তারপুর ইউনিয়নের নলী ব্রিজ সংলগ্ন বিলে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ মৎস্য সম্পদে অত্যন্ত সমৃদ্ধ একটি দেশ। দেশের বিস্তীর্ণ জলাভূমি ও নদ-নদী মাছ উৎপাদনের বড় উৎস। দেশে প্রায় ২৬০ প্রজাতির স্বাদুপানির মাছ রয়েছে। মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট প্রাণিজ আমিষের প্রায় ৬০ শতাংশ আসে মাছ থেকে। এ কারণে মাছ শুধু খাদ্য ও পুষ্টির উৎস নয়, মানুষের জীবনযাত্রা ও অর্থনীতির সঙ্গেও এটি গভীরভাবে জড়িত। মৎস্য খাতকে এগিয়ে নিতে হলে প্রথমেই জলাশয়গুলোকে বাঁচাতে হবে। কিন্তু প্রতিনিয়ত নিচু জমি, খাল-বিল ও অন্যান্য জলাশয় ভরাট হওয়ায় মাছের প্রজনন ও বিচরণক্ষেত্র সংকুচিত হচ্ছে। পাশাপাশি কলকারখানার বিষাক্ত কেমিক্যাল ও বর্জ্য জলাশয়ে মিশে মাছের স্বাভাবিক উৎপাদন ব্যাহত করছে।
এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে জলাশয় সংরক্ষণ এবং শিল্পবর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, মাছ মানুষের দৈনন্দিন পুষ্টির চাহিদা পূরণ করছে, একই সঙ্গে দেশের অসংখ্য মানুষের কর্মসংস্থান ও আয়ের পথ তৈরি করেছে। তাই মৎস্য সম্পদকে কেবল খাদ্যের উৎস হিসেবে দেখলে হবে না; এটিকে দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির অন্যতম সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচিতে স্থানীয় পর্যায়ে মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ এবং প্রাকৃতিক জলাশয়ে মাছের প্রজনন পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়। এই সময় উপস্থিত ছিলেন-উপজেলা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী এ্যাড. তাজুল ইসলাম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পার্থী এ্যাড. লুৎফর রহমান প্রধান, বক্তারপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাওঃ মুজিবুর রহমান, বক্তারপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী অ্যাড. আব্দুল বাছেদ মোল্লা, জাংগালিয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী হাফেজ আব্দুস সালাম সেলিম, জাংগালিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক মো: আব্দুল
আউয়াল ভুইয়া, বক্তারপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক মাওঃ সালাহ উদ্দিন, মাওঃ মেছবাহ উদ্দিন আজমী, ডা: আব্দুল মোতালিব, আলী আকবর ভুইয়া, জালাল উদ্দিনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। পরে সংশ্লিষ্ট বিল ও দীঘিতে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়। ###
দেশের মানুষের পুষ্টি চাহিদা পূরণের পাশাপাশি কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতেও মৎস্য খাতের অবদান গুরুত্বপূর্ণ। নদী-নালা, খাল-বিল, হাওর-বাঁওড়, পুকুর-দিঘি থেকে শুরু করে বঙ্গোপসাগর—মাছের উৎপাদনের বিস্তৃত সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশে। তবে অপরিকল্পিতভাবে জলাশয় ও নিচু জমি ভরাট এবং শিল্পকারখানার বর্জ্য ও বিষাক্ত রাসায়নিকের কারণে এ সম্ভাবনাময় খাত নানা সংকটে পড়ছে। মৎস্য সম্পদ রক্ষার পাশাপাশি উৎপাদন বাড়াতে জলাশয় সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর
উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও গাজীপুর মহানগর নায়েবে আমীর মোঃ খায়রুল হাসান। সোমবার সকালে গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার জাংগালিয়া ইউনিয়নের নরুন পাঠামারা ব্রিজ সংলগ্ন বিল, নরুন মসজিদপাড়া দীঘি এবং বক্তারপুর ইউনিয়নের নলী ব্রিজ সংলগ্ন বিলে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ মৎস্য সম্পদে অত্যন্ত সমৃদ্ধ একটি দেশ। দেশের বিস্তীর্ণ জলাভূমি ও নদ-নদী মাছ উৎপাদনের বড় উৎস। দেশে প্রায় ২৬০ প্রজাতির স্বাদুপানির মাছ রয়েছে। মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট প্রাণিজ আমিষের প্রায় ৬০ শতাংশ আসে মাছ থেকে। এ কারণে মাছ শুধু খাদ্য ও পুষ্টির উৎস নয়, মানুষের জীবনযাত্রা ও অর্থনীতির সঙ্গেও এটি গভীরভাবে জড়িত। মৎস্য খাতকে এগিয়ে নিতে হলে প্রথমেই জলাশয়গুলোকে বাঁচাতে হবে। কিন্তু প্রতিনিয়ত নিচু জমি, খাল-বিল ও অন্যান্য জলাশয় ভরাট হওয়ায় মাছের প্রজনন ও বিচরণক্ষেত্র সংকুচিত হচ্ছে। পাশাপাশি কলকারখানার বিষাক্ত কেমিক্যাল ও বর্জ্য জলাশয়ে মিশে মাছের স্বাভাবিক উৎপাদন ব্যাহত করছে।
এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে জলাশয় সংরক্ষণ এবং শিল্পবর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, মাছ মানুষের দৈনন্দিন পুষ্টির চাহিদা পূরণ করছে, একই সঙ্গে দেশের অসংখ্য মানুষের কর্মসংস্থান ও আয়ের পথ তৈরি করেছে। তাই মৎস্য সম্পদকে কেবল খাদ্যের উৎস হিসেবে দেখলে হবে না; এটিকে দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির অন্যতম সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচিতে স্থানীয় পর্যায়ে মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ এবং প্রাকৃতিক জলাশয়ে মাছের প্রজনন পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়। এই সময় উপস্থিত ছিলেন-উপজেলা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী এ্যাড. তাজুল ইসলাম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পার্থী এ্যাড. লুৎফর রহমান প্রধান, বক্তারপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাওঃ মুজিবুর রহমান, বক্তারপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী অ্যাড. আব্দুল বাছেদ মোল্লা, জাংগালিয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী হাফেজ আব্দুস সালাম সেলিম, জাংগালিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক মো: আব্দুল
আউয়াল ভুইয়া, বক্তারপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক মাওঃ সালাহ উদ্দিন, মাওঃ মেছবাহ উদ্দিন আজমী, ডা: আব্দুল মোতালিব, আলী আকবর ভুইয়া, জালাল উদ্দিনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। পরে সংশ্লিষ্ট বিল ও দীঘিতে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়। ###