নিজস্ব প্রতিবেদক
মাদকের ব্যাপারে সংসদে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান করেছি আমরা। আশা করি, মৃত্যুদণ্ড যেহেতু সর্বোচ্চ শাস্তি এবং জনগণের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করতে হবে, কারণ জনগণসহ আইন-প্রশাসন ছাড়া আমরা মাদক নির্মূল করতে পারব না—বলে মন্তব্য করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। বিজ্ঞাপন রোববার দুপুরে রংপুরে আলোচিত চার খুনের ঘটনাস্থল পরিদর্শন এবং নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে এসব কথা বলেন তিনি।
রংপুরের চার খুনের ঘটনা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘এই হত্যাকাণ্ডটি লোমহর্ষক ও মর্মান্তিক, যার নিন্দা জানানোর ভাষা আমার নেই। আমি তাদের বাসায় এসে যতটুকু বুঝতে পারলাম, মাদকাসক্ত হয়ে তারা হয়তো আমাদের প্রিয় স্যার গণপতি চক্রবর্তীকে সব সময় ডিস্টার্ব করত। সে কারণে হয়তো উনি বাধা দিতে গিয়েছিলেন এবং হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ প্রশাসন দুইজন মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। তারা আদালতে স্বীকারোক্তিও দিয়েছে। বর্তমান সরকার এ ধরনের সব হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে। মন্ত্রী আরো বলেন, রামিশাকে যখন হত্যা করা হয়েছিল, তখন দ্রুততম সময়ের মধ্যে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে এবং বিচারকাজও ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। আমার নিজ জেলায় নন্দিনী নামের একটি ছোট মেয়েকে হত্যা করা হয়েছিল, সেটির বিচারকাজও আমরা ১৫ দিনের মধ্যে শেষ করেছি। অধিকতর তদন্ত শেষে পুলিশ অতিশীঘ্র চার্জশিট দাখিল করবে।
অল্প সময়ের মধ্যে এ হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। তিনি বলেন, মূল আসামিরা তো স্বীকারোক্তি দিয়েছে যে তারা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। এখানে সন্দেহ থাকার কোনো কারণ নেই।
আর আমার মনে হয়, মাদকই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এই অবনতির মূল কারণ। এ সময় রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান সামু, জেলা প্রশাসক সুলতানা পারভীন, জেলা পরিষদের প্রশাসক সাইফুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এমই
মাদকের ব্যাপারে সংসদে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান করেছি আমরা। আশা করি, মৃত্যুদণ্ড যেহেতু সর্বোচ্চ শাস্তি এবং জনগণের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করতে হবে, কারণ জনগণসহ আইন-প্রশাসন ছাড়া আমরা মাদক নির্মূল করতে পারব না—বলে মন্তব্য করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। বিজ্ঞাপন রোববার দুপুরে রংপুরে আলোচিত চার খুনের ঘটনাস্থল পরিদর্শন এবং নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে এসব কথা বলেন তিনি।
রংপুরের চার খুনের ঘটনা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘এই হত্যাকাণ্ডটি লোমহর্ষক ও মর্মান্তিক, যার নিন্দা জানানোর ভাষা আমার নেই। আমি তাদের বাসায় এসে যতটুকু বুঝতে পারলাম, মাদকাসক্ত হয়ে তারা হয়তো আমাদের প্রিয় স্যার গণপতি চক্রবর্তীকে সব সময় ডিস্টার্ব করত। সে কারণে হয়তো উনি বাধা দিতে গিয়েছিলেন এবং হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ প্রশাসন দুইজন মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। তারা আদালতে স্বীকারোক্তিও দিয়েছে। বর্তমান সরকার এ ধরনের সব হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে। মন্ত্রী আরো বলেন, রামিশাকে যখন হত্যা করা হয়েছিল, তখন দ্রুততম সময়ের মধ্যে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে এবং বিচারকাজও ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। আমার নিজ জেলায় নন্দিনী নামের একটি ছোট মেয়েকে হত্যা করা হয়েছিল, সেটির বিচারকাজও আমরা ১৫ দিনের মধ্যে শেষ করেছি। অধিকতর তদন্ত শেষে পুলিশ অতিশীঘ্র চার্জশিট দাখিল করবে।
অল্প সময়ের মধ্যে এ হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। তিনি বলেন, মূল আসামিরা তো স্বীকারোক্তি দিয়েছে যে তারা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। এখানে সন্দেহ থাকার কোনো কারণ নেই।
আর আমার মনে হয়, মাদকই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এই অবনতির মূল কারণ। এ সময় রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান সামু, জেলা প্রশাসক সুলতানা পারভীন, জেলা পরিষদের প্রশাসক সাইফুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এমই