একরামুল হক একরাম,লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ
লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে অষ্টম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ইউসুফ আলী (৪০) নামে এক ক্লিনিক পরিচালককে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। সোমবার (২৪ আগস্ট) ভোরে উপজেলার চাপারহাট চব্বিশ হাজার গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ইউসুফ আলী কালীগঞ্জ থানার কাঞ্চনশর গ্রামের মৃত আসমত আলীর ছেলে। তিনি স্থানীয় ‘নিউ রূপসী বাংলা’ ক্লিনিকের পরিচালক এবং ভুক্তভোগী ছাত্রীর প্রতিবেশী বলে র্যাব জানিয়েছে।
র্যাবের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২০ আগস্ট ভুক্তভোগী ছাত্রীর ছয় মাস বয়সী ছোট ভাই অসুস্থ থাকায় তার মা চিকিৎসার জন্য লালমনিরহাটে যান। এ সময় ওই ছাত্রী বাড়িতে একা থাকার সুযোগে ইউসুফ আলী বাড়িতে প্রবেশ করে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন বলে মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। ছাত্রীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত পালিয়ে যায়।
পরে ছাত্রীর মা বাড়িতে ফিরে তাকে প্রথমে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে পাঠান। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে কালীগঞ্জ থানায় ধর্ষণের মামলা করেন। মামলার পর থেকেই ইউসুফ আলী আত্মগোপনে ছিলেন। র্যাব-১৩ সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার ভোর ৩টা ২০ মিনিটে চাপারহাট চব্বিশ হাজার গ্রামের এরশাদ আলীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ইউসুফ আলীকে গ্রেপ্তার করেন ।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কালীগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব
লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে অষ্টম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ইউসুফ আলী (৪০) নামে এক ক্লিনিক পরিচালককে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। সোমবার (২৪ আগস্ট) ভোরে উপজেলার চাপারহাট চব্বিশ হাজার গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ইউসুফ আলী কালীগঞ্জ থানার কাঞ্চনশর গ্রামের মৃত আসমত আলীর ছেলে। তিনি স্থানীয় ‘নিউ রূপসী বাংলা’ ক্লিনিকের পরিচালক এবং ভুক্তভোগী ছাত্রীর প্রতিবেশী বলে র্যাব জানিয়েছে।
র্যাবের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২০ আগস্ট ভুক্তভোগী ছাত্রীর ছয় মাস বয়সী ছোট ভাই অসুস্থ থাকায় তার মা চিকিৎসার জন্য লালমনিরহাটে যান। এ সময় ওই ছাত্রী বাড়িতে একা থাকার সুযোগে ইউসুফ আলী বাড়িতে প্রবেশ করে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন বলে মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। ছাত্রীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত পালিয়ে যায়।
পরে ছাত্রীর মা বাড়িতে ফিরে তাকে প্রথমে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে পাঠান। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে কালীগঞ্জ থানায় ধর্ষণের মামলা করেন। মামলার পর থেকেই ইউসুফ আলী আত্মগোপনে ছিলেন। র্যাব-১৩ সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার ভোর ৩টা ২০ মিনিটে চাপারহাট চব্বিশ হাজার গ্রামের এরশাদ আলীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ইউসুফ আলীকে গ্রেপ্তার করেন ।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কালীগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব