রান্নু, গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) ডিবেটিং সোসাইটির নির্বাচন ও একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গত ১৯ আগস্ট প্রথম দফায় ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে ডেকে নিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়।
পরবর্তীতে এ ঘটনার রেশে ২০ আগস্ট এক ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে ইমনের নেতৃত্বে কয়েক দফায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপর হামলা চলে। সংঘটিত এ ঘটনায় সাধারণ শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের হেনস্তা ও আহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীদের সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সূত্রপাত ডিবেটিং সোসাইটির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে। আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ইমন
হোসেনের বিরুদ্ধে ফার্মেসি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী স্বাগত মণ্ডলকে হুমকি দেওয়া ও মারধর করার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ২০ আগস্ট সকালে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ইমন সহ হামলাকারীদের বিরুদ্ধে প্রক্টর দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ডিবেটিং সোসাইটির সদ্য বিদায়ী সভাপতি পন্থী এক শিক্ষার্থী ইমনের বিভাগ নিয়ে একটা ফেসবুকে পোস্ট করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ২০ আগস্ট আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ইমনের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ তিতুমীর হলে ইতিহাস বিভাগের
শিক্ষার্থীদের মারার উদ্দেশ্যে খোঁজ নিতে থাকে ও অশ্লীল স্লোগান দিতে থাকে। পরবর্তীতে ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থীরা ও হলের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে এগিয়ে এলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পয়েন্টে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রথমে তিতুমীর হলকেন্দ্রিক উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও পরে তা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে। ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলাকালে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির সদস্য ও একাধিক বিভাগের শিক্ষকরা উপস্থিত থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। ৪ ঘন্টা ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউ মার্কেট,মেইন গেট,শহীদ হাদী চত্বর,প্রশাসনিক ভবনসহ বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে সংঘর্ষ। এতে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী স্বাগত মন্ডল অর্ঘ্য বলেন, একটা বিষয় পরিষ্কার করে বলতে চাই, অন্যায়ভাবে হামলার শিকার হওয়ার পরও আমি চুপ থাকব না। আমাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে ডেকে নিয়ে মারধরের ঘটনায় আমি যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। পরবর্তীতে ২০ আগস্টের সংঘর্ষ, হামলা ও ভয়ভীতির ঘটনায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে, তা কোনোভাবেই কাম্য নয়। আমি প্রতিশোধ চাই না; চাই নিরপেক্ষ তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা।
বিশ্ববিদ্যালয় কারও ব্যক্তিগত আধিপত্যের জায়গা নয়। সিদ্ধান্ত হবে প্রমাণ ও আইনের ভিত্তিতে; হুমকি কিংবা মবের ভিত্তিতে নয়। অন্যায়ের বিরুদ্ধে ছিলাম, আছি এবং থাকব। এদিকে ঘটনাস্থলে ভিডিও ধারণ করতে গেলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের সভাপতি সজিবুর রহমান ও সাংবাদিক সমিতির দপ্তর সম্পাদক মাহমুদুল হাসান সহ কয়েকজন সাংবাদিকের উপরেও হামলা চালানো হয়। সাংবাদিকদের অভিযোগ, তাদের উদ্দেশ্য করে হুমকি-ধামকি দেওয়া হয় এবং আক্রমণাত্মক আচরণ করা হয়। এ বিষয়ে সাংবাদিকরা উপাচার্য ও প্রক্টরকে তাৎক্ষণিকভাবে মৌখিকভাবে জানিয়েছেন। হামলার শিকার দৈনিক আমার সংবাদের
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি সজিবুর রহমান বলেন, দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের উপর এমন হামলা আমাদের চূড়ান্তভাবে আশাহত করে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিচার না করলে কঠোর কর্মসূচি প্রদান করা হবে। এদিকে অভিযুক্ত ইমন হোসাইনের বিরুদ্ধে গত প্রায় এক বছরে ৪ টি হামলা ও মবের নেতৃত্ব দেয়ার অভিযোগ রয়েছে। ১৯ ও ২০ আগস্টের হামলা ছাড়াও ২০২৫ সালে ৩০ এপ্রিল প্রকাশ্যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়ান ইমন,শহীদ তিতুমীর হলে হামলা চালান গোবিপ্রবি প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি কে এম ইয়ামিনুল হাসান আলিফের উপর। এ বিষয়ে আলিফের মন্তব্য চাওয়া হলে তিনি বলেন, যা ঘটেছে তা সবাই জানে,দেখেছে,ভিডিও প্রমাণ সবই আছে। এর বেশিকিছু কাউকে নিয়ে কিছু বলতে চাই না। এতদিন পর এসব নিয়ে কথা বলে ঘটনা বাড়াতে চাই না। এদিকে এ ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে জানিয়ে প্রক্টর আহসান সৌরভ বলেন, ঘটনা সম্পর্কে আমি অবগত। ডিবেটিং সোসাইটির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ও ফেসবুক পোস্ট নিয়ে আইন ও ইতিহাস বিভাগের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়, তিতুমীর হলে ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থীদের খুঁজতে থাকে ও অশ্লীল স্লোগান দেয় আইন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। একটা সময় আমরা পরিস্থিতি ঠান্ডা করার চেষ্টা করছিলাম কিন্তু পরবর্তীতে দুই বিভাগ মুখোমুখি অবস্থান নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া করে।
এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাংবাদিক হেনস্তা ও হামলার ঘটনায় তিনি বলেন এটি কোনোভাবেই কাম্য নয়। অভিযোগ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) ডিবেটিং সোসাইটির নির্বাচন ও একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গত ১৯ আগস্ট প্রথম দফায় ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে ডেকে নিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়।
পরবর্তীতে এ ঘটনার রেশে ২০ আগস্ট এক ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে ইমনের নেতৃত্বে কয়েক দফায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপর হামলা চলে। সংঘটিত এ ঘটনায় সাধারণ শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের হেনস্তা ও আহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীদের সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সূত্রপাত ডিবেটিং সোসাইটির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে। আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ইমন
হোসেনের বিরুদ্ধে ফার্মেসি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী স্বাগত মণ্ডলকে হুমকি দেওয়া ও মারধর করার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ২০ আগস্ট সকালে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ইমন সহ হামলাকারীদের বিরুদ্ধে প্রক্টর দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ডিবেটিং সোসাইটির সদ্য বিদায়ী সভাপতি পন্থী এক শিক্ষার্থী ইমনের বিভাগ নিয়ে একটা ফেসবুকে পোস্ট করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ২০ আগস্ট আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ইমনের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ তিতুমীর হলে ইতিহাস বিভাগের
শিক্ষার্থীদের মারার উদ্দেশ্যে খোঁজ নিতে থাকে ও অশ্লীল স্লোগান দিতে থাকে। পরবর্তীতে ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থীরা ও হলের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে এগিয়ে এলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পয়েন্টে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রথমে তিতুমীর হলকেন্দ্রিক উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও পরে তা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে। ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলাকালে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির সদস্য ও একাধিক বিভাগের শিক্ষকরা উপস্থিত থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। ৪ ঘন্টা ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউ মার্কেট,মেইন গেট,শহীদ হাদী চত্বর,প্রশাসনিক ভবনসহ বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে সংঘর্ষ। এতে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী স্বাগত মন্ডল অর্ঘ্য বলেন, একটা বিষয় পরিষ্কার করে বলতে চাই, অন্যায়ভাবে হামলার শিকার হওয়ার পরও আমি চুপ থাকব না। আমাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে ডেকে নিয়ে মারধরের ঘটনায় আমি যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। পরবর্তীতে ২০ আগস্টের সংঘর্ষ, হামলা ও ভয়ভীতির ঘটনায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে, তা কোনোভাবেই কাম্য নয়। আমি প্রতিশোধ চাই না; চাই নিরপেক্ষ তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা।
বিশ্ববিদ্যালয় কারও ব্যক্তিগত আধিপত্যের জায়গা নয়। সিদ্ধান্ত হবে প্রমাণ ও আইনের ভিত্তিতে; হুমকি কিংবা মবের ভিত্তিতে নয়। অন্যায়ের বিরুদ্ধে ছিলাম, আছি এবং থাকব। এদিকে ঘটনাস্থলে ভিডিও ধারণ করতে গেলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের সভাপতি সজিবুর রহমান ও সাংবাদিক সমিতির দপ্তর সম্পাদক মাহমুদুল হাসান সহ কয়েকজন সাংবাদিকের উপরেও হামলা চালানো হয়। সাংবাদিকদের অভিযোগ, তাদের উদ্দেশ্য করে হুমকি-ধামকি দেওয়া হয় এবং আক্রমণাত্মক আচরণ করা হয়। এ বিষয়ে সাংবাদিকরা উপাচার্য ও প্রক্টরকে তাৎক্ষণিকভাবে মৌখিকভাবে জানিয়েছেন। হামলার শিকার দৈনিক আমার সংবাদের
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি সজিবুর রহমান বলেন, দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের উপর এমন হামলা আমাদের চূড়ান্তভাবে আশাহত করে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিচার না করলে কঠোর কর্মসূচি প্রদান করা হবে। এদিকে অভিযুক্ত ইমন হোসাইনের বিরুদ্ধে গত প্রায় এক বছরে ৪ টি হামলা ও মবের নেতৃত্ব দেয়ার অভিযোগ রয়েছে। ১৯ ও ২০ আগস্টের হামলা ছাড়াও ২০২৫ সালে ৩০ এপ্রিল প্রকাশ্যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়ান ইমন,শহীদ তিতুমীর হলে হামলা চালান গোবিপ্রবি প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি কে এম ইয়ামিনুল হাসান আলিফের উপর। এ বিষয়ে আলিফের মন্তব্য চাওয়া হলে তিনি বলেন, যা ঘটেছে তা সবাই জানে,দেখেছে,ভিডিও প্রমাণ সবই আছে। এর বেশিকিছু কাউকে নিয়ে কিছু বলতে চাই না। এতদিন পর এসব নিয়ে কথা বলে ঘটনা বাড়াতে চাই না। এদিকে এ ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে জানিয়ে প্রক্টর আহসান সৌরভ বলেন, ঘটনা সম্পর্কে আমি অবগত। ডিবেটিং সোসাইটির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ও ফেসবুক পোস্ট নিয়ে আইন ও ইতিহাস বিভাগের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়, তিতুমীর হলে ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থীদের খুঁজতে থাকে ও অশ্লীল স্লোগান দেয় আইন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। একটা সময় আমরা পরিস্থিতি ঠান্ডা করার চেষ্টা করছিলাম কিন্তু পরবর্তীতে দুই বিভাগ মুখোমুখি অবস্থান নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া করে।
এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাংবাদিক হেনস্তা ও হামলার ঘটনায় তিনি বলেন এটি কোনোভাবেই কাম্য নয়। অভিযোগ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।