আলী হোসেন নবীগঞ্জ প্রতিনিধি:
নবীগঞ্জ উপজেলার বিশিষ্ট ব্যক্তি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদ (মুতি) আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। তিনি উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের জালালপুর গ্রামের বাসিন্দা। মৃত্যুকালে তিনি তিন সন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ১৮ আগস্ট দুপুরে জানাজার নামাজ শেষে তাঁকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়।
দাফনের আগে নবীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রত্যয় হাসেমের পক্ষ থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদ (মুতি)-কে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয়। এ সময় নবীগঞ্জ থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল মিত্রের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল তাঁকে সশস্ত্র সালাম জানায়। বিউগলে করুণ সুর বাজানোর মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদর্শন করা হয়। পরে তাঁর কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। উপস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আব্দুর রশিদ (মুতি)-এর অসামান্য অবদান জাতি চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। তিনি ছিলেন একজন সৎ, সাহসী ও দেশপ্রেমিক মানুষ। মরহুমের জানাজায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নেতৃবৃন্দ, পুলিশ প্রশাসনের সদস্য, সাংবাদিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন।
জানাজা শেষে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়।
নবীগঞ্জ উপজেলার বিশিষ্ট ব্যক্তি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদ (মুতি) আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। তিনি উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের জালালপুর গ্রামের বাসিন্দা। মৃত্যুকালে তিনি তিন সন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ১৮ আগস্ট দুপুরে জানাজার নামাজ শেষে তাঁকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়।
দাফনের আগে নবীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রত্যয় হাসেমের পক্ষ থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদ (মুতি)-কে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয়। এ সময় নবীগঞ্জ থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল মিত্রের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল তাঁকে সশস্ত্র সালাম জানায়। বিউগলে করুণ সুর বাজানোর মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদর্শন করা হয়। পরে তাঁর কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। উপস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আব্দুর রশিদ (মুতি)-এর অসামান্য অবদান জাতি চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। তিনি ছিলেন একজন সৎ, সাহসী ও দেশপ্রেমিক মানুষ। মরহুমের জানাজায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নেতৃবৃন্দ, পুলিশ প্রশাসনের সদস্য, সাংবাদিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন।
জানাজা শেষে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়।