সঞ্জীব কুমার সাহা, গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
গলাচিপায় জমি-জমা নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকালের দিকে উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের ছৈলাবুনিয়া গ্রামে। আহত ৫জনকে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও ৫জনকে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এসময় ২টি ট্রাক্টর ভাংচুর করা
স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার ছৈলাবুনিয়া গ্রামের সুদেব পাটনির সাথে একই এলকার হারুন হাওলাদারের জমি-জমা নিয়ে দীর্ঘ দিন যাবত বিরোধ চলছিল। শনিবার সকালে উচ্চ আদালতে রায়ে সুদেব পাটনি চাষাবাদ করতে গেলে হারুন হাওলাদারের লোকজন বাঁধা দিলে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। সংঘর্ষে আশীষ (৪২), ইব্রাহিম (২৮), রাসেল (২৪), সোনিয়া (১৭), মোর্শেদাকে (৭০) গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অপরপক্ষের শামীম মৃধা (৩২), রুবেল মৃধা (৩২), কুলসুম (৩৫), আনোয়ারা (৫৫), ইছাকে (৩৫) পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সুদেব পাটনি জানায়, দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে প্রায় ৬ একর জমি নিয়ে হারুন হাওলাদারের গ্রুপের সাথে বিরোধ চলছিল। আমি নিম্ন আদালতে রায় পাই, উচ্চ আদালত আমার পক্ষে নিম্ন আদালতে রায় বহাল রাখে। আজ সকালে চাষাবাদ করতে গেলে হারুন হাওলাদারের আমাদের উপর হমলা করে ৮-১০জনকে কুপিয়ে-পিটিয়ে আহত করে। অপর পক্ষ হারুন হাওলাদার জানায়, সুদেব পাটনি ও তাদের লোকজন জোড় করে চাষবাদ করতে গেলে আমি বাঁধা দিতে গেলে আমাদের ৮-১০জনকে আহত করে। এ প্রসঙ্গে গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, “আমখোলা ইউনিয়নের ছৈলাবুনিয়া গ্রামের জমি-জমা বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
হামলার বিষয়ে এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ নজরদারি করছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
গলাচিপায় জমি-জমা নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকালের দিকে উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের ছৈলাবুনিয়া গ্রামে। আহত ৫জনকে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও ৫জনকে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এসময় ২টি ট্রাক্টর ভাংচুর করা
স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার ছৈলাবুনিয়া গ্রামের সুদেব পাটনির সাথে একই এলকার হারুন হাওলাদারের জমি-জমা নিয়ে দীর্ঘ দিন যাবত বিরোধ চলছিল। শনিবার সকালে উচ্চ আদালতে রায়ে সুদেব পাটনি চাষাবাদ করতে গেলে হারুন হাওলাদারের লোকজন বাঁধা দিলে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। সংঘর্ষে আশীষ (৪২), ইব্রাহিম (২৮), রাসেল (২৪), সোনিয়া (১৭), মোর্শেদাকে (৭০) গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অপরপক্ষের শামীম মৃধা (৩২), রুবেল মৃধা (৩২), কুলসুম (৩৫), আনোয়ারা (৫৫), ইছাকে (৩৫) পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সুদেব পাটনি জানায়, দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে প্রায় ৬ একর জমি নিয়ে হারুন হাওলাদারের গ্রুপের সাথে বিরোধ চলছিল। আমি নিম্ন আদালতে রায় পাই, উচ্চ আদালত আমার পক্ষে নিম্ন আদালতে রায় বহাল রাখে। আজ সকালে চাষাবাদ করতে গেলে হারুন হাওলাদারের আমাদের উপর হমলা করে ৮-১০জনকে কুপিয়ে-পিটিয়ে আহত করে। অপর পক্ষ হারুন হাওলাদার জানায়, সুদেব পাটনি ও তাদের লোকজন জোড় করে চাষবাদ করতে গেলে আমি বাঁধা দিতে গেলে আমাদের ৮-১০জনকে আহত করে। এ প্রসঙ্গে গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, “আমখোলা ইউনিয়নের ছৈলাবুনিয়া গ্রামের জমি-জমা বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
হামলার বিষয়ে এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ নজরদারি করছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”