আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:- কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলার যমজ দুই ভাই তাসিন আল মাহমুদ জয় ও তামিম আল মাহমুদ বিজয় এবারের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। যমজ দুই ভাইয়ের এমন সাফল্যে আনন্দিত তাদের বাবা-মা, শিক্ষক ও স্বজনেরা। তাসিন আল মাহমুদ জয় ও তামিম আল মাহমুদ বিজয় ভূরুঙ্গামারী উপজেলার দেওয়ানের খামার এলাকার বাসিন্দা। তারা ভূরুঙ্গামারী সরকারি কলেজের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের প্রভাষক মো. মোজাফফর হোসেন রিপন ও শিক্ষিকা শিরিনা পারভীন দম্পতির ছেলে। যমজ দুই ভাই দিনাজপুরের চিরিরবন্দর আইডিয়াল রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুলে পড়াশোনা করেছে।
একই বিদ্যালয় থেকে তারা এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে দুজনই জিপিএ-৫ অর্জন করে। তাসিন আল মাহমুদ জয় ও তামিম আল মাহমুদ বিজয় জানায়, তারা ছোটবেলা থেকেই একই সঙ্গে পড়াশোনা করেছে। এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের জন্য বাবা-মা সব সময় তাদের উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা দিয়েছেন। ভবিষ্যতে তারা নটর ডেম কলেজ অথবা সেন্ট জোসেফ কলেজে ভর্তি হতে চায়। পড়াশোনা শেষ করে দুজনই প্রকৌশলী হওয়ার স্বপ্ন দেখছে। তাদের মা শিরিনা পারভীন বলেন, ‘আমার দুই ছেলেই এবারের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে। তাদের দুজনের ফলাফলে পরিবারের সবাই খুব খুশি। আপনারা ওদের জন্য দোয়া করবেন, যেন তারা ভবিষ্যতে আরও ভালো করতে পারে।’ চিরিরবন্দর আইডিয়াল রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুলের পরিচালক ও অধ্যক্ষ মো. মমিনুল ইসলাম বলেন, ‘ফলাফল বিপর্যয়ের মাঝেও আমাদের শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল করেছে।
যমজ দুই শিক্ষার্থী অত্যন্ত মেধাবী ও পরিশ্রমী। আগামীর দিনগুলোতে তারা পড়ালেখার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারলে তাদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবে।’ যমজ দুই ভাইয়ের এই সাফল্যে পরিবার, শিক্ষক ও স্বজনদের মধ্যে আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে। তাদের স্বপ্ন, উচ্চশিক্ষা শেষে প্রকৌশলী হয়ে দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করা।
একই বিদ্যালয় থেকে তারা এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে দুজনই জিপিএ-৫ অর্জন করে। তাসিন আল মাহমুদ জয় ও তামিম আল মাহমুদ বিজয় জানায়, তারা ছোটবেলা থেকেই একই সঙ্গে পড়াশোনা করেছে। এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের জন্য বাবা-মা সব সময় তাদের উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা দিয়েছেন। ভবিষ্যতে তারা নটর ডেম কলেজ অথবা সেন্ট জোসেফ কলেজে ভর্তি হতে চায়। পড়াশোনা শেষ করে দুজনই প্রকৌশলী হওয়ার স্বপ্ন দেখছে। তাদের মা শিরিনা পারভীন বলেন, ‘আমার দুই ছেলেই এবারের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে। তাদের দুজনের ফলাফলে পরিবারের সবাই খুব খুশি। আপনারা ওদের জন্য দোয়া করবেন, যেন তারা ভবিষ্যতে আরও ভালো করতে পারে।’ চিরিরবন্দর আইডিয়াল রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুলের পরিচালক ও অধ্যক্ষ মো. মমিনুল ইসলাম বলেন, ‘ফলাফল বিপর্যয়ের মাঝেও আমাদের শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল করেছে।
যমজ দুই শিক্ষার্থী অত্যন্ত মেধাবী ও পরিশ্রমী। আগামীর দিনগুলোতে তারা পড়ালেখার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারলে তাদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবে।’ যমজ দুই ভাইয়ের এই সাফল্যে পরিবার, শিক্ষক ও স্বজনদের মধ্যে আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে। তাদের স্বপ্ন, উচ্চশিক্ষা শেষে প্রকৌশলী হয়ে দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করা।