আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:-
৫০ শয্যাবিশিষ্ট কুড়িগ্রাম জেলার চর রাজিবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের জন্য বরাদ্দ সরকারি ওষুধ মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় রাতের আঁধারে পুড়িয়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (১০ আগস্ট) রাতে হাসপাতাল চত্বরে ওষুধ পোড়ানোর সময় স্থানীয় লোকজন আপত্তি জানান। পরে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে প্রশাসনের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি শান্ত হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রত্যন্ত চরাঞ্চলের দরিদ্র মানুষ চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে এলেও প্রয়োজনীয় সরকারি ওষুধ পাওয়া যায় না। ফলে বিনামূল্যে ওষুধ পাওয়ার আশায় হাসপাতালে আসা রোগীদের অনেককেই বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে হয়। অথচ সেই হাসপাতালে রোগীদের জন্য বরাদ্দের ওষুধ মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে কয়েক বস্তা নষ্ট হয়েছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার রাতে হাসপাতাল চত্বরে ওষুধ পোড়ানো হচ্ছে এমন খবর পেয়ে রাজিবপুর সদর ইউনিয়ন যুবদলের সদস্যসচিব আল আমিনসহ কয়েকজন সেখানে যান। তারা ওষুধ পোড়ানোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছে জানতে চান। পরে বিষয়টি নিয়ে হইচই পড়ে যায়। মোঃ আল আমিন বলেন, রাতের আঁধারে তিন বস্তা সরকারি ওষুধ পোড়ানো হচ্ছে এমন খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে গিয়ে তিন বস্তা ওষুধ পড়ে থাকতে দেখি। সরকারি টাকায় কেনা ওষুধে ‘বেসরকারি মোড়ক’ তবে ওষুধ পোড়ানোর বিষয়ে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সারওয়ার জাহান বলেন, হাসপাতাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য কিছু পুরোনো কাগজপত্র পুড়িয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ সময় কিছু পুরোনো মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ পাওয়া যায়। সেগুলো করোনার সময়ের। ঘটনার পর রাজিবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ সায়েকুল হাসান খান ঘটনাস্থলে গিয়ে ওষুধ ও অন্যান্য সরঞ্জাম সরেজমিনে পরিদর্শন করে নমুনা সংগ্রহ করেন। তিনি বলেন, বিষয়টি স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি। তারা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
কুড়িগ্রামের সিভিল সার্জন ডাঃ স্বপন কুমার বিশ্বাস বলেন, এভাবে ওষুধ পোড়ানোর কোনো নিয়ম নেই। এ ঘটনায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে তদন্ত দল মাঠে কাজ করছে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৫০ শয্যাবিশিষ্ট কুড়িগ্রাম জেলার চর রাজিবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের জন্য বরাদ্দ সরকারি ওষুধ মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় রাতের আঁধারে পুড়িয়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (১০ আগস্ট) রাতে হাসপাতাল চত্বরে ওষুধ পোড়ানোর সময় স্থানীয় লোকজন আপত্তি জানান। পরে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে প্রশাসনের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি শান্ত হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রত্যন্ত চরাঞ্চলের দরিদ্র মানুষ চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে এলেও প্রয়োজনীয় সরকারি ওষুধ পাওয়া যায় না। ফলে বিনামূল্যে ওষুধ পাওয়ার আশায় হাসপাতালে আসা রোগীদের অনেককেই বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে হয়। অথচ সেই হাসপাতালে রোগীদের জন্য বরাদ্দের ওষুধ মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে কয়েক বস্তা নষ্ট হয়েছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার রাতে হাসপাতাল চত্বরে ওষুধ পোড়ানো হচ্ছে এমন খবর পেয়ে রাজিবপুর সদর ইউনিয়ন যুবদলের সদস্যসচিব আল আমিনসহ কয়েকজন সেখানে যান। তারা ওষুধ পোড়ানোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছে জানতে চান। পরে বিষয়টি নিয়ে হইচই পড়ে যায়। মোঃ আল আমিন বলেন, রাতের আঁধারে তিন বস্তা সরকারি ওষুধ পোড়ানো হচ্ছে এমন খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে গিয়ে তিন বস্তা ওষুধ পড়ে থাকতে দেখি। সরকারি টাকায় কেনা ওষুধে ‘বেসরকারি মোড়ক’ তবে ওষুধ পোড়ানোর বিষয়ে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সারওয়ার জাহান বলেন, হাসপাতাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য কিছু পুরোনো কাগজপত্র পুড়িয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ সময় কিছু পুরোনো মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ পাওয়া যায়। সেগুলো করোনার সময়ের। ঘটনার পর রাজিবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ সায়েকুল হাসান খান ঘটনাস্থলে গিয়ে ওষুধ ও অন্যান্য সরঞ্জাম সরেজমিনে পরিদর্শন করে নমুনা সংগ্রহ করেন। তিনি বলেন, বিষয়টি স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি। তারা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
কুড়িগ্রামের সিভিল সার্জন ডাঃ স্বপন কুমার বিশ্বাস বলেন, এভাবে ওষুধ পোড়ানোর কোনো নিয়ম নেই। এ ঘটনায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে তদন্ত দল মাঠে কাজ করছে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।