কাঙ্ক্ষিত ফলাফলে ড্রামের তালে তালে উচ্ছ্বসিত ভিকারুননিসা স্কুলের ছাত্রীরা স্টাফ রিপোর্টার স্টাফ রিপোর্টার

আপলোড সময় : ১০-০৮-২০২৬ ০২:২১:১৬ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১০-০৮-২০২৬ ০২:২৩:৫৪ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক


এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর সহপাঠীদের সঙ্গে বাঁধভাঙা আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মেতেছেন রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা। ড্রামের তালে তালে নেচে-গেয়ে ভালো ফলাফলের সাফল্য উদযাপন করেন তারা। অভিভাবকরাও একে অন্যকে মিষ্টি খাইয়ে সন্তানদের সফলতার খুশি ভাগাভাগি করে নেন। বিজ্ঞাপন সোমবার সকাল ১০টায় ফল প্রকাশের পর অনলাইনে রেজাল্ট দেখার পাশাপাশি ফলাফল জানতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অনেকে প্রতিষ্ঠানটির প্রাঙ্গণে ভিড় করেন। ফল প্রকাশের পর স্কুল ও কলেজ প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। অনলাইনে ফলাফল দেখতে কিছুটা সময় লাগায় দ্রুত ফল জানতে অনেকে প্রতিষ্ঠানে ছুটে আসেন। ফল জানতে আসা ইকবাল হোসেন বলেন, ‘বাসায় ইন্টারনেট স্লো। তাই কলেজে এসেছি। এখানে সবার সঙ্গে একত্রে মেয়ের ফল দেখার ইচ্ছা থেকেই ছুটে এসেছি।’ বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ভিকারুননিসা নূন স্কুলের শিক্ষার্থী নার্গিস জুঁই। অনলাইনে ফলাফল দেখার পর জিপিএ-৫ পাওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আমি ভালো রেজাল্ট করার জন্য অনেক কষ্ট করেছি। রাত জেগে পড়াশোনা করতাম, দিনের বেলাও দুপুরে না ঘুমিয়ে পড়াশোনা করেছি। আমার আম্মুও রাত জেগে বসে থাকতেন আমার সঙ্গে। আমি জিপিএ-৫ পাওয়ায় আব্বু-আম্মু অনেক খুশি হয়েছেন। তাদের খুশি করতে পেরেছি, আমার অক্লান্ত পরিশ্রম কাজে লেগেছে—এ জন্য ভীষণ ভালো লাগছে। ভবিষ্যতেও এই ভালো ফলাফলের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চাই।’ ফল প্রকাশের আগে দুশ্চিন্তায় ছিলেন আরেক শিক্ষার্থী নাবিলা জান্নাত। এই শিক্ষার্থীর ভাষ্য, ‘উচ্চতর গণিতে ইংলিশ মিডিয়ামের প্রশ্নপত্রের ১২ নম্বরটি ভুল ছিল। আমার প্রত্যাশা ছিল জিপিএ-৫। এখন ফলও ভালো হয়েছে। আমি আমার ফলাফলে অনেক অনেক খুশি।’ ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি জানান, ‘আপাতত ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকেই এইচএসসি শেষ করতে চাই। ভবিষ্যতে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন দেখি।’ ফলাফল পাওয়ার পর মাকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন আরেক শিক্ষার্থী আর্শি আলমগীর খান। পরে নিজের ফল নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, ‘নিয়মিত পড়াশোনা করেছি। আমার জিপিএ-৫ এসেছে। সবার প্রথমে সৃষ্টিকর্তা, এরপর বাবা-মা ও শিক্ষকদের অবদান রয়েছে।



আমার চেষ্টা আর তাদের সহযোগিতা পেয়েছি বলেই এমন আশানুরূপ ভালো রেজাল্ট করতে পেরেছি।’ মেয়ের জিপিএ-৫ পাওয়ায় আনন্দ প্রকাশ করে রাহির মা মনিরা বেগম বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। ওর জিপিএ-৫ এসেছে। পরবর্তী পরীক্ষাগুলোর রেজাল্টও ভালো হোক এবং মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে উঠুক—সৃষ্টিকর্তার কাছে এই দোয়াই করি।’ চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। গত বছর এ হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। ফলে এবার পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ২০ শতাংশ। এ বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিতে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করে।


এর মধ্যে সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডে এসএসসিতে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদ্রাসা বোর্ডে দাখিলে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এসআর

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : banglaralonewsbd@gmail.com