পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি:
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার ভেন্ডাবাড়ী হাটে সাবেক ইউপি সদস্য হরিদাস চন্দ্রের খড়ির আড়ৎ থেকে সরকারি বনের আকাশমনি গাছের চোরাই কাঠ গুল উদ্ধারের ঘটনায় বন বিভাগের কিছু কর্মকর্তা ও বন প্রহরীর ভূমিকা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও সংশয়ের সৃষ্টি হয়েছে। গত ৬ আগস্ট রাতে পরিচালিত এক অভিযানে বন বিভাগ আড়ৎ থেকে কয়েকটি আকাশমনি গাছের গুল উদ্ধার করে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, আড়তের মূল গোডাউন তল্লাশি না করায় বিপুল পরিমাণ চোরাই কাঠ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, খড়ি ব্যবসায়ী হরিদাস চন্দ্র দীর্ঘদিন ধরে মিঠাপুকুর রেঞ্জের বিভিন্ন বনবিট এলাকা থেকে সরকারি বনের গাছ সংগ্রহ করে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন।
এ কাজে বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সহযোগিতা রয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীর দাবি, বন বিভাগের কিছু সদস্যকে নিয়মিত মাসোহারা দেওয়া হতো এবং তাদের আড়তে প্রায়ই বন বিভাগের লোকজনের যাতায়াত দেখা যেত। ফলে সরকারি বনাঞ্চল থেকে গাছ পাচার অব্যাহত রয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, ৫ আগস্ট দুপুরে ৮ থেকে ১০টি ভ্যানে করে বিপুল পরিমাণ আকাশমনি গাছের গুল প্রকাশ্যে আড়তে আনা হয়। বিষয়টি বন বিভাগকে জানানো হলেও তাৎক্ষণিক কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। পরদিন স্থানীয়রা পুনরায় বন কর্মকর্তাদের অবগত করলে মিঠাপুকুর রেঞ্জ কর্মকর্তার নির্দেশে ঝাড়বিশলা বনবিটের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান। তবে অভিযোগ রয়েছে, আড়তের মূল ঘরে তালা লাগিয়ে মালিক চলে গেলেও তাকে আটক করা হয়নি এবং তালাবদ্ধ গোডাউন খুলে তল্লাশিরও কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। স্থানীয়দের অভিযোগ, বন বিভাগের দল কেবল আড়তের সামনে থাকা কয়েকটি গুল জব্দ করে চলে যায়। পরে তালাবদ্ধ গোডাউনে থাকা চোরাই কাঠ অন্যত্র সরিয়ে ফেলা হয়েছে বলে দাবি করেন এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে ঝাড়বিশলা বনবিট কর্মকর্তা মেহেদী হাসান বলেন, “তালাবদ্ধ গোডাউনে চোরাই কাঠ ছিল—এ তথ্য আমার জানা ছিল না। তাই সেখানে তল্লাশি করা হয়নি।” অন্যদিকে বন প্রহরী আকমল হোসেনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য না করে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। মিঠাপুকুর রেঞ্জ কর্মকর্তা ইকবাল হাসান বলেন, “চোরাই কাঠ ব্যবসায়ী হরিদাস চন্দ্রের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পাশাপাশি বন বিভাগের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” এ ঘটনায় এলাকাবাসী নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। প্রতিবেদন: মোস্তফা মিয়া, সাংবাদিক
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার ভেন্ডাবাড়ী হাটে সাবেক ইউপি সদস্য হরিদাস চন্দ্রের খড়ির আড়ৎ থেকে সরকারি বনের আকাশমনি গাছের চোরাই কাঠ গুল উদ্ধারের ঘটনায় বন বিভাগের কিছু কর্মকর্তা ও বন প্রহরীর ভূমিকা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও সংশয়ের সৃষ্টি হয়েছে। গত ৬ আগস্ট রাতে পরিচালিত এক অভিযানে বন বিভাগ আড়ৎ থেকে কয়েকটি আকাশমনি গাছের গুল উদ্ধার করে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, আড়তের মূল গোডাউন তল্লাশি না করায় বিপুল পরিমাণ চোরাই কাঠ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, খড়ি ব্যবসায়ী হরিদাস চন্দ্র দীর্ঘদিন ধরে মিঠাপুকুর রেঞ্জের বিভিন্ন বনবিট এলাকা থেকে সরকারি বনের গাছ সংগ্রহ করে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন।
এ কাজে বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সহযোগিতা রয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীর দাবি, বন বিভাগের কিছু সদস্যকে নিয়মিত মাসোহারা দেওয়া হতো এবং তাদের আড়তে প্রায়ই বন বিভাগের লোকজনের যাতায়াত দেখা যেত। ফলে সরকারি বনাঞ্চল থেকে গাছ পাচার অব্যাহত রয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, ৫ আগস্ট দুপুরে ৮ থেকে ১০টি ভ্যানে করে বিপুল পরিমাণ আকাশমনি গাছের গুল প্রকাশ্যে আড়তে আনা হয়। বিষয়টি বন বিভাগকে জানানো হলেও তাৎক্ষণিক কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। পরদিন স্থানীয়রা পুনরায় বন কর্মকর্তাদের অবগত করলে মিঠাপুকুর রেঞ্জ কর্মকর্তার নির্দেশে ঝাড়বিশলা বনবিটের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান। তবে অভিযোগ রয়েছে, আড়তের মূল ঘরে তালা লাগিয়ে মালিক চলে গেলেও তাকে আটক করা হয়নি এবং তালাবদ্ধ গোডাউন খুলে তল্লাশিরও কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। স্থানীয়দের অভিযোগ, বন বিভাগের দল কেবল আড়তের সামনে থাকা কয়েকটি গুল জব্দ করে চলে যায়। পরে তালাবদ্ধ গোডাউনে থাকা চোরাই কাঠ অন্যত্র সরিয়ে ফেলা হয়েছে বলে দাবি করেন এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে ঝাড়বিশলা বনবিট কর্মকর্তা মেহেদী হাসান বলেন, “তালাবদ্ধ গোডাউনে চোরাই কাঠ ছিল—এ তথ্য আমার জানা ছিল না। তাই সেখানে তল্লাশি করা হয়নি।” অন্যদিকে বন প্রহরী আকমল হোসেনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য না করে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। মিঠাপুকুর রেঞ্জ কর্মকর্তা ইকবাল হাসান বলেন, “চোরাই কাঠ ব্যবসায়ী হরিদাস চন্দ্রের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পাশাপাশি বন বিভাগের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” এ ঘটনায় এলাকাবাসী নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। প্রতিবেদন: মোস্তফা মিয়া, সাংবাদিক