স্টাফ রিপোর্টারঃ
নেত্রকোনার দুর্গাপুরে সোমেশ্বরী নদী থেকে শাহীন চৌধুরী (৫৫) নামে এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (৯ আগস্ট) সকালে উপজেলার পূর্ব বাকলজোড়া এলাকার জামে মসজিদসংলগ্ন সোমেশ্বরী নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত শাহীন চৌধুরী দুর্গাপুর উপজেলার চণ্ডিগড় ইউনিয়নের বরইউন্দ গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফ চৌধুরীর ছেলে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের ছোট ভাই কায়সার আহমেদ চৌধুরী মরদেহটি তাঁর ভাইয়ের বলে শনাক্ত করেন। দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদ জানান, শাহীন চৌধুরী প্রায় ৩০ বছর ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন।
নেশাগ্রস্ত অবস্থায় তিনি প্রায়ই বিভিন্ন স্থানে অচেতন হয়ে পড়ে থাকতেন। ধারণা করা হচ্ছে, পানিতে পড়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানায়, মরদেহে কোনো ধরনের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় এবং তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
নেত্রকোনার দুর্গাপুরে সোমেশ্বরী নদী থেকে শাহীন চৌধুরী (৫৫) নামে এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (৯ আগস্ট) সকালে উপজেলার পূর্ব বাকলজোড়া এলাকার জামে মসজিদসংলগ্ন সোমেশ্বরী নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত শাহীন চৌধুরী দুর্গাপুর উপজেলার চণ্ডিগড় ইউনিয়নের বরইউন্দ গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফ চৌধুরীর ছেলে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের ছোট ভাই কায়সার আহমেদ চৌধুরী মরদেহটি তাঁর ভাইয়ের বলে শনাক্ত করেন। দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদ জানান, শাহীন চৌধুরী প্রায় ৩০ বছর ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন।
নেশাগ্রস্ত অবস্থায় তিনি প্রায়ই বিভিন্ন স্থানে অচেতন হয়ে পড়ে থাকতেন। ধারণা করা হচ্ছে, পানিতে পড়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানায়, মরদেহে কোনো ধরনের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় এবং তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।