আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:-
কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলায় গলায় কংক্রিটের টুকরা বাঁধা অবস্থায় গোলাপি নামে এক নারীর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় প্রধান আসামিসহ তিন জনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। বুধবার (৫ আগস্ট) ঢাকা জেলার সাভার উপজেলার দক্ষিণ রাজাশান ও আইচানোয়াদ্দা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয় হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব-১৩ ব্যাটালিয়নের মিডিয়া সেল। এর আগে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের পুরাতন যাদুরচর নামক এলাকার একটি ডোবার পানি থেকে গৃহবধূ গোলাপির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাওয়াইর গ্রামের প্রবাস ফেরত সৈয়দ আলীর স্ত্রী। স্বামীর মামাতো ভাইদের সঙ্গে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তাকে হত্যা করে লাশ ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন নিহতের স্বামী এবং বাবার বাড়ির লোকজন। এ ঘটনায় নিহতের ভাই বেলাল হোসেন বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করে রৌমারী থানায় মামলা করেন।
র্যাব জানায়, বুধবার ঢাকার সাভার এলাকায় একটি যৌথ অভিযান চালিয়ে ওই মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি মোঃ হাসিনুর রহমান (৪৬), ৩নং আসামি মোঃ আব্দুল মতিন (৪৫) ও ৬নং আসামি মোঃ রহমত আলীকে (৫৫) গ্রেফতার করা হয়েছে। র্যাব আরও জানায়, মামলাটির গুরুত্ব বিবেচনায় অভিযুক্তদের গ্রেফতারে র্যাব-১৩ কর্তৃক গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়। সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র্যাবের যৌথ আভিযানিক দল বুধবার দুপুরে ঢাকা জেলার সাভার থানাধীন দক্ষিণ রাজাশান এলাকায় অভিযান চালায়।
এ সময় প্রধান আসামি মোঃ হাসিনুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সাভার থানাধীন আইচানোয়াদ্দা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মোঃ আব্দুল মতিন ও মোঃ রহমত আলীকে গ্রেফতার করা হয়। রংপুর র্যাব-১৩ ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) বিপ্লব কুমার গোস্বামী বলেন, ‘পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতার আসামিদেরকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। হত্যা, অপহরণ ও ধর্ষণের মতো গুরুতর অপরাধ দমনে র্যাবের এই নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলায় গলায় কংক্রিটের টুকরা বাঁধা অবস্থায় গোলাপি নামে এক নারীর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় প্রধান আসামিসহ তিন জনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। বুধবার (৫ আগস্ট) ঢাকা জেলার সাভার উপজেলার দক্ষিণ রাজাশান ও আইচানোয়াদ্দা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয় হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব-১৩ ব্যাটালিয়নের মিডিয়া সেল। এর আগে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের পুরাতন যাদুরচর নামক এলাকার একটি ডোবার পানি থেকে গৃহবধূ গোলাপির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাওয়াইর গ্রামের প্রবাস ফেরত সৈয়দ আলীর স্ত্রী। স্বামীর মামাতো ভাইদের সঙ্গে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তাকে হত্যা করে লাশ ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন নিহতের স্বামী এবং বাবার বাড়ির লোকজন। এ ঘটনায় নিহতের ভাই বেলাল হোসেন বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করে রৌমারী থানায় মামলা করেন।
র্যাব জানায়, বুধবার ঢাকার সাভার এলাকায় একটি যৌথ অভিযান চালিয়ে ওই মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি মোঃ হাসিনুর রহমান (৪৬), ৩নং আসামি মোঃ আব্দুল মতিন (৪৫) ও ৬নং আসামি মোঃ রহমত আলীকে (৫৫) গ্রেফতার করা হয়েছে। র্যাব আরও জানায়, মামলাটির গুরুত্ব বিবেচনায় অভিযুক্তদের গ্রেফতারে র্যাব-১৩ কর্তৃক গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়। সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র্যাবের যৌথ আভিযানিক দল বুধবার দুপুরে ঢাকা জেলার সাভার থানাধীন দক্ষিণ রাজাশান এলাকায় অভিযান চালায়।
এ সময় প্রধান আসামি মোঃ হাসিনুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সাভার থানাধীন আইচানোয়াদ্দা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মোঃ আব্দুল মতিন ও মোঃ রহমত আলীকে গ্রেফতার করা হয়। রংপুর র্যাব-১৩ ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) বিপ্লব কুমার গোস্বামী বলেন, ‘পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতার আসামিদেরকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। হত্যা, অপহরণ ও ধর্ষণের মতো গুরুতর অপরাধ দমনে র্যাবের এই নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।’