মো:কোরবান আলী,উল্লাপাড়া , সিরাজগঞ্জ:
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় অবৈধভাবে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে পণ্য খালাসের চাঞ্চল্যকর তথ্য উদঘাটনে গিয়ে সন্ত্রাসী কায়দায় হামলার শিকার হয়েছেন সাংবাদিকরা। বুধবার (২২ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার দুর্গানগর ইউনিয়নের বালসাবাড়ী এলাকায় ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় জনমনে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি শুধু একটি হামলা নয়—বরং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, প্রশাসনিক নজরদারি এবং গণমাধ্যমের নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই বালসাবাড়ী এলাকায় প্রভাবশালী একটি চক্রের মাধ্যমে গোপনে ভারতীয় হাইব্রিড সিল্ক সুতা খালাস করা হচ্ছে। এতে সরকারের বিপুল অঙ্কের রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এমন গুরুতর অনিয়মের তথ্য পেয়ে দায়িত্বশীল সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ ও ভিডিও ধারণ করতে গেলে তাদের ওপর পরিকল্পিত ও সংঘবদ্ধ হামলা চালানো হয়।
অভিযোগ উঠেছে, আলামিন জোয়াদ্দার নামের এক ব্যক্তি ও তার সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্রসজ্জিত হয়ে সাংবাদিকদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে দৈনিক শ্যামল বাংলা পত্রিকার প্রতিনিধি তুহিন আলম, দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রতিনিধি আতাউর রহমান রাজু এবং গ্রীন টিভির প্রতিনিধি আরিফুল ইসলাম আহত হন। হামলাকারীরা শুধু মারধরেই ক্ষান্ত হয়নি—তারা সাংবাদিকদের ক্যামেরা, মোবাইল ফোনসহ গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম ভাঙচুর করে এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগে বাধ্য করে।
এ ঘটনায় আহত সাংবাদিক আতাউর রহমান রাজু বাদী হয়ে উল্লাপাড়া মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তবে ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও দৃশ্যমান কোনো গ্রেপ্তার বা কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়ায় জনমনে অসন্তোষ বাড়ছে।
ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার কথা জানালেও স্থানীয়দের দাবি—এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম বহুদিন ধরেই প্রকাশ্যে চললেও তা বন্ধে কার্যকর কোনো অভিযান দেখা যায়নি। ফলে প্রশাসনের নীরবতা ও দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হচ্ছে।
সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ ও সচেতন নাগরিক সমাজ এ ঘটনাকে “গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধের অপচেষ্টা” আখ্যা দিয়ে অবিলম্বে জড়িতদের গ্রেপ্তার, অবৈধ পণ্য খালাস সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান এবং সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, সাংবাদিকদের ওপর এমন প্রকাশ্য হামলা শুধু ব্যক্তি আক্রমণ নয়—এটি রাষ্ট্রের আইনের শাসন, জবাবদিহিতা এবং স্বাধীন সংবাদমাধ্যমের ওপর সরাসরি আঘাত। এখনই কঠোর ও দৃশ্যমান ব্যবস্থা না নিলে অপরাধচক্র আরও বেপরোয়া হয়ে উঠবে—এমন আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় অবৈধভাবে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে পণ্য খালাসের চাঞ্চল্যকর তথ্য উদঘাটনে গিয়ে সন্ত্রাসী কায়দায় হামলার শিকার হয়েছেন সাংবাদিকরা। বুধবার (২২ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার দুর্গানগর ইউনিয়নের বালসাবাড়ী এলাকায় ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় জনমনে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি শুধু একটি হামলা নয়—বরং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, প্রশাসনিক নজরদারি এবং গণমাধ্যমের নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই বালসাবাড়ী এলাকায় প্রভাবশালী একটি চক্রের মাধ্যমে গোপনে ভারতীয় হাইব্রিড সিল্ক সুতা খালাস করা হচ্ছে। এতে সরকারের বিপুল অঙ্কের রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এমন গুরুতর অনিয়মের তথ্য পেয়ে দায়িত্বশীল সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ ও ভিডিও ধারণ করতে গেলে তাদের ওপর পরিকল্পিত ও সংঘবদ্ধ হামলা চালানো হয়।
অভিযোগ উঠেছে, আলামিন জোয়াদ্দার নামের এক ব্যক্তি ও তার সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্রসজ্জিত হয়ে সাংবাদিকদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে দৈনিক শ্যামল বাংলা পত্রিকার প্রতিনিধি তুহিন আলম, দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রতিনিধি আতাউর রহমান রাজু এবং গ্রীন টিভির প্রতিনিধি আরিফুল ইসলাম আহত হন। হামলাকারীরা শুধু মারধরেই ক্ষান্ত হয়নি—তারা সাংবাদিকদের ক্যামেরা, মোবাইল ফোনসহ গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম ভাঙচুর করে এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগে বাধ্য করে।
এ ঘটনায় আহত সাংবাদিক আতাউর রহমান রাজু বাদী হয়ে উল্লাপাড়া মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তবে ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও দৃশ্যমান কোনো গ্রেপ্তার বা কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়ায় জনমনে অসন্তোষ বাড়ছে।
ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার কথা জানালেও স্থানীয়দের দাবি—এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম বহুদিন ধরেই প্রকাশ্যে চললেও তা বন্ধে কার্যকর কোনো অভিযান দেখা যায়নি। ফলে প্রশাসনের নীরবতা ও দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হচ্ছে।
সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ ও সচেতন নাগরিক সমাজ এ ঘটনাকে “গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধের অপচেষ্টা” আখ্যা দিয়ে অবিলম্বে জড়িতদের গ্রেপ্তার, অবৈধ পণ্য খালাস সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান এবং সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, সাংবাদিকদের ওপর এমন প্রকাশ্য হামলা শুধু ব্যক্তি আক্রমণ নয়—এটি রাষ্ট্রের আইনের শাসন, জবাবদিহিতা এবং স্বাধীন সংবাদমাধ্যমের ওপর সরাসরি আঘাত। এখনই কঠোর ও দৃশ্যমান ব্যবস্থা না নিলে অপরাধচক্র আরও বেপরোয়া হয়ে উঠবে—এমন আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।