নিজস্ব প্রতিবেদক
দেশের নদী-নির্ভর মৎস্যসম্পদ রক্ষা ও নৌপথে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে নৌ পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানে বড় সাফল্য এসেছে। গত সাত দিনে দেশব্যাপী পরিচালিত বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ জাল, মাছ ও চিংড়ির রেণু জব্দের পাশাপাশি ২৭৯ জনকে আটক করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অবৈধ জাল ও রেণু নিধন বন্ধে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকলে নদীর জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) নৌ পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সপ্তাহব্যাপী অভিযানে মোট ৪ কোটি ৩২ লাখ ৭১ হাজার ২৮০ মিটার অবৈধ জাল, ৪ হাজার ১৫৮ কেজি মাছ, ৬ লাখ ৫৭ হাজার পিস চিংড়ির রেণু, ১৫ হাজার বাগদা রেণু পোনা এবং ১ হাজার ৩২৮ কেজি জেলীযুক্ত চিংড়ি জব্দ করা হয়েছে। পাশাপাশি নদীর বিভিন্ন এলাকায় অবৈধভাবে স্থাপিত ১৩৩টি ঝোপঝাড় ধ্বংস করা হয়, যা মাছের স্বাভাবিক চলাচলে বাধা সৃষ্টি করছিল।
অভিযান চলাকালে বৈধ কাগজপত্র না থাকায় ৮৩টি বাল্কহেডের বিরুদ্ধে নৌ আদালতে প্রসিকিউশন দায়ের করা হয়েছে। একই সময়ে বিভিন্ন অপরাধে ২৭৯ জনকে গ্রেফতার করে মোট ৬৯টি মামলা দায়ের করা হয়।
এর মধ্যে ৪৬টি মৎস্য আইন, ৯টি বেপরোয়া গতি, ১টি বালুমহাল, ২টি মাদক, ১টি চুরি, ১টি বিশেষ ক্ষমতা আইন এবং ১টি অপহরণ সংক্রান্ত মামলা রয়েছে। এছাড়া অভিযানের অংশ হিসেবে ১২টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে নৌ পুলিশ।
জব্দ করা অবৈধ জাল ও জেলীযুক্ত চিংড়ি ধ্বংস করা হয়েছে। অন্যদিকে চিংড়ির রেণু পানিতে অবমুক্ত করা হয়, যাতে প্রাকৃতিক পরিবেশে তাদের বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে। উদ্ধারকৃত মাছ স্থানীয় এতিমখানাগুলোতে বিতরণ করা হয়েছে।
নৌ পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের মৎস্যসম্পদ রক্ষা, অবৈধ জাল ব্যবহার বন্ধ এবং নদীপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও জোরদারভাবে অব্যাহত থাকবে।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) নৌ পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সপ্তাহব্যাপী অভিযানে মোট ৪ কোটি ৩২ লাখ ৭১ হাজার ২৮০ মিটার অবৈধ জাল, ৪ হাজার ১৫৮ কেজি মাছ, ৬ লাখ ৫৭ হাজার পিস চিংড়ির রেণু, ১৫ হাজার বাগদা রেণু পোনা এবং ১ হাজার ৩২৮ কেজি জেলীযুক্ত চিংড়ি জব্দ করা হয়েছে। পাশাপাশি নদীর বিভিন্ন এলাকায় অবৈধভাবে স্থাপিত ১৩৩টি ঝোপঝাড় ধ্বংস করা হয়, যা মাছের স্বাভাবিক চলাচলে বাধা সৃষ্টি করছিল।
অভিযান চলাকালে বৈধ কাগজপত্র না থাকায় ৮৩টি বাল্কহেডের বিরুদ্ধে নৌ আদালতে প্রসিকিউশন দায়ের করা হয়েছে। একই সময়ে বিভিন্ন অপরাধে ২৭৯ জনকে গ্রেফতার করে মোট ৬৯টি মামলা দায়ের করা হয়।
এর মধ্যে ৪৬টি মৎস্য আইন, ৯টি বেপরোয়া গতি, ১টি বালুমহাল, ২টি মাদক, ১টি চুরি, ১টি বিশেষ ক্ষমতা আইন এবং ১টি অপহরণ সংক্রান্ত মামলা রয়েছে। এছাড়া অভিযানের অংশ হিসেবে ১২টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে নৌ পুলিশ।
জব্দ করা অবৈধ জাল ও জেলীযুক্ত চিংড়ি ধ্বংস করা হয়েছে। অন্যদিকে চিংড়ির রেণু পানিতে অবমুক্ত করা হয়, যাতে প্রাকৃতিক পরিবেশে তাদের বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে। উদ্ধারকৃত মাছ স্থানীয় এতিমখানাগুলোতে বিতরণ করা হয়েছে।
নৌ পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের মৎস্যসম্পদ রক্ষা, অবৈধ জাল ব্যবহার বন্ধ এবং নদীপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও জোরদারভাবে অব্যাহত থাকবে।