মোঃ আবু সাঈদ, চকরিয়া
আজ চকরিয়া উপজেলার ১৬নং পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়ন পরিষদে জেলেদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি চাউল বিতরণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। জনপ্রতি ৭৭.৩ কেজি চাউল দেওয়ার কথা থাকলেও অধিকাংশ জেলেকে ৫ থেকে ১০ কেজি পর্যন্ত কম দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান,স্থানীয় প্রতিনিধি ও গ্রাম পুলিশের উপস্থিতিতে জেলেদের মাঝে চাউল বিতরণ করা হচ্ছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি জেলের ৩০ কেজি ওজনের দুটি সিলমোহরযুক্ত বস্তা এবং ১৭.৩ কেজি খোলা চাউল পাওয়ার কথা। কিন্তু রহস্যজনক কারণে সরকারি সিলমোহরযুক্ত বস্তাগুলো খুলে চাউল ঢেলে অন্য বস্তায় মেপে দেওয়া হচ্ছে। এতে সাধারণ জেলেরা শুধু চাউল কম পাচ্ছেন তা নয়, বরং তাদের আলাদাভাবে খালি বস্তা কিনতেও বাধ্য হতে হচ্ছে।
উপস্থিত জেলেরা অভিযোগ করেন, সরকারি হিসেবে ৭৭.৩ কেজি পাওয়ার কথা থাকলেও কেউ পেয়েছেন ৬৫ কেজি, কেউ বা ৬৮ কেজি। সর্বোচ্চ ৭০ কেজি পর্যন্ত চাউল বিতরণের তথ্য পাওয়া গেছে।
চাউল কম পাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জানান, প্যাকেটজাত করার সময় ওজনে কম হতে পারে।এবং গাড়িতে তোলা নামার সময় প্যাকেট ফেটে গিয়ে স্বাভাবিকভাবে কিছু কমে যেতে পারে।
তবে উপস্থিত সংবাদকর্মীরা কয়েকটি সরকারি বস্তা মেপে দেখলে দেখা যায়, প্রতিটি বস্তায় সঠিক পরিমাণ (৩০ কেজি) চাউলই রয়েছে। এতে স্পষ্ট হয় যে, বিতরণের সময় কৌশলে সাধারণ জেলেদের বরাদ্দ থেকে চাউল সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
অনিয়মের এই চিত্র ক্যামেরাবন্দি করা হয়েছে এবং স্থানীয়দের মাঝে এ নিয়ে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। যথাযথ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ ও তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সুবিধাভোগী জেলেরা।
আজ চকরিয়া উপজেলার ১৬নং পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়ন পরিষদে জেলেদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি চাউল বিতরণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। জনপ্রতি ৭৭.৩ কেজি চাউল দেওয়ার কথা থাকলেও অধিকাংশ জেলেকে ৫ থেকে ১০ কেজি পর্যন্ত কম দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান,স্থানীয় প্রতিনিধি ও গ্রাম পুলিশের উপস্থিতিতে জেলেদের মাঝে চাউল বিতরণ করা হচ্ছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি জেলের ৩০ কেজি ওজনের দুটি সিলমোহরযুক্ত বস্তা এবং ১৭.৩ কেজি খোলা চাউল পাওয়ার কথা। কিন্তু রহস্যজনক কারণে সরকারি সিলমোহরযুক্ত বস্তাগুলো খুলে চাউল ঢেলে অন্য বস্তায় মেপে দেওয়া হচ্ছে। এতে সাধারণ জেলেরা শুধু চাউল কম পাচ্ছেন তা নয়, বরং তাদের আলাদাভাবে খালি বস্তা কিনতেও বাধ্য হতে হচ্ছে।
উপস্থিত জেলেরা অভিযোগ করেন, সরকারি হিসেবে ৭৭.৩ কেজি পাওয়ার কথা থাকলেও কেউ পেয়েছেন ৬৫ কেজি, কেউ বা ৬৮ কেজি। সর্বোচ্চ ৭০ কেজি পর্যন্ত চাউল বিতরণের তথ্য পাওয়া গেছে।
চাউল কম পাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জানান, প্যাকেটজাত করার সময় ওজনে কম হতে পারে।এবং গাড়িতে তোলা নামার সময় প্যাকেট ফেটে গিয়ে স্বাভাবিকভাবে কিছু কমে যেতে পারে।
তবে উপস্থিত সংবাদকর্মীরা কয়েকটি সরকারি বস্তা মেপে দেখলে দেখা যায়, প্রতিটি বস্তায় সঠিক পরিমাণ (৩০ কেজি) চাউলই রয়েছে। এতে স্পষ্ট হয় যে, বিতরণের সময় কৌশলে সাধারণ জেলেদের বরাদ্দ থেকে চাউল সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
অনিয়মের এই চিত্র ক্যামেরাবন্দি করা হয়েছে এবং স্থানীয়দের মাঝে এ নিয়ে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। যথাযথ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ ও তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সুবিধাভোগী জেলেরা।