নিজস্ব প্রতিবেদক
সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যার বিচার দাবিতে আগামী বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দেবে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)। ইতিবাচক সাড়া না পেলে সাংবাদিক সমাজ আরও বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংগঠনটি।
সোমবার (৬ মার্চ) সেগুনবাগিচায় ডিআরইউ চত্বরে সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যার বিচার দাবিতে এক সাংবাদিক সমাবেশে এ কথা বলেন সংগঠনটির সভাপতি আবু সালেহ আকন।
তিনি বলেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের বয়স মাত্র দেড় মাস। ডিআরইউ আশা প্রকাশ করছে এই সরকার শান্তিপূর্ণ ও গঠনমূলক নেতৃত্বের মাধ্যমে এ হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করবে। সংগঠনটি সরকারের প্রধান এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের কাছে বিনীতভাবে আহ্বান জানাচ্ছে—ঘরে ঢুকে সংঘটিত এই নির্মম হত্যার দ্রুত ও নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করা হোক।
ডিআরইউ সভাপতি বলেন, যদি বর্তমান সরকারও এ হত্যাকাণ্ডের বিচার করতে ব্যর্থ হয়, তবে তাদের ওপরও ব্যর্থতার দায় বর্তাবে। আগামী বৃহস্পতিবার আমরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীদের কাছে স্মারকলিপি দিবো। যদি সেখান থেকে কোনো ইতিবাচক আশ্বাস না পাওয়া যায়, তবে সাংবাদিক সমাজ আরও বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে।
তিনি বলেন, সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও এখনো পর্যন্ত এ নৃশংস হত্যার কোনো বিচার সম্পন্ন হয়নি। সাগর-রুনি হত্যার পর থেকে এ পর্যন্ত পাঁচটি সরকারের আমল অতিবাহিত হয়েছে। এই দীর্ঘ সময়ে সাংবাদিক সমাজ বারবার বিচারের দাবিতে আকুতি জানিয়েছে, কিন্তু কোনো কার্যকর অগ্রগতি দৃশ্যমান হয়নি। এতে জনমনে গভীর হতাশা ও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
তিনি বলেন, ডিআরইউ দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করছে—সাগর-রুনি হত্যার বিচার না হওয়া পর্যন্ত সাংবাদিকরা এই দাবি থেকে সরে আসবে না এবং প্রয়োজনে কিয়ামত পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবে।
ডিআরইউ’র সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো সরকারই এ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করতে চাইনি। চাইলে এতদিন সময় লাগার কথা নয়। একে একে তিন সরকার এলো। কিন্তু সাগর-রুনি হত্যার বিচারের কোনো অগ্রগতিই হয়নি। তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ পিছিয়েছে ১২৫ বার। চাঞ্চল্যকর এমন কোনো হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন এতবার পেছানোর কোনো নজির আছে কিনা জানা নেই। সরকার আন্তরিক থাকলে এমনটি হতো না বলে আমার বিশ্বাস। তিনি বলেন, বর্তমানে নতুন গণতান্ত্রিক সরকার দেশ পরিচালনা করছে । আমাদের বিশ্বাস এ হত্যাকাণ্ডের বিচার নিয়ে এই সরকার আন্তরিক থাকবে।
ডিআরইউ’র সাবেক সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশা বলেন, সাংবাদিক সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের বিচার দীর্ঘদিনেও সম্পন্ন না হওয়ায় একের পর এক সরকার জনগণকে হতাশ করেছে।
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন— ডিআরইউ’র সাবেক সভাপতি সৈয়দ শুকুর আলী শুভ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ, ডিইউজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, ডিইউজের যুগ্ম সম্পাদক দিদারুল আলম, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বাবুল তালুকদার, মাছরাঙা টেলিভিশনের হেড অব নিউজ হামিদুল হক, ডিআরইউ’র যুগ্ম সম্পাদক মো. জাফর ইকবাল, দপ্তর সম্পাদক রাশিম মোল্লা প্রমুখ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক যুগ্ম সম্পাদক নাদিয়া শারমিন, ডিআরইউ’র অর্থ সম্পাদক নিয়াজ মাহমুদ সোহেল, নারী সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস পান্না, তথ্যপ্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাহমুদ সোহেল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মনোয়ার হোসেন, কার্যনির্বাহী সদস্য মাহফুজ সাদি, সাবেক প্রশিক্ষণ ও গবেষণা সম্পাদক মশিউর রহমান, স্থায়ী সদস্য কুদরাত-ই খোদা, গাজী আবু বকর, মনোজ রায়, হারুন-উর রশীদ, ডি এম আমিরুল ইসলাম অমর ও ওবায়েদ অংশুমান প্রমুখ।
সোমবার (৬ মার্চ) সেগুনবাগিচায় ডিআরইউ চত্বরে সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যার বিচার দাবিতে এক সাংবাদিক সমাবেশে এ কথা বলেন সংগঠনটির সভাপতি আবু সালেহ আকন।
তিনি বলেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের বয়স মাত্র দেড় মাস। ডিআরইউ আশা প্রকাশ করছে এই সরকার শান্তিপূর্ণ ও গঠনমূলক নেতৃত্বের মাধ্যমে এ হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করবে। সংগঠনটি সরকারের প্রধান এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের কাছে বিনীতভাবে আহ্বান জানাচ্ছে—ঘরে ঢুকে সংঘটিত এই নির্মম হত্যার দ্রুত ও নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করা হোক।
ডিআরইউ সভাপতি বলেন, যদি বর্তমান সরকারও এ হত্যাকাণ্ডের বিচার করতে ব্যর্থ হয়, তবে তাদের ওপরও ব্যর্থতার দায় বর্তাবে। আগামী বৃহস্পতিবার আমরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীদের কাছে স্মারকলিপি দিবো। যদি সেখান থেকে কোনো ইতিবাচক আশ্বাস না পাওয়া যায়, তবে সাংবাদিক সমাজ আরও বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে।
তিনি বলেন, সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও এখনো পর্যন্ত এ নৃশংস হত্যার কোনো বিচার সম্পন্ন হয়নি। সাগর-রুনি হত্যার পর থেকে এ পর্যন্ত পাঁচটি সরকারের আমল অতিবাহিত হয়েছে। এই দীর্ঘ সময়ে সাংবাদিক সমাজ বারবার বিচারের দাবিতে আকুতি জানিয়েছে, কিন্তু কোনো কার্যকর অগ্রগতি দৃশ্যমান হয়নি। এতে জনমনে গভীর হতাশা ও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
তিনি বলেন, ডিআরইউ দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করছে—সাগর-রুনি হত্যার বিচার না হওয়া পর্যন্ত সাংবাদিকরা এই দাবি থেকে সরে আসবে না এবং প্রয়োজনে কিয়ামত পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবে।
ডিআরইউ’র সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো সরকারই এ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করতে চাইনি। চাইলে এতদিন সময় লাগার কথা নয়। একে একে তিন সরকার এলো। কিন্তু সাগর-রুনি হত্যার বিচারের কোনো অগ্রগতিই হয়নি। তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ পিছিয়েছে ১২৫ বার। চাঞ্চল্যকর এমন কোনো হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন এতবার পেছানোর কোনো নজির আছে কিনা জানা নেই। সরকার আন্তরিক থাকলে এমনটি হতো না বলে আমার বিশ্বাস। তিনি বলেন, বর্তমানে নতুন গণতান্ত্রিক সরকার দেশ পরিচালনা করছে । আমাদের বিশ্বাস এ হত্যাকাণ্ডের বিচার নিয়ে এই সরকার আন্তরিক থাকবে।
ডিআরইউ’র সাবেক সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশা বলেন, সাংবাদিক সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের বিচার দীর্ঘদিনেও সম্পন্ন না হওয়ায় একের পর এক সরকার জনগণকে হতাশ করেছে।
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন— ডিআরইউ’র সাবেক সভাপতি সৈয়দ শুকুর আলী শুভ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ, ডিইউজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, ডিইউজের যুগ্ম সম্পাদক দিদারুল আলম, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বাবুল তালুকদার, মাছরাঙা টেলিভিশনের হেড অব নিউজ হামিদুল হক, ডিআরইউ’র যুগ্ম সম্পাদক মো. জাফর ইকবাল, দপ্তর সম্পাদক রাশিম মোল্লা প্রমুখ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক যুগ্ম সম্পাদক নাদিয়া শারমিন, ডিআরইউ’র অর্থ সম্পাদক নিয়াজ মাহমুদ সোহেল, নারী সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস পান্না, তথ্যপ্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাহমুদ সোহেল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মনোয়ার হোসেন, কার্যনির্বাহী সদস্য মাহফুজ সাদি, সাবেক প্রশিক্ষণ ও গবেষণা সম্পাদক মশিউর রহমান, স্থায়ী সদস্য কুদরাত-ই খোদা, গাজী আবু বকর, মনোজ রায়, হারুন-উর রশীদ, ডি এম আমিরুল ইসলাম অমর ও ওবায়েদ অংশুমান প্রমুখ।