লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার সুরমা চা বাগান এলাকায় এক পর্যটক তরুণী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জসিম মিয়া (৩৪) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, সোমবার (২৩ মার্চ) সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে আদালতের মাধ্যমে হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ওই তরুণী তার এক আত্মীয়কে সঙ্গে নিয়ে মাধবপুর বাজার থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় সাতছড়ি ও সুরমা চা বাগান এলাকায় বেড়াতে যান। সন্ধ্যা ছয়টার দিকে তারা বাগানের ভেতরে প্রবেশ করেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে জসিম মিয়া ও তার সহযোগী শাহীন মিয়া ‘ডাকাত’ বলে চিৎকার করে তাদের ধাওয়া করেন। এ সময় তরুণীর সঙ্গে থাকা ব্যক্তি ঘটনাস্থল ত্যাগ করলে অভিযুক্তরা তরুণীকে বাগানের একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার কানের এক জোড়া স্বর্ণের দুল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
তরুণীর সঙ্গে থাকা ব্যক্তি বিষয়টি মাধবপুর থানায় জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে এবং সেখান থেকে জসিম মিয়াকে গ্রেপ্তার করে। পরে তার কাছ থেকে ছিনতাই হওয়া স্বর্ণের দুল উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন এবং পলাতক সহযোগীর নাম জানিয়েছেন।
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা হয়েছে। ভুক্তভোগীকে চিকিৎসার জন্য হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার সুরমা চা বাগান এলাকায় এক পর্যটক তরুণী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জসিম মিয়া (৩৪) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, সোমবার (২৩ মার্চ) সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে আদালতের মাধ্যমে হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ওই তরুণী তার এক আত্মীয়কে সঙ্গে নিয়ে মাধবপুর বাজার থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় সাতছড়ি ও সুরমা চা বাগান এলাকায় বেড়াতে যান। সন্ধ্যা ছয়টার দিকে তারা বাগানের ভেতরে প্রবেশ করেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে জসিম মিয়া ও তার সহযোগী শাহীন মিয়া ‘ডাকাত’ বলে চিৎকার করে তাদের ধাওয়া করেন। এ সময় তরুণীর সঙ্গে থাকা ব্যক্তি ঘটনাস্থল ত্যাগ করলে অভিযুক্তরা তরুণীকে বাগানের একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার কানের এক জোড়া স্বর্ণের দুল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
তরুণীর সঙ্গে থাকা ব্যক্তি বিষয়টি মাধবপুর থানায় জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে এবং সেখান থেকে জসিম মিয়াকে গ্রেপ্তার করে। পরে তার কাছ থেকে ছিনতাই হওয়া স্বর্ণের দুল উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন এবং পলাতক সহযোগীর নাম জানিয়েছেন।
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা হয়েছে। ভুক্তভোগীকে চিকিৎসার জন্য হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।